ওই রাস্তা দিয়ে রাতের বেলায় যাতায়াত করা মানা!

ভূতে হয়তো আমরা কেউ বিশ্বাস করি, আবার কেউ বিশ্বাস করি না! কিন্তু ঘরের কোণ কিংবা অন্ধকার রাস্তায় মাঝেমধ্যে কী এমন মনে হয় না কেউ দাঁড়িয়ে রয়েছেন? আপনার প্রত্যেকটা পদক্ষেপ খুব ভাল করে খেয়াল করছেন কিন্তু আপনি তাঁকে ঠিক দেখতে পাচ্ছেন না! কিন্তু তাঁর উপস্থিতি বেশ টের পাচ্ছেন! সত্যি বলুন ভয় লাগবে না?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৪, ২০১৬, ১৮:৩৫

options
link
ওই রাস্তা দিয়ে রাতের বেলায় যাতায়াত করা মানা!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভূতে হয়তো আমরা কেউ বিশ্বাস করি, আবার কেউ বিশ্বাস করি না! কিন্তু ঘরের কোণ কিংবা অন্ধকার রাস্তায় মাঝেমধ্যে কী এমন মনে হয় না কেউ দাঁড়িয়ে রয়েছেন? আপনার প্রত্যেকটা পদক্ষেপ খুব ভাল করে খেয়াল করছেন কিন্তু আপনি তাঁকে ঠিক দেখতে পাচ্ছেন না! কিন্তু তাঁর উপস্থিতি বেশ টের পাচ্ছেন! সত্যি বলুন ভয় লাগবে না?
এমন কত ঘটনাই ঘটে মানুষের জীবনে| কিছু কথা জানতে পারা যায় আর কিছু রয়ে যায় সম্পূর্ণ অজানা!
পুরুলিয়া স্টেশন থেকে সরকারি ফরেস্ট বাংলো যাওয়ার রাস্তাটির কথা জানা আছে? শোনা যায় ওই রাস্তা দিয়ে রাতের বেলায় যাতায়াত করা মানা৷ রাস্তাঘাটের অবস্থাও বেশ খারাপ এবং আলো না থাকার জন্য বিশেষ কেউ এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করেন না৷
কলকাতার অভি আর তাঁর বন্ধুরা কখনও পুরুলিয়া যান নি৷ পুরুলিয়ায় ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান করে অভি ঠিক করেছিলেন সরকারি ফরেস্ট বাংলোতে উঠবেন৷ কিন্তু পুরুলিয়া পৌঁছতে রাত হয়ে গিয়েছিল বেশ৷ তাই ফরেস্ট বাংলো যাওয়ার জন্য স্থানীয় একটি সুমো গাড়ি ভাড়া করেন তাঁরা৷
কিন্তু বিপত্তি বাধে তখনই৷ ওই পথে গাড়ি নিয়ে যেতে অস্বীকার করেন চালক৷ কারণ জিজ্ঞাসা করলে নানাধরনের অজুহাত দিলেও তাঁর চোখেমুখে ভয়ের ছাপ ছিল স্পষ্ট৷ শেষটায় অনেক কষ্টে অভি ও তাঁর বন্ধুরা চালককে গাড়ি নিয়ে যেতে রাজি করেন৷ কিন্তু বাংলোর পথে যাওয়ার সময় তাঁরা লক্ষ্য করেন, রাস্তার অবস্থা সত্যিই খুব খারাপ৷ মাটির রাস্তা দিয়ে গাড়ি যাচ্ছিল কোনওমতে৷ কিন্তু অন্ধকার রাস্তায় পথ হারিয়েছিলেন ওরা প্রত্যেকেই৷
কিন্তু চালকের দাবি তাঁর রাস্তা জানা ছিল ভালভাবেই৷ তবে ঠিক হয়েছিল কী সেই রাতে? পথ হারিয়ে বেশ ভয় পাচ্ছিলেন চালক৷ আর প্রায় এক ঘণ্টার রাস্তা পেরিয়েও যখন অভি ও তাঁর বন্ধুরা ফরেস্ট বাংলোয় পৌঁছতে ব্যর্থ তখন তো ভয় লাগায় স্বাভাবিক৷
কিন্তু এরপরই সেই অদ্ভুত মহিলার দেখা পেলেন তাঁরা৷ আলুথালুভাবে রাস্তা ধরে হেঁটে চলেছে৷ প্রাথমিকভাবে কলকাতার ছেলে অভি ভেবেছিলেন, মহিলা বোধহয় স্থানীয় এলাকার বাসিন্দা৷ তাই তিনি ও তাঁর বন্ধুরা মহিলাকে ডাকেন এবং ফরেস্ট বাংলো যাওয়ার রাস্তা জানতে চান৷ কিন্তু মহিলা কোনও উত্তর দেননি!
এই প্রসঙ্গে জানিয়ে রাখা দরকার, অভি জানিয়েছেন, এই গোটা ব্যাপারটা ঘটার সময় অভি বা তাঁর বন্ধুরা কেউই মহিলার মুখ দেখতে পাননি৷ ভয়ে, চিন্তায় একরকম দমে যাওয়ার অভি আবারও মহিলাকে একই প্রশ্ন করলে, মহিলা ডানদিকে ইশারা করেন৷ কিন্তু মুখ দিয়ে একটি শব্দও উচ্চারণ করেন নি৷
ওই মহিলার কথা মেনেই শেষটায় ফরেস্ট বাংলোয় পৌঁছয় অভি ও তাঁর বন্ধুবান্ধব৷
কিন্তু সেখানে উপস্থিত দারোয়ান এবং রাঁধুনি তাঁদের অভিজ্ঞতার কথা জানতে পেরে জানান, ওই রাস্তা সত্যিই ভূতুড়ে৷ রাতে ওই পথ দিয়ে কেউ যাতায়াত করেন না৷ ইতিহাস বলে ওই রাস্তায় পাশবিকতার শিকার হয়েছেন বহু নারী৷ আর তাঁদের অতৃপ্ত আত্মা আজও সেখানে রয়ে গিয়েছে৷ যদিও অভি ও তাঁর বন্ধুরা অশরীরীর কোপের শিকার হননি, তবে রাতে ওই পথে ফেরার সময় বহু ব্যক্তিই নাকি অশরীরীর পাল্লায় পড়েছেন৷

Advertisement
Advertisement

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.