জ্যোতি চক্রবর্তী, বনগাঁ: আমফানের দাপটের পর দু’সপ্তাহ পেরতে চলল। এখনও বনগাঁ মহকুমার বেশিরভাগ জায়গায় বিদ্যুৎ সংযোগ আসেনি। টানা এতগুলো দিন ধরে বিদ্যুৎহীন অবস্থায় থেকে এমনিতেই ধৈর্যের বাঁধ ভাঙছে সাধারণ মানুষের। তার উপর অভিযোগ, ঠিকাদারদের টাকা দিলে তবেই তাঁরা গ্রামে ঢুকে বিদ্যুৎ সংযোগ করে দিচ্ছেন। এর প্রতিবাদে এবং সোমবার মহকুমার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দারা পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন।
এদিন বাগদার বনগাঁ-দত্তফুলিয়া সড়কের বৈকোলা এলাকায় বেলা ১১ টা থেকে রাস্তায় গাছ ফেলে অবরোধ শুরু করেন বাসিন্দারা। অভিযোগ, ঠিকাদারদের টাকা দিলে তাঁরা দ্রুত গ্রামে এসে বিদ্যুতের কাজ করছে। টাকা না দিতে পারলে ঠিকাকর্মীদের দেখা মিলছে না।
[আরও পড়ুন: আনলক ওয়ানেই স্বাভাবিক ছন্দে ফিরল চা বাগান, ১০০ শতাংশ কর্মী নিয়ে শুরু কাজ]
চাঁদপাড়ার এলাকার এক যুবকের কথায়, “অনেক লোকই মোটা টাকা সংগ্রহ করে বিদ্যুৎ কর্মীদের দিয়ে দ্রুত গ্রামে সংযোগ কাজ করাচ্ছেন। সেখানে বিদ্যুৎ ফিরেছে। যে গ্রামে টাকা পাওয়া যাবে না, সেই গ্রামের দিকে ঢুকছেন না কর্মীরা।” অবরোধের খবর পেয়ে পুলিশ যায় ঘটনাস্থলে। বিদ্যুৎ সংযোগ ফেরানোর আশ্বাস দিলে অবরোধ উঠে যায়। এই অভিযোগের কথা শুনে বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা জানিয়েছে, বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
[আরও পড়ুন: আতঙ্কে অশোকনগরের কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের গেট আটকেছেন স্থানীয়রা, পিছনের পথই ভরসা প্রশাসনের]
অন্যদিকে, সোমবার সকাল থেকে বনগাঁ মহকুমার একাধিক জায়গায় রাস্তায় গাছের গুঁড়ি ফেলে অবরোধ শুরু হয়। এদিন গাইঘাটা থানার ঠাকুরনগর চাঁদপাড়া সড়কে ঠাকুরনগর বিদ্যুৎ বন্টন অফিসের সামনে রাস্তায় অবরোধ করে বিক্ষোভ করে বিজেপি। একই সময় ওই রাস্তার বকচড়া ও চাঁদপাড়া এলাকায় রাস্তায় গাছের গুঁড়ি ফেলে বিক্ষোভ করে বাসিন্দারা।

সর্বশেষ খবর
-
আজ হরিয়ালি অমাবস্যা ও সূর্যগ্রহণের বিরল যোগ, স্রেফ একটি কাজেই দূর হবে সব বাধাবিপত্তি
-
স্পিকারকে না জানিয়ে নিলম্বিত! অবশেষে সাসপেনশন উঠে গেল বিধানসভার মার্শালের
-
‘হুজুগ’ বলেছিল তৃণমূল, অভয়া কাণ্ডের দু’বছর পর ফের ১৪ আগস্ট ‘রাত দখলে’র ডাক অগ্নিমিত্রার
-
তৃণমূল সাংসদরা পিছনের সারিতে কেন, দলত্যাগীদের পদ খারিজ কবে? স্পিকার সাক্ষাতে প্রশ্ন অভিষেকদের
-
‘জীবনে শর্টকাট নিও না…’, রিলপ্রেমী জেন জি’দের নয়া বার্তা প্রধানমন্ত্রীর