Malda

এবার মালদহে টাকার ‘পাহাড়’, উদ্ধার আড়াই কোটি, লাখ লাখ টাকার নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ

অভিযুক্ত ব্যবসায়ী স্রেফ টাকা রাখার জন্যই নাকি মালদহের ওই বাড়িটি ভাড়া নিয়েছিলেন। 

বাবুল হক
বাবুল হক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩, ২০২৬, ১৩:১২

options
link
এবার মালদহে টাকার ‘পাহাড়’, উদ্ধার আড়াই কোটি, লাখ লাখ টাকার নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ
এবার মালদহে টাকার 'পাহাড়', ব্যবসায়ীর বিছানা-আলমারিতে শুধুই নোটের বান্ডিল!

বীরভূমের পর এবার মালদহে (Malda) ব্যবসায়ীর বাড়িতে টাকার পাহাড়! রবিবার পুলিশ হানা দিতেই দেখা যায় ব্যবসায়ীর বিছানা-আলমারিতে শুধুই নোটের বান্ডিল। থরে থরে সাজানো যকের ধন মিলল শহরের মঙ্গলবাড়িতে। একটি বেসরকারি আবাসন থেকে গভীর রাত পর্যন্ত প্রায় আড়াই কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। নগদ মিলেছে ২ কোটি ৪০ লক্ষ ৯৭ হাজার টাকা এবং ২০ গ্রাম সোনা ও বেশ কয়েক লক্ষ টাকার নিষিদ্ধ কাপ সিরাপ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূমের পর মালদহে টাকা উদ্ধারের ঘটনায় প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার গভীর রাতে মালদহ থানা এলাকার মঙ্গলবাড়িতে অভিযান‌ চালায় পুলিশ। সেখানে একটি আবাসনের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয়েছে কোটি কোটি টাকা। নিয়ে যাওয়া হয় টাকা গোনার যন্ত্র।

Advertisement

পুলিশ জানায়, এই ঘটনায় মালদহে মাদক কারবারের পর্দা ফাঁস হয়েছে। ওই টাকা মাদক বিক্রির সঙ্গে যুক্ত। উদ্ধার হয়েছে ন’হাজার বোতল কাপ সিরাপ। যার মূল্য বেশ কয়েক লক্ষ টাকা। এই ঘটনায় পিন্টু সরকার নামে এক ব্যবসায়ীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ৫ জুলাই দক্ষিণ দিনাজপুরের মেহেন্দ্রীপাড়া এলাকা থেকে প্রচুর পরিমাণে নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ উদ্ধার হয়। বাজেয়াপ্ত হয় প্রায় ১৫০০ বোতল কাশির সিরাপ। ওই ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয় চারজনকে। ধৃতদের জেরা করে মালদহের পিন্টু সরকারের নাম জানতে পারে পুলিশ।

Advertisement

এরপরই মালদহ পুলিশের সঙ্গে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালায়। পুলিশ সূত্রে খবর, জুলাইয়ে ধৃত চার জনকে নিয়েই মালদহের এই ফ্ল্যাটটিতে হানা দেন পুলিশ। ওই ফ্ল্যাটবাড়ির মালিক দিলীপ সাহা। ভবনের তিনতলার একটি ফ্ল্যাট তাঁর কাছ থেকে ভাড়া নিয়েছিলেন পিন্টু সরকার। তার আদি বাড়ি মালদহের নবাবগঞ্জে। ওষুধের ব্যবসার জন্য তিনি চৌরঙ্গি মোড়ের একটি বহুতল আবাসনে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকতেন। এ দিন সেখানেই হানা দেয় মালদহ থানার পুলিশ। সেই সময়ে ফ্ল্যাটেই ছিলেন পিন্টু। জানা গিয়েছে, তাঁকে সঙ্গে নিয়েই তল্লাশি শুরু হয়। আলমারি খুলতেই বেরিয়ে পড়ে থরে থরে সাজানো নোটের বান্ডিল। পুলিশের দাবি, ওষুধ ব্যবসার আড়ালে পিন্টুই কাফ সিরাপের ব্যবসা চলছিল। সেই আর্থিক লেনদেনের সূত্রেই বিপুল পরিমাণ নগদ টাকার হদিশ মিলেছে বলেও দাবি তদন্তকারীদের। ধৃতকে জেরা পাচার চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা জানার চেষ্টা চলছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.