ED raids at Partha Chatterjee and Arpita Mukherjee 'Apa' residence

পার্থ-অর্পিতাকে আদালতে পেশের আগে তৎপর ইডি, শান্তিনিকেতনের ‘অপা’য় জোর তল্লাশি

'অপা'র কেয়ারটেকারের সঙ্গে কথা বলছেন আধিকারিকরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩, ২০২২, ১৭:০২

options
link
পার্থ-অর্পিতাকে আদালতে পেশের আগে তৎপর ইডি, শান্তিনিকেতনের ‘অপা’য় জোর তল্লাশি

ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, বোলপুর: পার্থ-অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে আদালতে তোলার আগে তৎপর ইডি। বুধবার সকালে শান্তিনিকেতনের ‘অপা’য় হানা আধিকারিকদের। সঙ্গে রয়েছেন ব্যাংক আধিকারিকরাও। ‘অপা’র এক কেয়ারটেকারের সঙ্গে কথাবার্তা বলছেন তাঁরা।  

Advertisement

দিনকয়েক আগেই ‘অপা’র দলিল হাতে আসে তদন্তকারীদের। সেই দলিলে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, দশ বছর আগেই অর্পিতার সঙ্গে শান্তিনিকেতনে যৌথ সম্পত্তি কিনেছিলেন ইডি হেফাজতে বন্দি প্রাক্তন শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ২০১২ সালের ২০ জানুয়ারি দু’জনের সই করা এবং রেজিস্ট্রি হওয়া শান্তিনিকেতনের শ্যামবাটিতে ১০ কাঠা জমির উপর তৈরি একটি বাড়ির দলিল ইডি’র হাতে এসেছে। জমিটি কেনা হয় উত্তর কলকাতার ১৪৩এ বিবেকানন্দ রোডের শ্যামলী বন্দ্যোপাধ্যায় ও পুত্র সুসিম বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে। দলিলে স্বয়ং পার্থ এবং অর্পিতার দু’হাতের দশ আঙুলের ছাপ রয়েছে। জমির ক্রেতা ও বিক্রেতাকে শনাক্ত করেছিলেন আলিপুর পুলিশ কোর্টের আইনজীবী দেবাশিস সরকার।

Advertisement

[আরও পড়ুন: রাজ্য মন্ত্রিসভায় রদবদল, বাদ পড়ছেন এঁরা! আজই শপথ নেবেন কারা?]

তাৎপর্যপূর্ণ হল, দলিলে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় নিজের যে ছবি দিয়েছেন তা তাঁর কলেজ জীবনের বলে মন্তব্য করেছেন সহপাঠীরা। দলিলে সম্পত্তির দাম ২০ লক্ষ টাকা উল্লেখ থাকলেও স্থানীয়দের দাবি, শ্যামবাটি মৌজায় জমির দাম অনেক বেশি। পরে ওই বাড়িটি অর্পিতার নামে মিউটেশন করেন প্রাক্তন শিল্পমন্ত্রী। বাড়িটি কেনার পর অর্পিতার শখ ও পছন্দ মিলিয়েই রং-টাইলস বসিয়ে নতুন করে সাজিয়ে দেন পার্থ। মালি নিয়ে এসে নার্সারি থেকে এনে বসানো হয় ফুল ও পাতাবাহার গাছ। দু’জনের নামের আদ্যক্ষর মিলিয়ে বাড়ির নামকরণ হয় অপা। পার্থ-অর্পিতা গ্রেপ্তারের পর এখন শান্তিনিকেতনের নয়া দ্রষ্টব্য এই বাড়িটির সামনে এসে বহু পর্যটক সেলফি তুলছেন।

Advertisement

স্থানীয়দের দাবি, “বাড়িটি কেনার পর প্রায়ই পার্থবাবু অর্পিতাকে সঙ্গে নিয়ে আসতেন। সঙ্গে কোনও পুলিশ-পাইলট যেমন থাকত না তেমনই নিজের গাড়িতেও লাল বাতি জ্বলত না। স্থানীয় নেতাদের সঙ্গেও দেখা করতেন না।” পার্থবাবু এলেই অর্পিতার পছন্দ মেনে পাঠাতে হতো হাঁসের ডিম, কাঁথা স্টিচ ও কলমকারির শাড়ি। মাঝে বিজেপিতে গিয়ে তৃণমূলে ফিরে আসা শ্যামবাটির এক দাপুটে নেতা ওই জোগানের দায়িত্বে ছিলেন। বোলপুরের শীর্ষনেতারা অবশ্য ‘অপা’ পার্থবাবুর শ্যালিকার বাড়ি বলেই জানতেন। শেষ তিন-চার বছরে কম এসেছেন বলে দাবি স্থানীয়দের। শেষ কবে পার্থ ও অর্পিতা এই বাড়িতে এসেছেন, কাদের সঙ্গে দেখা করেছেন – সে সমস্ত তথ্যেরই খোঁজ চালাচ্ছে ইডি। 

দেখুন ভিডিও:

[আরও পড়ুন: সিন্ধুর জয়েও হাতছাড়া সোনা, রুপো পেল ভারতীয় মিক্সড ব্যাডমিন্টন টিম, শুভেচ্ছা মোদির]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.