কালিম্পং পাহাড়ে অবৈধ খনন, কয়েক লক্ষ টাকার কয়লা বাজেয়াপ্ত

কালিম্পংয়ে কয়লার 'কালো'বাজারি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১২, ২০১৯, ১৯:৫০

options
link
কালিম্পং পাহাড়ে অবৈধ খনন, কয়েক লক্ষ টাকার কয়লা বাজেয়াপ্ত

অরূপ বসাক, মালবাজার: কালিম্পংয়ের পাহাড়ে অবৈধ খনন, কয়লা পাচার। দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ উঠছিল। বিপুল পরিমাণ কয়লা-সহ পাচারকারীদের পিকআপ ভ্যান হাতেনাতে ধরল বনদপ্তরের অধীনস্থ উত্তরবঙ্গের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স। ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কের ডামডিম মোড়ের কাছে ভ্যান থেকে উদ্ধার প্রায় চার লক্ষ টাকার কয়লা।বনদপ্তরের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের প্রধান সঞ্জয় দত্ত জানিয়েছেন,  লিস এবং ঘিস নদীপথ ধরে কালিম্পংয়ের পাহাড় থেকে যে কয়লা পাওয়া যায়, তা গুণগতভাবে অত্যন্ত উচ্চমানের। এর চাহিদা গোটা উত্তরবঙ্গ জুড়ে। বিশেষত, রাস্তার ধারের ধাবা এবং ছোট, বড় চায়ের দোকান, খাবারের দোকান ও হোটেলগুলোতে অপেক্ষাকৃত কম দামে পাওয়া এই কয়লার চাহিদা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে।আর এই সুযোগে কোনওরকম বিনিয়োগ ছাড়াই কাঁচা টাকা হাতে পাওয়ার এই অবৈধ ও বিপজ্জনক কারবারে জড়িয়ে পড়েছেন ডুয়ার্সের বেশ কিছু মানুষ। টাস্ক ফোর্স সূত্রে খবর, পাচারকারী দলের হয়ে নামমাত্রা পারিশ্রমিকে কাজ করার বরাত দেওয়া হয়েছে স্থানীয় কয়েকজন দরিদ্র যুবককে। সকাল হতেই নদীপথে কালিম্পং জেলার চুইখিম, বরবট, সামথার গ্রাম সংলগ্ন পাহাড় কেটে কয়লা তুলে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

                                             [আয়ুষ্মান ভারতের কার্ড বিলি ঘিরে ধুন্ধুমার পোস্ট অফিসে]

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার প্রস্তুত ছিল টাস্ক ফোর্স। ভোরবেলা কয়লা নিয়ে শহরে যাওয়ার আগেই ডামডিম মোড়ের কাছে পিকআপ ভ্যানটি বাজেয়াপ্ত হয়। বনদপ্তরের কর্মীদের দেখেই চম্পট দিয়েছে গাড়িতে থাকা কয়েকজন যুবক। এসটিএফ প্রধান সঞ্জয় দত্ত আরও জানিয়েছেন, কয়লা বোঝাই ভ্যান বাজেয়াপ্ত করার পর তদন্তে নেমে প্রাথমিকভাবে একটি সূত্র পেয়েছেন। শ্যামলাল গুপ্তা নামে বাগরাকোট চুনাভাটির এক বাসিন্দার কথা জানা গিয়েছে। তিনিই এধরনের বেআইনি কয়লা ব্যবসার মূল পাণ্ডা বলে এসটিএফের প্রাথমিক অনুমান। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় বন সুরক্ষা আইনের নির্দিষ্ট ধারায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। এদিনের আটক হওয়া কয়লার বস্তা কোচবিহারে পাচার হবার কথা ছিল বলে এসটিএফ সূত্রে খবর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

                                         [জেলাশাসকের পর বিডিও, ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে ফুঁসছে ধলুয়াবাড়ি]

কয়েক দশক ধরে পুরনো বিপজ্জনক এই কাজ সম্পূর্ণভাবে অবৈজ্ঞানিক। পাহাড়ের নিচের দিকে অংশ খুঁড়ে কয়লা বের করার ফলে ধসপ্রবণ হয়ে পড়ছে এলাকাগুলি। মাঝেমধ্যেই দুর্ঘটনা ঘটছে। এলাকাগুলি কিছুটা দুর্গম হওয়ায় উদ্ধারকাজেও দেরি হচ্ছে। তা রুখতেই বনদপ্তরের এই অভিযান। এসটিএফের ধারণা, এদিন পিকআপ ভ্যানে থাকা যুবকরা ধরা পড়লে খুব সহজেই গোটা চক্র ফাঁস হয়ে যেত। দ্রুত বাঁচানো যেত কালিম্পংয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ।

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.