ফের কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে ঘিরে উত্তেজনা। কৃষ্ণনগর সার্কিট হাউসের সামনে ‘মহুয়া মৈত্র গো ব্যাক’ স্লোগান। উঠল ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনিও। মহুয়ার অভিযোগ, প্রশাসনের তরফে তাঁকে সার্কিট হাউসের ঘর খালি করে চলে যেতে বলা হয়। সার্কিট হাউসের বাইরে পুলিশি নিরাপত্তাও ছিল না বলে দাবি করেছেন কালীঘাটপন্থী তৃণমূল নেত্রী। সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন তিনি। পরে পুলিশ এসে ঘটনাস্থল থেকে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেয়।
আরও পড়ুন:
বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, সাংসদকে দিনের বেলায় পাওয়া যায় না। ভোটের পর থেকেই তিনি কার্যত নিখোঁজ। সাংসদ হিসাবে মহুয়া নিজের দায়িত্ব পালন করছেন না বলে দাবি তাঁদের।
মহুয়া জানিয়েছেন, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ তিনি সার্কিট হাউসে যান। ঘর পান। ঘরেই রাতের খাবার পরিবেশন করা হয়। তারপরই হঠাৎ রাত ১০টা নাগাদ তাঁকে ঘর খালি করে দিতে বলা হয়। প্রশাসনের তরফে তাঁর কাছে ফোন যায় বলে দাবি কৃষ্ণনগরের সাংসদের। এরই মধ্যে তিনি সার্কিট হাউসের বাইরে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি শুনতে পান। ফেসবুক লাইভে তাঁকে বলতে শোনা যায়, তিনি কোনওভাবেই ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যাবেন না। তবে ঘর ছাড়ার অভিযোগের ব্যাপারে প্রশাসনের তরফে কিছু জানানো হয়নি।
এ দিকে বাইরে বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, সাংসদকে দিনের বেলায় পাওয়া যায় না। ভোটের পর থেকেই তিনি কার্যত নিখোঁজ। সাংসদ হিসাবে মহুয়া নিজের দায়িত্ব পালন করছেন না বলে দাবি তাঁদের। কৃষ্ণনগর মণ্ডল-১ যুব মোর্চার সভাপতি রাজু রক্ষিত বলেন, “মহুয়া মৈত্রের সাহস থাকলে ১৫ আগস্টে সাধারণ মানুষের সামনে এসে দেখা করুন। তিনি কৃষ্ণনগরের সাংসদ। অথচ ভোটের পর তাঁকে সাধারণ মানুষ দেখতে পাননি।” ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সার্কিট হাউস চত্বরে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর
-
স্বাধীনতা দিবসের রাতে ৭টি গাড়িতে মাংস পাচার! পুলিশি অভিযানে খড়্গপুরে গ্রেপ্তার ১৮
-
এই প্রথম! স্বাধীনতা দিবসে রেড রোডের নিরাপত্তায় পুলিশের সঙ্গী কেন্দ্রীয় বাহিনী
-
টুলুর কারবারের সঙ্গে যোগ? বীরভূমের ভূমি দপ্তরের হেড ক্লার্কের বাড়িতে পুলিশি হানা
-
রাজসাক্ষী হতে চান! জমি দুর্নীতি মামলায় ইডি আদালতে আবেদন জয় কামদারের