Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
Air India

নেই নিয়ন্ত্রণ, উড়েছে বিমান! নেশাগ্রস্ত পাইলটের পর এয়ার ইন্ডিয়া দুর্ঘটনায় বিস্ফোরক তথ্য

ইতিমধ্যেই জানা গিয়েছে, গাঁজা এবং ঘুমের ওষুধ খেয়ে ওই বিমান চালাতে উঠেছিলেন এক পাইলট। এবার বিমানের ব্ল্যাক বক্স থেকে উদ্ধার হল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০২৬, ১১:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০২৬, ১১:৩৩

options
link
নেই নিয়ন্ত্রণ, উড়েছে বিমান! নেশাগ্রস্ত পাইলটের পর এয়ার ইন্ডিয়া দুর্ঘটনায় বিস্ফোরক তথ্য zoom
আকাশে উড়ছে বিমান। কিন্তু তার নিয়ন্ত্রণ নেই পাইলটের হাতে!
Advertisement

আকাশে উড়ছে বিমান। কিন্তু তার নিয়ন্ত্রণ নেই পাইলটের হাতে! এমনটাই ঘটেছিল ফুকেত থেকে দিল্লি আসা এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে। ইতিমধ্যেই জানা গিয়েছে, গাঁজা এবং ঘুমের ওষুধ খেয়ে ওই বিমান চালাতে উঠেছিলেন এক পাইলট। এবার বিমানের ব্ল্যাক বক্স থেকে উদ্ধার হল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, দীর্ঘ সময়ের জন্য ওই বিমানে চলার উপর নিয়ন্ত্রণ ছিলই না। পাইলটের নির্দেশ ছাড়াই বিমান চলেছে। সম্ভবত সেকারণেই একধাক্কায় ৩০০ ফুট নেমে যায় বিমানটি। আহত হন একাধিক যাত্রী।

ঘটনার তদন্ত করতে নেমে প্রথমেই ব্ল্যাক বক্সের তথ্য যাচাই করা হয়। সেখানেই জানা গিয়েছে সাংঘাতিক ঘটনা। মনে করা হচ্ছে, টানা চার সেকেন্ড বিমানের উপর পাইলটদের নিয়ন্ত্রণ ছিল না। স্বয়ংক্রিয়ভাবে এগিয়েছে বিমান। তার ঠিক পরেই বিমানের তিনটি হাইড্রোলিক সিস্টেম একসঙ্গে বিকল হয়ে যায়। কো পাইলট বুঝতে পারেন, পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে। বিমানকে ভাসিয়ে রাখার ক্ষমতা কমছে ডানাগুলির। কয়েক সেকেন্ডের জন্য় হু হু করে নিচে নামতে থাকে বিমান। তবে সৌভাগ্য়বশত তারমধ্যেই সিস্টেমগুলি পুনরায় সঠিকভাবে কাজ করতে শুরু করে। যে সময়টা সিস্টেম বিকল হয়েছিল, তখনই ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায় বিমানট। ঝাঁকুনিতে আহত হন যাত্রীরা।

Advertisement

উল্লেখ্য, এই দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু হতেই একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য উঠে এসেছে। প্রথম ডোপ টেস্টে ফেল করেন এক পাইলট। তাঁর শরীরে সাইকোঅ্যাক্টিভ পদার্থের উপস্থিতি ধরা পড়েছিল। নিশ্চিত হতে দ্বিতীয়বার পরীক্ষা করা হয়। সেই পরীক্ষার ফলাফলও পজিটিভ এসেছে। পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে যে, ওই পাইলট গাঁজা সেবন করেছিলেন। এখানেই শেষ নয়। পাইলটের দেহে মেলে ঘুমের ওষুধও। জেরার মুখে ওই পাইলট জানিয়েছেন, “ব্যক্তিগত কিছু সমস্যার কারণে ডাক্তার আমাকে ঘুমের ওষুধ দিয়েছেন। ওই উড়ানের আগে আমি ওষুধ ছাড়াই ঘুমের চেষ্টা করেছিলাম কিন্তু লাভ হয়নি।”

গত ৪ আগস্ট দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ফুকেট-দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান। দিল্লি নামার কিছুটা সময় আগে আচমকা সজোরে ঝাঁকুনি। প্রায় ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায় বিমানটি। এর জেরে ১১ জন যাত্রী ও ৪ জন বিমানকর্মী আহত হন। যদিও এয়ার ইন্ডিয়ার তরফে জানানো হয়েছে, কারও বড়সড় আঘাত লাগেনি। ঝাঁকুনির কারণ প্রকাশ্যে আসতেই শিউরে উঠছেন আমজনতা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.