Anandapur Fire

আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের পরিবার পিছু ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য, ডিএনএ পরীক্ষার অনুমতি পেতে আদালতে যাবে পুলিশ

দমকল ও পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। আজ, মঙ্গলবার আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে এসেছে। রবিবার ভোর প্রায় ৩টে নাগাদ আগুন লাগে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৭, ২০২৬, ২০:২২

options
link
আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের পরিবার পিছু ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য, ডিএনএ পরীক্ষার অনুমতি পেতে আদালতে যাবে পুলিশ
আনন্দপুরের কারখানার ধ্বংসস্তূপ। ফাইল ছবি

আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডে (Anandapur Fire) মৃতদের পরিবার পিছু ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম একথা জানিয়েছেন। দেহ বা দেহাংশের শনাক্তকরণ হলেই পরিবারের হাতে চেক তুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পুরমন্ত্রী। পাশাপাশি আগামিকাল ডিএনও পরীক্ষার জন্য আদালতের কাছে অনুমতি চাওয়া হবে।

Advertisement

আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডে (Anandapur Fire) এখনও পর্যন্ত ৮ জনের মৃতের খবর সামনে এসেছে। নিখোঁজ ১৫ জনের অধিক। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ১৪ জনের পরিবারের তরফে নিখোঁজ অভিযোগ তাঁদের কাছে এসেছে। আগামিকাল আদালত থেকে ডিএনএ পরীক্ষার অনুমতি চাওয়া হবে, তারপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেহের নমুনা মিললে পরিবারকে আর্থিক সাহায্য করা হবে। ফিরহাদ হাকিম বলেন, “মৃতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য করা হবে। ডেথ সার্টিফিকেট পাওয়ার পরই আর্থিক সাহায্য করা হবে। ভয়াবহ আগুন। দুঃখজনক ঘটনা। অনেকজন মানুষ মারা গিয়েছেন। দমকল ও পুলিশ তদন্ত করছে। যে দেহগুলি পাওয়া গিয়েছে, তা ফরেনসিকে পাঠানো হয়েছে। সেগুলি শনাক্ত করা যায়নি। নিখোঁজ অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তবে এই প্রক্রিয়া কিছুটা সময় সাপেক্ষ। কিন্তু কেন? ডিএনএ পরীক্ষা করতে গেলে নিয়ম মেনে আদালতের কাছে অনুমতি নিতে হয়। সেই অনুমতি মেলার পর নমুনা পরীক্ষা করা হয়। আগামিকাল পুলিশ সেই অনুমতি চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হবে। অন্যদিকে এই অগ্নিকাণ্ডে দু’টি মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Advertisement

রবিবার ভোর রাতে প্রায় ৩টে নাগাদ আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান এলাকার মানুষ। তাঁরাই দমকল ও পুলিশে খবর দেন। দমকলের ১২ ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ শুরু হয়। পরে আরও ৪টি ইঞ্জিন আসে। অবশেষে দেড় দিন  পর দমকলের ১৬টি ইঞ্জিনের তৎপরতায় আজ, মঙ্গলবার আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে। এখনও পর্যন্ত সরকারি মতে ৩ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা গিয়েছে। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। মঙ্গলবার নাজিরাবাদের ওই দুই পোড়া গুদাম থেকে ৮ জনের দেহাংশ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.