Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Pratik Ur Rahaman

‘প্রতীক নিজেই বলেছে, দাদা, আপনি চাইলেও টিকিট নেব না’! সিপিএমের কুৎসার জবাব দিলেন অভিষেক

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলাপচারিতায় প্রতীক উর রহমান নিজেই বলেছেন যে, তিনি বিধানসভা ভোটের টিকিট চান না। দল তাঁকে টিকিট দিতে চাইলেও তিনি তা নেবেন বলেই অভিষেককে জানিয়েছেন।

Advertisement
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ১৮:৫৮

link
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ১৮:৫৮

options
link
‘প্রতীক নিজেই বলেছে, দাদা, আপনি চাইলেও টিকিট নেব না’! সিপিএমের কুৎসার জবাব দিলেন অভিষেক zoom
(বাঁ দিকে) অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং প্রতীক উর রহমান।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলাপচারিতায় প্রতীক উর রহমান (Pratik Ur Rahaman) নিজেই বলেছেন যে, তিনি বিধানসভা ভোটের টিকিট চান না। দল তাঁকে টিকিট দিতে চাইলেও তিনি তা নেবেন না বলেই অভিষেককে জানিয়েছেন। শনিবার প্রতীক তৃণমূলে আনুষ্ঠানিক ভাবে যোগ দেওয়ার পরেই তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে এ কথা বললেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবারের আমতলায় তৃণমূলের দপ্তরে গিয়ে সে দলে যোগ দেন প্রতীক। পরে অভিষেকের সঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। গত কয়েক দিন ধরেই প্রতীকের দলবদল নিয়ে জল্পনা চলছিল। তখন থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে সমাজমাধ্যমে কুৎসা রটানোর অভিযোগ ওঠে। অনেকে দাবি করেছিলেন, তৃণমূলের সঙ্গে প্রতীকের ‘ডিল’ হয়েছে। প্রার্থী করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে বলেই তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। এ নিয়ে পালটা জবাব দিয়েছেন অভিষেক। তিনি বলেন, “আপনাদের গায় জ্বালা কেন? আপনারা প্রতীক উরকে বলছেন, ডিল করেছে। কী ডিল? প্রতীক উর নিজেই এসে বলেছে, সে টিকিট নেবে না।”

Advertisement

অভিষেকের সংযোজন, “আপনাদের গায়ে জ্বালা হচ্ছে, কারণ আপনাদের হ্যাঁ-তে হ্যাঁ মেলায়নি ও। যারা স্নো পাউডার মেখে বসে, তাদের গায়েই জ্বালা। আমি কিছু বলার আগে এসে বলেছে, টিকিট নেব না। দলের কাজ করব। রাজনীতিতে চাওয়া-পাওয়া নেই এমন ক’জনকে পাওয়া যায়? মানুষের জন্য কাজ করতে চাইলে দলটা বড় কথা নয়। আলিমুদ্দিন সার্টিফিকেট দেবে, তারপর একজন বামপন্থী হবেন? ওর চাওয়া-পাওয়া নেই। ঋতব্রত কিছু চায়নি। কানহাইয়া চলে গিয়েছে কংগ্রেসে।” পরে প্রতীকও ‘কুৎসা’র জবাব দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “হ্যাঁ ডিল হয়েছে। বিজেপি যাতে এ বাংলায় ঢুকতে না পারে, তা নিশ্চিত করার ডিল হয়েছে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.