সোনারপুরে গিয়ে জনরোষে আক্রান্ত হয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে ডিম ছুড়ে মারা হয়েছিল। হেলমেট পরেও শেষরক্ষা হয়নি। ওই ঘটনার কার্যত পুনরাবৃত্তি হল উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটিতে। এলাকার প্রাক্তন বিধায়ক সনৎ দে (Former TMC MLA Sanat Dey) এবার স্থানীয়দের হাতে আক্রান্তের শিকার হলেন। ‘চোর চোর’ স্লোগান দেওয়া হল। শুধু তাই নয়, ডিমও ছোড়া হয়েছে বলে অভিযোগ। শেষপর্যন্ত পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে। ঘটনায় শুরু হয়েছে জোর গুঞ্জন।
এই বিষয়ে আরও খবর
জানা গিয়েছে, নৈহাটির (Naihati) বিজয়নগর এলাকায় বাড়ি তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক সনৎ দে। ওই এলাকাতেই তাঁর একটি কার্যালয় আছে। সেখান থেকে এতদিন দলের কাজকর্ম চলত। শুধু তাই নয়, তাঁর ব্যবসার কাজকর্মও ওই অফিস থেকে চলত। ভোটে হারার পর থেকে ওই পার্টি অফিস বন্ধই ছিল। সনৎ দে-কেও তেমনভাবে প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছিল না। গতকাল, সোমবার বিকেলের পর তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক ওই কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। তালা খুলে ভিতরে ঢোকেন। এদিকে স্থানীয়দের একাংশ ওই ঘটনা দেখে উত্তেজিত হয়ে ওঠেন বলে অভিযোগ।
হেলমেট পরে তিনি ওই কার্যালয় থেকে বেরোন। ততক্ষণে জনরোষ আরও বেড়েছে বলে অভিযোগ। তাঁকে দেখেই ‘চোর চোর’ স্লোগান উঠতে থাকে। প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ককে সেখান থেকে বের করে নিয়ে যাওয়ার সময় তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছুড়তে থাকে জনতা!
ওই কার্যালয় থেকে কিছু সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে, সেই অভিযোগ তুলে ঘেরাও করা হয় সেটি। বাইরে শুরু হয় প্রবল বিক্ষোভ। পরিস্থিতি প্রতিকূল দেখে নৈহাটি থানায় ফোন করেন সনৎ দে। পুলিশ বাহিনী কিছু সময় পরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। কার্যালয়ের ভিতর থেকে তাঁকে উদ্ধার করা হয়। হেলমেট পরে তিনি ওই কার্যালয় থেকে বেরোন। ততক্ষণে জনরোষ আরও বেড়েছে বলে অভিযোগ। তাঁকে দেখেই ‘চোর চোর’ স্লোগান উঠতে থাকে। প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ককে সেখান থেকে বের করে নিয়ে যাওয়ার সময় তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছুড়তে থাকে জনতা!

ঘটনায় এলাকায় জোর চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিষেকের পরে জনরোষে আক্রান্ত হয়েছেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বর্ষীয়ান তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়কে লক্ষ্য করেও ‘চোর’ স্লোগান ও ডিম ছোড়া হয়েছিল। এবার তেমনই ঘটনা ঘটল নৈহাটিতে। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, “এলাকার মানুষ বলছে, ওই অফিসে আগে বোমা, পিস্তল নিয়ে ঢুকতে দেখা গিয়েছে অনেককে। প্রাক্তন বিধায়ক হুমকিও দিয়েছিলেন। স্থানীয়দের আশঙ্কা, এখনও ওই পার্টি অফিসে অনেক কিছু পাওয়া যেতে পারে।” বিজেপি নেতৃত্বের আরও দাবি, “গত একুশ সালে উনি নৈহাটিজুড়ে সন্ত্রাস তৈরি করেছিলেন। সেরকমই পরিকল্পনা ছিল। আমরা চাই, পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করুক।”
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
মৃত্যুমুখেও অটল! ১৭৪ যাত্রীর প্রাণ বাঁচানো পাইলটকে পুরস্কৃত করছে গুজরাট সরকার, বিশেষ সম্মান ইজরায়েলেরও
-
ঋত-তৃণমূলের ভোটের প্রচারে চকোলেট কুড়োতে গিয়ে মৃত্যু! নাবালিকার বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী
-
অন্নপূর্ণা থেকে আয়ুষ্মানের আবেদন! কবে কোথায় কলকাতার বুকে বসছে শিবির
-
বস্তাবন্দি সুপারিতে সিঁধ রাজকোষে! সিন্ডিকেটের কোমর ভাঙতে শিলিগুড়িতে মেগা অভিযান ইডির
-
ভলিবলে হারলেও হকিতে পাকিস্তান বধ ভারতের, এশিয়াড ফাইনালে হরমনপ্রীতরা



