Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Afghanistan

সঙ্গীত নিষিদ্ধ! আফগানিস্তানে তবলা, হারমোনিয়াম, রুবাব পোড়াচ্ছে তালিবান সরকার, ভয়ে পলাতক শিল্পীরা

আফগানিস্তানে সঙ্গীতচর্চা নিষিদ্ধ করেছে তালিবান। বাজেয়াপ্ত করা যাবতীয় বাদ্যযন্ত্র তাই রীতিমতো বহ্ন্যূৎসব করে পুড়িয়ে দিল পারওয়ান প্রদেশের প্রশাসন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ১৭:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ১৭:৪৪

options
link
সঙ্গীত নিষিদ্ধ! আফগানিস্তানে তবলা, হারমোনিয়াম, রুবাব পোড়াচ্ছে তালিবান সরকার, ভয়ে পলাতক শিল্পীরা zoom
ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

আফগানিস্তানে (Afghanistan) সঙ্গীতচর্চা নিষিদ্ধ করেছে তালিবান। বাজেয়াপ্ত করা যাবতীয় বাদ্যযন্ত্র তাই রীতিমতো বহ্ন্যূৎসব করে পুড়িয়ে দিল পারওয়ান প্রদেশের প্রশাসন। বন্দুক কাঁধে, পা থেকে মাথা পর্যন্ত জোব্বা-মুখোশে ঢাকা তালিবানিরা ক্ষমতার আঁশটে উল্লাসে জ্বালিয়ে দিলেন তবলা, ড্রাম, হারমোনিয়াম, গিটার, তুমবক, দাফ এবং আফগানিস্তানের জাতীয় বাদ্যযন্ত্র রুবাব-সহ ৫০০টিরও বেশি বাদ্যযন্ত্র!

চারিত্রিক গুণের প্রসার এবং দোষ প্রতিরোধের জন্য আলাদা মন্ত্রকই খুলেছে তালিবান সরকার। কট্টর ধর্মীয় অনুশাসনের নিক্তি মেপে নির্ধারিত হচ্ছে দোষ-গুণের সংজ্ঞা। সেই হিসেবেই গানবাজনা পড়েছে দোষের কোঠায়। ওই মন্ত্রক জানিয়েছএ, শুধু পারওয়ানেই নয়, লাঘমান প্রদেশেও শতাধিক বাদ্যযন্ত্র পোড়ানো হয়েছে।

Advertisement

তালিবানি শাসকেরা মনে করেন, সঙ্গীত নৈতিক অবক্ষয়ের কারণ হতে পারে। সেই কারণে ২০২১ সালে আফগানিস্তানে পুনরায় ক্ষমতা দখলের পরেই সঙ্গীতকে ‘হারাম’ ঘোষণা করা হয়। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, শুধু ২০২৪ সালেই ২১ হাজারের বেশি বাদ্যযন্ত্র নষ্ট করা হয়েছে। পাশাপাশি বিয়ে বা কোনও পারিবারিক অনুষ্ঠান, জনসমাবেশ— কোথাও সঙ্গীত বাজানোর অনুমতি নেই। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে স্কুলে সঙ্গীত শিক্ষাও। মহিলাদেরও জনসমক্ষে গান গাওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। রেডিও ও টেলিভিশনেও সঙ্গীতানুষ্ঠানের সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অনুমতি রয়েছে কেবল ধর্মীয় স্তোত্র প্রচারের।

আফগানিস্তান ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, গত চার বছরে সঙ্গীত তৈরি, পরিবেশন বা শোনার অভিযোগে বহু মানুষকেই আটক করা হয়েছে। ভয়ে দেশ ছেড়েছেন বহু শিল্পী। অনেকের মতে, এই ধারাবাহিক নিষেধাজ্ঞায় শুধু সাংস্কৃতিক চর্চাকেই দমন করা হচ্ছে না, বরং আফগানিস্তানের সংস্কৃতির উপরেই উপরেই গভীর আঘাত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.