Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Anandapur Fire

আনন্দপুরে অগ্নিকাণ্ডের পরেই পলাতক কারখানার মালিক! অভিযোগ দায়ের করে গঙ্গাধরকে খুঁজছে পুলিশ

আনন্দপুরে বিধ্বংসী আগুনে ভস্মীভূত মোমো কারখানা। ওই কারখানার পাশেই ছিল একটি ডেকরেটরস-এর কারখানা ও গোডাউন। সেটিও সম্পূর্ণ পুড়ে গিয়েছে। ওই কারখানায় থানা কোনও কর্মী প্রাণ হারিয়েছেন, কিনা এখনও স্পষ্ট নয়।

Advertisement
রঞ্জন মহাপাত্র
রঞ্জন মহাপাত্র

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৭, ২০২৬, ১৭:২৫

link
রঞ্জন মহাপাত্র
রঞ্জন মহাপাত্র

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৭, ২০২৬, ১৭:২৫

options
link
আনন্দপুরে অগ্নিকাণ্ডের পরেই পলাতক কারখানার মালিক! অভিযোগ দায়ের করে গঙ্গাধরকে খুঁজছে পুলিশ zoom
ধৃত গঙ্গাধর দাস। নিজস্ব চিত্র

আনন্দপুরে বিধ্বংসী আগুনে (Anandapur Fire) ভস্মীভূত মোমো কারখানা। ওই কারখানার পাশেই ছিল একটি ডেকরেটরস-এর কারখানা ও গোডাউন। সেটিও সম্পূর্ণ পুড়ে গিয়েছে। ওই কারখানায় থানা কোনও কর্মী প্রাণ হারিয়েছেন, কিনা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকেই পলাতক ওই কারখানার মালিক গঙ্গাধর দাস। আজ, মঙ্গলবার তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশ এফআইআর দায়ের করেছে বলে খবর।

কিন্তু কিসের কারখানা ছিল সেটি? জানা গিয়েছে, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার খেজুরি থানার পূর্বচড়া এলাকার বাসিন্দা গঙ্গাধর দাস। বছর ৪০-এর বেশি সময় ধরে তিনি ডেকোরেশনের ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে। বিদেশ থেকে প্লাস্টিক ফুল নিয়ে আসা হত। ওই ফুল দিয়ে অনুষ্ঠান বাড়ি, সভা, সমিতির মঞ্চ-সহ অন্যান্য জায়গা সাজানোর কাজ হত। পূর্ব মেদিনীপুরের পাশাপাশি কলকাতার অদূরে আনন্দপুরেও গঙ্গাধর দাসের কারখানা ও গোডাউন ছিল। সেখানেই রবিবার রাতে ভয়াবহ আগুন লাগে।

Advertisement

জানা গিয়েছে, আনন্দপুরে প্রায় চার বিঘা জমির উপর ওই কারখানা ছিল। সরকারি, বেসরকারি টেন্ডার নিয়ে তিনি কাজ করতেন। ওই সংস্থায় প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ জন শ্রমিক কাজ করতেন বলে খবর। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, ব্যবসার এইসব উপকরণ দেশের বিভিন্ন অংশ, বিদেশ থেকে আসত। আনন্দপুরের (Anandapur) গোডাউনে ওই বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম রাখা হত। প্লাস্টিকের সরঞ্জাম, ফুল, কাঠ, কাপড়, ওড়না, চেয়ার-সহ ডেকোরেশনের সামগ্রী সবই প্রায় দাহ্যবস্তু। ফলে রবিবার রাতে দ্রুত সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে বলে অনুমান।

ঘটনার পর থেকে বন্ধ খেজুরির বাড়িও। নিজস্ব চিত্র

ঘটনার পর থেকেই উধাও গঙ্গাধর দাস। তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ। গঙ্গাধর বাবুর চারজন ছেলে। একজন আমেরিকায় চাকরি করেন। দু’জন কলকাতায় ব্যবসা করেন এবং ছোটছেলে পড়াশোনা করে। খেজুরির বাড়িতে স্ত্রী কল্পনা দাস একাই থাকেন। মাঝেমধ্যে গঙ্গাধরবাবু গ্রামের বাড়িতে যান বলে খবর। ঘটনার পর খেজুরির বাড়িও বন্ধ। বাড়িতে কেউ আছে কিনা বোঝা যাচ্ছে না! পুলিশ ওই ব্যবসায়ীর খোঁজ করতে শুরু করেছে। নরেন্দ্রপুর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর হয়েছে বলেও খবর।

কেমন মানুষ এই গঙ্গাধর দাস? স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মানুষ হিসেবে তাঁর এলাকায় যথেষ্ঠ সুনাম আছে। খেজুরিতে একটি নার্সারি স্কুল ও একটি বিএড কলেজ রয়েছে তাঁর। গ্রামের মানুষের আপদে-বিপদে পাশে দাঁড়ান। কোটি টাকার ব্যবসা করলেও গ্রামে সকলের সঙ্গেই সাধারণের মতো মেলামেশা করেন।

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.