তীব্র তাপপ্রবাহের জের, বাঁকুড়ায় ১০০ দিনের কাজ করতে গিয়ে মৃত্যু শ্রমিকের

অস্বস্তি বাড়িয়ে জামাইষষ্ঠীতে ফুটছে গোটা রাজ্য, আশার খবর শোনায়নি হাওয়া অফিস।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৯, ২০১৮, ১৫:০৫

options
link
তীব্র তাপপ্রবাহের জের, বাঁকুড়ায় ১০০ দিনের কাজ করতে গিয়ে মৃত্যু শ্রমিকের

টিটুন মল্লিক, বাঁকুড়া: তীব্র তাপপ্রবাহ চলছে গোটা রাজ্যজুড়ে। ১০০ দিনের কাজ করতে গিয়ে এই তাপপ্রবাহের জেরেই মৃত্যু হল এক ব্যক্তির। মৃতের নাম তারাপদ মাঝি (৪০)। তাঁর বাড়ি তালড্যাংরা থানার ভেদুয়া এলাকায়। মঙ্গলবার মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়া শহরেই।

Advertisement

[এ যেন ‘ঘামাইষষ্ঠী’! তাপমাত্রার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আজ বাড়বে অস্বস্তিও]

স্থানীয় সূত্রের খবর, নিকাশির কাজ কাজ করতে গিয়ে লুটিয়ে পড়েন ওই শ্রমিক। তড়িঘড়ি তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হচ্ছে। গোটা ঘটনায় স্তম্ভিত অন্যান্য শ্রমিকরা। বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেনি প্রশাসন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন ধরেই প্রখর রোদে তপ্ত বাঁকুড়া, বীরভূম, পুরুলিয়া, দুই মেদিনীপুর পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গ। বাতাসে মাত্রা ছাড়া আদ্রতার পরিমাণ সেই গরমে একেবারে ঘিয়ের সংযোজন ঘটিয়েছে। ঘরের মধ্যে ঘেমেনেয়ে একসা। বাইরে বেরলেই জ্বলছে সর্বাঙ্গ। তেতে পুড়ে আছে চারদিক। আষাঢ় এলেও দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর দেখা নেই। তীব্র অস্বস্তিতে রাজ্যাবাসী। ঘামে ভিজতে ভিজতে উপরের দিকে তাকালে ফটিক জলের চিহ্নস্বরূপ মেঘের বদলে ঝকঝকে আকাশই নজরে আসে। রীতিমতো লু-এর দাপট চলছে দক্ষিণবঙ্গে। খুব প্রয়োজন ছাড়া বাসিন্দার ঘরের বাইরে বেরতে চাইছেন না। একই অবস্থা ব্যবসায়ীদেরও। তবে গরমের ছুটি কাটিয়ে স্কুলগুলি খুললেও তাপপ্রবাহের জেরে তা ফের বন্ধ রয়েছে। পড়ুয়াদের আপাতত স্কুলে আসতে মানা। তবে শিক্ষক শিক্ষিকাদের নিয়মিত স্কুলে হাজিরা দিতে হবে। এমনটাই জানানো হয়েছে।

Advertisement

[‘চোর-চরিত্রহীন-দালাল’! বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে কুরুচিকর পোস্টারে চাঞ্চল্য হুগলিতে]

এদিকে বৃষ্টির অভাবে বর্ষাকালীন চাষাবাদেও ভাটার টান। ধুঁকছেন ব্যবসায়ীরা। বেলা বাড়লে রাস্তাঘাট শুনশান হয়ে পড়ছে। এই গরমে প্রাণ হাতে করে কেই বা আর বিকিকিনিতে মন দেবে। অফিস ফেরত বাস, ট্রাম, মেট্রো, ট্রেনের যাত্রীদের দেখলেই বিষয়টি সহজেই অনুমেয় হয়। কত তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরে একটু স্নান করবেন সেই প্রত্যাশায় সকলে ছুটছেন। ভিড় বাড়ছে ফলের রস, ঠান্ডা পানীয়র দোকানে। তবে রোদ্দুর পড়ে এলে নিতান্ত প্রয়োজনেই বাড়ির বাইরে যারা আসছেন, তাঁরাও আদ্রতায় রীতিমতো হাসফাঁস করছেন। এই সময় একমাত্র মহার্ঘ হচ্ছে বিদ্যুৎ। কারেন্ট চলে গেলেই চোখে অন্ধকার দেখছেন রাজ্যবাসী। একমাত্র আকাশ কালো করে বৃষ্টি নামলেই চোখের অন্ধকার কাটবে। কবে মৌয়সুমী বায়ু সদয় হয়ে আশীর্বাদী ধারা বর্ষণ করবে, সেদিকেই তাকিয়ে দক্ষিণবঙ্গবাসী।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.