রাজ কুমার, আলিপুরদুয়ার: ওড়িশা থেকে বারবার বাঘ ঢুকছে বাংলায়। কখনও জিনাত, কখনও তার সঙ্গী দাপিয়ে বেড়াচ্ছে রাজ্যের একাধিক জেলায়। আর রাজ্যের বনদপ্তরে কর্তাদের নাওয়া-খাওয়া ভুলে বাঘ ধরতে পড়ে থাকতে হচ্ছে বন-বাদাড়ে। এনিয়ে বুধবার আলিপুরদুয়ারের প্রশাসনিক বৈঠক থেকে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
প্রশাসনিক বৈঠকে বক্সায় রিসর্ট তৈরির জটিলতা নিয়ে আলোচনা চলছিল। তখনই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের মতো এত ফরেস্ট রিজার্ভেশন কে করে?” সঙ্গে সঙ্গে রাজ্য বনদপ্তরের আধিকারিক বলে ওঠেন,”অন্য কেউ করে না।” পড়শি রাজ্যকে খোঁচা দিয়ে মমতা বলেন, “বাঘ পালিয়ে আসে কেন রোজ-রোজ? খাবার দেয় না, খেতে পায় না। গ্রামগুলো ভয়ে কাঁপে।” জিনাতকে ধরেছিল রাজ্য বনদপ্তরের কর্মীরা। তারপরই বাঘিনিকে ওড়িশায় ফেরত দেওয়ার জন্য চাপ দিয়ে ফোন আসতে থাকে। রাতারাতি জিনাতকে ফেরতও পাঠানো হয়।
বিষয়টি নিয়ে আক্ষেপ করে কেন্দ্রকে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “বাঘ ধরার সাথে-সাথে ফোন আসতে শুরু করে এখনই ফেরত পাঠাও। সে না হয় ফেরত পাঠালাম। কিন্তু তোমার বাঘকে সামলাতে পারছ না কেন?” বনদপ্তরের আধিকারিক অভিযোগ করেন, এই প্রথমবার কেন্দ্র নিজের ক্ষমতাবলে নির্দেশ দিয়েছে বাঘ রাজ্যকে ধরতে হবে। যা শুনে মমতার নির্দেশ, “এবার বাঘ এলে বলবে, ওদের লোক পাঠিয়ে বাঘ ধরতে।”
সর্বশেষ খবর
-
এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগ, পুলিশের দ্বারস্থ বধূ
-
‘খুব বাঁচা বেঁচেছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ’, রচনার সুরবদলের পরই কেন একথা বললেন মনোরঞ্জন?
-
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেও চুনকাম! ১০৫০ দিন পর সিরিজ হার ভারতের, কেন খেলানো হল না বৈভবকে?
-
‘তোলাবাজি’র অর্থে মেয়ে-স্বামীর নামে সম্পত্তি, নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপন! তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ
-
অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গ্রুপ থেকে বিদায়, বিশ্বকাপে স্বপ্নভঙ্গ ভারতের মেয়েদের