Cattle Smuggling Case

গরুপাচারের টাকা কোথায়? লেনদেনের হদিশ জানতে আসানসোল জেলে অনুব্রতকে জেরা ED’র

প্রচুর নথিপত্র, ল্যাপটপ ও প্রিন্টার নিয়ে সংশোধনাগারে ঢোকেন তদন্তকারীরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৭, ২০২২, ১৩:০৬

options
link
গরুপাচারের টাকা কোথায়? লেনদেনের হদিশ জানতে আসানসোল জেলে অনুব্রতকে জেরা ED’র

শেখর চন্দ্র, আসানসোল: গরুপাচার মামলায় সক্রিয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। আদালতের অনুমতি পেতেই অনুব্রত মণ্ডলকে জেরা করতে আসানসোল বিশেষ সংশোধনাগারে হাজির ইডির ৩ তদন্তকারী আধিকারিক। প্রচুর নথিপত্র, ল্যাপটপ ও প্রিন্টার নিয়ে সংশোধনাগারে ঢোকেন তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, বীরভূমের (Birbhum) তৃণমূল জেলা সভাপতির জন্য চারপাতার বিশেষ প্রশ্নপত্র তৈরি রেখেছেন ইডির কর্তারা।

Advertisement

বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতা থেকে সড়কপথে আসানসোল রওনা দেন ইডির তদন্তকারীরা। সাড়ে ১১টা নাগাদ ল্যাপটপ, প্রিন্টার ও প্রচুর নথি সহ বিশেষ সংশোধনাগারে ঢোকেন তিন তদন্তকারী আধিকারিক। তাঁদের সঙ্গে ভিডিওগ্রাফির যন্ত্রপাতিও রয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: সহপাঠিনীকে সিগারেট খাওয়ানোর নিয়ে উত্তাল ইংরাজি মাধ্যম স্কুল, ছাত্র সংঘর্ষে রণক্ষেত্র হাওড়া]

উল্লেখ্য, অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mandal) দেহরক্ষী সায়গল হোসেন, অনুব্রতকন্যা সুকন্যাকে দিল্লিতে জেরা করেছে ইডি। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে অনুব্রত ও সুকন্যার হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারিকেও। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে গরুপাচার মামলায় (Cattle Smuggling Case) আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত একাধিক নয়া তথ্য মিলেছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে এদিন অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলেই সূত্রের খবর। কীভাবে আর্থিক লেনদেন চলত, এর সঙ্গে লটারির কোনও যোগ রয়েছে কিনা, তাও জানার চেষ্টা চালাবে ইডি।

Advertisement

প্রসঙ্গত, গরুপাচার মামলায় বীরভূমের দাপুটে নেতা অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করেছে সিবিআই (CBI)। আপাতত আসানসোল বিশেষ সংশোধনাগারে রয়েছেন তিনি। এবার জেলেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হাজির ইডি আধিকারিকরা। এই মামলায় ইতিপূর্বে সায়গল হোসেন, সুকন্যা মণ্ডল, মণীশ কোঠারির পাশাপাশি ব্যবসায়ী  টুলু ওরফে নিজামুদ্দিন মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি। কেষ্টর গ্রেপ্তারির পর স্বাভাবিকভাবেই গরুপাচার কাণ্ডে সিবিআইয়ের নজর পড়েছিল টুলুর দিকে। কিছুদিন আগে তাঁর বেশ কয়েকটি বাড়িতে তল্লাশি চালায় সিবিআই আধিকারিকরা। ইডির তরফে নোটিস পাঠানো হয়েছিল টুলুকে। তাঁকে দিল্লিতে তলবও করা হয়। নির্দেশ মেনে দিল্লিতে ইডির দপ্তরে হাজিরা দেন টুলু। 

[আরও পড়ুন: লাগাতার যৌন হেনস্তা, মুসলিম ধর্মগুরুকে সাড়ে ৮ হাজার বছরের কারাবাসের সাজা]

পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডল প্রথম জীবনে খাদান কর্মী ছিলেন। মাত্র অল্পদিনের মধ্যে প্রভাব এলাকায় বিস্তার করেন তিনি। অনুব্রতর ঘনিষ্ঠ ছিলেন। অভিযোগ, গরুপাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত টুলু। তাঁকে জেরা করে প্রাপ্ত তথ্য ভিত্তি করেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে অনুব্রত মণ্ডলকে। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন