বাবুল

বাবুল সুপ্রিয়র টুইটের জেরে ঘরছাড়া যুবক, পাশে দাঁড়ালেন মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারি

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে টুইটে কটাক্ষও করেন মেয়র।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৪, ২০২০, ২১:১৬

options
link
বাবুল সুপ্রিয়র টুইটের জেরে ঘরছাড়া যুবক, পাশে দাঁড়ালেন মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারি

চন্দ্রশেখর চট্টোপাধ্যায়, আসানসোল: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় (Babul Supriyo) করোনা সন্দেহে ভরতি রোগীর নাম ঠিকানা টুইটে প্রকাশ করায় বিড়ম্বনায় পড়েছেন যুবক। ঠাঁই হচ্ছে না নিজের এলাকায়। ফলে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে ওই যুবকের পাশে দাঁড়ালেন আসানসোলের মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারি। বিঁধেছেন মন্ত্রীকেও।

Advertisement

করোনা সন্দেহে এম আর বাঙ্গুর হাসপাতালে ভরতি থাকাকালীন সেখানকার একটি ভিডিও তুলে সোস্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন আসানসোলের এক বাসিন্দা। নিমেষে ভাইরাল হয়েছিল সেই ভিডিও। এমনকী, তাঁর সেই ভিডিওকে হাতিয়ার করে রাজ্য সরকারকে কোনঠাসা করতে উঠেপড়ে লাগে বিজেপিও। ভিডিওটি রিটুইট করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় (Babul Supriyo)। যিনি সেই ভিডিওটি তুলেছিলেন, তাঁর নাম-পরিচয় প্রকাশও করে দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। করোনার রিপোর্ট নেগেটিভ হলেও এতেই চূড়ান্ত সমস্যায় পড়েন ওই যুবক। কলকাতায় যে বাড়িতে থাকেতন তিনি, সেখানে ঠাঁই হয়নি। কোনওক্রমে আসানসোলে এসে পৌঁছয়। সেখানে একাধিক সমস্যার মুখে পড়তে হয় তাঁকে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরওপড়ুন: রিপোর্ট Covid-19 পজিটিভ, হাসপাতালে ভরতি হতে যাওয়ার পথে মৃত্যু বৃদ্ধার]

গোটা বিষয়টি জানার পর শুক্রবার ওই যুবকের সঙ্গে দেখা করেন আসানসোল পুরসভার মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারি। আশ্বাস দিয়েছেন পাশে থাকার। পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কারণে ওই যুবকের এই পরিণতি সত্ত্বেও কেন তিনি কোনও পদক্ষেপ নিলেন না তা নিয়ে কটাক্ষ করেছেন। টুইটে সাংসদকে আক্রমণ শানিয়েছেন মেয়র।

Advertisement

[আরওপড়ুন: লকডাউনে খাদ্য বণ্টনে বেনিয়মের অভিযোগ, শোকজের মুখে অঙ্গনওয়াড়ির ৭ কর্মী]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.