International Mother Language Day

নেই শহিদ বেদি, গাওয়া হল না বাংলা গান! মাতৃভাষা দিবসে শুনশান পেট্রাপোল বন্দর

ভোটের পর বাংলাদেশে নতুন সরকার তৈরি হয়েছে। প্রতিবেশী দেশে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আশ্বাস দিয়েছে ওই সরকার। আজ, ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা দিবস। কিন্তু এবারও উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর পেট্রাপোলে মাতৃভাষা দিবসে কোনও অনুষ্ঠান হল না।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ১৯:১৩

options
link
নেই শহিদ বেদি, গাওয়া হল না বাংলা গান! মাতৃভাষা দিবসে শুনশান পেট্রাপোল বন্দর
ফাঁকা সীমান্ত এলাকা। নিজস্ব চিত্র

ভোটের পর বাংলাদেশে নতুন সরকার তৈরি হয়েছে। প্রতিবেশী দেশে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আশ্বাস দিয়েছে ওই সরকার। আজ, ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা দিবস (International Mother Language Day)। কিন্তু এবারও উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর পেট্রাপোলে মাতৃভাষা দিবসে কোনও অনুষ্ঠান হল না। নোম্যান্স ল্যান্ডে ভারত-বাংলাদেশ দু’দেশের যৌথমঞ্চে অনুষ্ঠান বন্ধ হয়েছে আগেই৷ কয়েক বছর ধরে দু’দেশের সীমান্তে আলাদা আলাদা মঞ্চ করে ভাষা উৎসবে হয়েছিল।

Advertisement

কিন্তু এবার ছবিটা সম্পূর্ণ আলাদা৷ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষার উৎসবের বিন্দুমাত্র ছোয়াও দেখা গেল না বাংলাদেশের বেনাপোল ও ভারতের পেট্রাপোল সীমান্তে। খাঁ খাঁ করল গোটা এলাকা। মাতৃভাষা দিবসে পেট্রাপোল বন্দরে এসে মন খারাপ, একরাশ হতাশা নিয়ে বাড়ি ফিরেলেন ভাষা, সাহিত্যপ্রেমী বাঙালিরা৷ 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বাংলাদেশের পরিস্থিতি অশান্ত হওয়ার কারণে গত বছর নোম্যান্স ল্যান্ডে যৌথ অনুষ্ঠান হয়নি। সেই দেশে সবে নির্বাচনে পর নতুন সরকার তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকায় এবারও যৌথ অনুষ্ঠান হল না।

বাসিন্দারা জানিয়েছেন, পেট্রাপোল সীমান্তে বহু বছর ধরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষাদীবস পালিত হয়ে আসছে৷ স্মৃতি সৌধের মাল্যদান নাচ গানের অনুষ্ঠানের মধ্যে থেকে এই দিনটি পালিত হত। পরিচালনায় থাকেন স্থানীয় ছয়ঘড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েত বনগাঁ পঞ্চায়েত সমিতি এবং বন্দরের ব্যবসায়ীরা। অতীতে দু’দেশের মন্ত্রী জনপ্রতিনিধিরাও হাজির থাকতেন এই অনুষ্ঠানে। বন্দরের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, করোনা পরিস্থিতির পর থেকে সীমান্তের এই অনুষ্ঠান এক প্রকার অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। বন্ধ হয়ে যায় দু’দেশের যৌথ অনুষ্ঠান৷ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের অশান্ত পরিবেশ এবং তারপর অন্তর্বর্তী সরকার দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন দেখা দেয়। আর তাতেই ভাটা পড়া শুরু হয় ভাষার অনুষ্ঠানে৷

Advertisement
International Mother Language Day
ফাঁকা গোটা এলাকা। নিজস্ব চিত্র

প্রতি বছর শহিদ বেদি তৈরি করে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হয়। সাজানো হয় গোটা এলাকা। কিন্তু এবার কিছুই নেই। গোটা এলাকা ফাঁকা। কিন্তু কেন এবার হল না এই অনুষ্ঠান? বনগাঁ পঞ্চায়েত সমিতির এক কর্তা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি অশান্ত হওয়ার কারণে গত বছর নোম্যান্স ল্যান্ডে যৌথ অনুষ্ঠান হয়নি। বাংলাদেশে সবে নির্বাচনে পর নতুন সরকার তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকায় এবারও যৌথ অনুষ্ঠান হল না। তাঁর কথায়, “আগামীতে নিশ্চয়ই হবে। বন্দরের নিরাপত্তার কারণে এবার আমরা বন্দরে অনুষ্ঠান বন্ধ রেখেছি।”

ভাষাপ্রেমী পার্থসারথি দে বলেন, “ভাষার টানেই প্রতি বছর পেট্রাপোলে ছুটে আসি। এবার শূন্য বুকে ফিরে যাচ্ছি।”

ভাষাপ্রেমী পার্থসারথি দে বলেন, “ভাষার টানেই প্রতি বছর পেট্রাপোলে ছুটে আসি। এবার শূন্য বুকে ফিরে যাচ্ছি।” বনগাঁ পঞ্চায়েত সমিতির এক কর্তার কথায়, “নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে এবার অনুষ্ঠান করা যায়নি।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন