Iran-Israel War

যুদ্ধের আগুন জলভরাতেও! জ্বালানি-কাঁটা হুগলির বিখ্যাত সন্দেশের স্বাদে

জ্বালানি সংকট নিয়ে কী বলছেন চন্দননগরের বিখ্যাত জলভরা সন্দেশ প্রস্তুতকারক সূর্য মোদকের বংশধর? কীভাবে হবে ক্রেতাদের রসনাতৃপ্তি?

Advertisement
সুমন করাতি
সুমন করাতি

শেষ আপডেট: মার্চ ১৬, ২০২৬, ১২:৫৯

options
link
যুদ্ধের আগুন জলভরাতেও! জ্বালানি-কাঁটা হুগলির বিখ্যাত সন্দেশের স্বাদে
জলভরা সন্দেশের স্বাদেও যুদ্ধ-কাঁটা! জ্বালানি সংকটে ব্যাহত উৎপাদন। হুগলির চন্দননগরে।

জলভরা সন্দেশ! নামেই জিভে জল আসে। এনিয়ে লোকমুখে নানা কথা ছড়িয়ে আছে। ইতিহাসের পাতাতেও অনেক গল্প। সেই কারণেই খাদ্য রসিকদের কাছে জলভরা সন্দেশের আলাদাই কদর। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের জেরে বাণিজ্যিক গ্যাসের আকাল। আর তাতেই হুগলির জলভরা সন্দেশের স্বাদ ফিকে হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে গ্যাসের পরিষেবা থমকে গেলেও, বিকল্প জ্বালানির ব্যবস্থা করে, ঐতিহ্যের জলভরা সন্দেশ ক্রেতাদের মুখে তুলে দিতে তৎপর কম নয় চন্দননগরের প্রসিদ্ধ মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান।

Advertisement

১৮১৮ সালে চন্দননগরে জলভরা তৈরি করেন সূর্য মোদক। ‘জামাই ঠকানো মিষ্টি’ নামে পরিচিত ছিল এই তালশাঁস আকৃতির বড়সড় সন্দেশ। উপরে কড়া পাকের সন্দেশ, ভিতরে রসে টইটম্বুর! খেতে দারুণ সুস্বাদু। সেই মিষ্টি ২০০ বছর পেরিয়ে আজও তুমুল জনপ্রিয়। অন্যান্য মিষ্টির চেয়ে অনেকেই জলভরা সন্দেশকে এগিয়ে রাখেন। কিন্তু সেই সন্দেশের স্বাদেও যুদ্ধ-কাঁটা! মধ্য এশিয়ায় যুদ্ধের কারণে জ্বালানি গ্যাসে টান পড়েছে। আর তার সরাসরি প্রভাব এসে পড়েছে হেঁসেলেও। হোটেল, রেস্তরাঁর পাশাপাশি মিষ্টির দোকানগুলোতেও প্রতিদিনের মিষ্টিমতো উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। অনেক নামী মিষ্টান্ন প্রতিষ্ঠান ঝাঁপ বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

চন্দননগরের ঐতিহ্যবাহী জলভরা সন্দেশ তৈরি করেন সূর্য মোদকের বংশধর শৈবাল মোদক। তিনি জানান, মাসে পাঁচটা কমার্শিয়াল সিলিন্ডার লাগে তাঁর কারখানায়। সেখানে একটা সিলিন্ডারে কাজ চলছে এখন। গ্যাস শেষ হয়ে গেলে কী হবে, সেটাই হচ্ছে সমস্যা। তাঁর ব্যবসার সঙ্গে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে বহু মানুষ যুক্ত। তাঁদের কথাও ভাবতে হচ্ছে। কেন্দ্র সরকার এই সংকটকালে ডিজেল এবং কেরোসিন ব্যবহারের উপরে ছাড় দিয়েছে। শৈবাল মোদকের কথায়, ‘‘আমরা গ্যাসের বিকল্প হিসেবে ডিজেলের উনুন ইনস্টল করছি। অন্য মিষ্টি, বিশেষ করে রসের মিষ্টি আর তৈরি করা যাবে না এই সময়ে। জলভরা সন্দেশ তৈরি যাতে বন্ধ না হয়, সেই চেষ্টা করব। যাঁরা মিষ্টি কিনতে আসেন এই দোকানে, তাঁরাও বলছেন, জলভরা আর চন্দননগর সমার্থক। তাই সেই মিষ্টির স্বাদ থেকে যাতে মানুষ বঞ্চিত না হন, সেটা দেখা উচিত।’’

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.