Advertisement
Advertisement
Anubrata Mondal

‘প্রার্থী যে হোক না কেন মুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই’, ভোট ঘোষণা হতেই স্বমহিমায় অনুব্রত

অনুব্রত মণ্ডলের দাবি, মানুষ ইতিমধ্যেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। বীরভূম জেলার ১১টি বিধানসভা আসনের সবকটিতেই তৃণমূল জয়ী হবে। একই সঙ্গে রাজ্যজুড়ে তৃণমূল কংগ্রেস ২৩০ থেকে ২৪০টি আসন পাবে বলেও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে মন্তব্য করেন তিনি।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মার্চ ১৬, ২০২৬, ১৬:০১

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মার্চ ১৬, ২০২৬, ১৬:০১

options
link
‘প্রার্থী যে হোক না কেন মুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই’, ভোট ঘোষণা হতেই স্বমহিমায় অনুব্রত zoom
বীরভূমের সভায় অনুব্রত মণ্ডল।

রবিবারই ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। এবার নজিরবিহীনভাবে বাংলায় ভোট (West Bengal Assembly Election) হবে দু’দফায়। ভোট ঘোষণা হতেই শাসক-বিরোধী শিবিরে শুরু জোর তৎপরতা। এর মধ্যেই ফের স্বমহিমায় অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। প্রকাশ্য সভা থেকে দলীয় কর্মীদের তাঁর স্পষ্ট বার্তা, প্রার্থী যেই হোন না কেন, ভোট যে জোড়াফুল প্রতীকেই দিতে হবে। শুধু তাই নয়, এই নির্বাচন যে মূলত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চতুর্থবারের জন্য ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনার লড়াই তাও এদিন মনে করিয়ে দেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা কোর কমিটির আহ্বায়ক।

রবিবার সাঁইথিয়ায় আয়োজিত একটি কর্মীসভায় বক্তব্য রাখেন অনুব্রত মণ্ডল। সেখানে তিনি জানান, প্রার্থীর ব্যক্তিগত পরিচয় বা নামকে গুরুত্ব না দিয়ে দলীয় প্রতীককে সামনে রেখেই কর্মীদের কাজ করতে হবে। তাঁর কথায়, “নির্বাচন ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। এই নির্বাচন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চতুর্থবার মুখ্যমন্ত্রী করার নির্বাচন। তাই প্রার্থী যেই হোক, মাথায় রাখতে হবে আসলে প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রত্যেক প্রার্থীর জয় মানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয়। তাই জোড়াফুল চিহ্নে ছাপ দিতে হবে।”

Advertisement

অনুব্রত মণ্ডলের কথায়, “নির্বাচন ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। এই নির্বাচন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চতুর্থবার মুখ্যমন্ত্রী করার নির্বাচন। তাই প্রার্থী যেই হোক, মাথায় রাখতে হবে আসলে প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রত্যেক প্রার্থীর জয় মানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয়। তাই জোড়াফুল চিহ্নে ছাপ দিতে হবে।”

সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রীর সাম্প্রতিক ঘোষণাগুলির কথাও তুলে ধরেন তিনি। বকেয়া মহার্ঘভাতার একটি অংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত এবং পুরোহিত ও মোয়াজ্জেম ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণাকে তিনি মানবিক উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন। অনুব্রতের (Anubrata Mondal) দাবি, সাধারণ মানুষের স্বার্থে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন প্রকল্প চালু করে রাজ্য সরকার মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। তিনি আরও বলেন, ”দেশের অন্য কোনও রাজ্যে জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত এত সংখ্যক সরকারি প্রকল্পের সুবিধা মানুষ পান না।” তাঁর কথায়, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধর্ম, বর্ণ বা জাতি নির্বিশেষে সমাজের সব স্তরের মানুষের উন্নয়নের কথা ভাবেন এবং সেই লক্ষ্যেই নানা প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছেন।

সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে অতীতের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথাও স্মরণ করান অনুব্রত। তাঁর কথায়, দীর্ঘ ৩৪ বছর রাজ্যের মানুষ অন্ধকারের মধ্যে কাটিয়েছে। বর্তমানে রাজ্যে যে উন্নয়ন ও পরিবর্তনের ধারা তৈরি হয়েছে, তার কৃতিত্ব তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বকে দেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, মানুষের সামান্য ভুল সিদ্ধান্তে যদি সেই পরিবর্তনের ধারা থেমে যায়, তাহলে আবার রাজ্যে অন্ধকার নেমে আসতে পারে।

নির্বাচন দু’দফায় হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও তিনি কোনও আপত্তি দেখাননি। অনুব্রতের মতে, ভোট এক দফা হোক বা দুই দফায়—ফলাফলে কোনও পার্থক্য হবে না। তাঁর দাবি, মানুষ ইতিমধ্যেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। বীরভূম জেলার ১১টি বিধানসভা আসনের সবকটিতেই তৃণমূল জয়ী হবে বলেও দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে রাজ্যজুড়ে তৃণমূল কংগ্রেস ২৩০ থেকে ২৪০টি আসন পাবে বলেও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে মন্তব্য করেন তিনি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.