Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
SIR in West Bengal

‘লজ্জা’, ১০৪ বছরের ইব্রাহিমকে শুনানিতে বিডিও অফিসে ডাক কমিশনের

পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ১ ব্লকের বাসিন্দা শেখ ইব্রাহিম। তিনি বত্রিশ বিঘার মধ্যপাড়ার বাসিন্দা। তাঁর ভোটার কার্ডের তথ্য অনুযায়ী, ইব্রাহিমের বয়স ১০৪।

সৌরভ মাজি
সৌরভ মাজি

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৭, ২০২৬, ১৮:০৯

link
সৌরভ মাজি
সৌরভ মাজি

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৭, ২০২৬, ১৮:০৯

options
link
‘লজ্জা’, ১০৪ বছরের ইব্রাহিমকে শুনানিতে বিডিও অফিসে ডাক কমিশনের zoom
শেখ ইব্রাহিম। নিজস্ব চিত্র
Advertisement

৮৫ বছরের বেশি ভোটারদের বাড়িতে গিয়ে এসআইআর শুনানি হবে। এমনটাই জানিয়ে ছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু কোথায় কী? পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের শতায়ু বৃদ্ধকে এসআইআর (SIR in West Bengal) শুনানিতে ডাক। আগামী ২৯ জানুয়ারি বিডিও অফিসে যেতে বলা হয়েছে তাঁকে। বাড়ি থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে যেতে হবে তাঁকে। এই ঘটনায় বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বৃদ্ধের বাড়িতেই শুনানির দাবিতে সরব তৃণমূল।

পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের বত্রিশ বিঘার মধ্যপাড়ার বাসিন্দা শেখ ইব্রাহিম। তাঁর ভোটার কার্ডের তথ্য অনুযায়ী, ইব্রাহিমের বয়স ১০৪। তিনি ১৩৮ পার্টের বত্রিশ বিঘা ফ্রি প্রাইমারি স্কুলের ভোটার। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁর নাম রয়েছে। কিন্তু তাও কেন শুনানিতে ডাক?

Advertisement

নির্বাচন কমিশনের শুনানির নোটিস বলছে, ইব্রাহিমের নিজের অথবা বাবার নামের সঙ্গে মিল না থাকার কারণে তাঁকে ডাকা হয়েছে। এই মর্মে বাড়িতে নোটিস দিয়ে এসেছেন বিএলও। তারপরই শুরু বিতর্ক। শেখ ইব্রাহিমের বাড়িতে গিয়ে শুনানি প্রক্রিয়া না হলে তৃণমূল বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

স্থানীয় তৃণমূল নেতা বলেন, “এসআইআরের (SIR in West Bengal) পরিকল্পনাই ঠিক নয়। আমরা আগেই দাবি করেছি, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, গভবর্তী মহিলাদের বাড়িতে গিয়ে শুনানি করা হোক। ১০৪ বছরের বৃদ্ধকে এখন এতটা পথ পেরিয়ে শুনানি কেন্দ্রে যেতে বলছে। তাঁর বাড়িতেই শুনানি করতে হবে। না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামব। বিডিও অফিসে অবস্থান বিক্ষোভে বসব।”

শুনানিতে ডাক পাওয়া শেখ ইব্রাহিম বলছেন, “কলকাতার একটি দোকানে কাজ করতাম। হাওড়া ব্রিজ তৈরি হতে দেখেছি। বন্ধুদের সঙ্গে গিয়েছিলাম। গান্ধীজি যখন ভারত ছাড়ো আন্দোলনের ডাক দিলেন, আমরা মিছিলে ছুটে গিয়েছি। দেশ স্বাধীন হতে দেখেছি।” তাঁর ছেলে বলেন, “বাবার বয়স ১০৪ বছর। তাঁকে এখন নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে হচ্ছে। এর থেকে লজ্জার আর কী। নোটিস দিয়ে গিয়েছেন বিএলও, তা গ্রহণ করেছি।” 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.