স্টাফ রিপোর্টার: চলতি ধারণার উল্টোপথে ব্যবসায়ীরা৷ সকলেই স্বাগত জানালেন টাকা বাতিলের এই সিদ্ধান্ত৷ ব্যক্তিগতভাবে কারও কারও সামান্য দ্বিধা থাকলেও বণিকমহল মোটামুটি একমত, এতে আখেরে লাভ হবে ভারতীয় অর্থনীতির৷ সুদূরপ্রসারী লাভের কথা ভেবে কোনও কঠিন সিান্ত কখনও না কখনও নিতে হয়৷ এটা তেমনই একটা ঘটনা৷ এভাবেই বিষয়টিকে ব্যাখ্যা করেছেন তাঁরা৷
সিআইআইয়ের পশ্চিমবঙ্গ স্টেট কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অনিল ভাসওয়ানি বলেন, “যাঁরা কালো টাকা আঁকড়ে বসে ছিলেন তাঁরা বুঝলেন, এভাবে লাভ হয় না৷ দেশের অর্থনীতির পক্ষে অত্যন্ত ইতিবাচক পদক্ষেপ৷” মার্চেণ্ট চেম্বার অফ কমার্সের ডিরেক্টর জেনারেল প্রদীপ গুপ্তুর কথায়, “সুদৃঢ় পদক্ষেপ কেন্দ্রের৷ এতে ভারতীয় অর্থনীতির উপর কালো টাকার প্রভাবমুক্ত হবে শুধু নয়, সমান্তরাল অর্থনীতিও ধবংস হবে৷ তবে ব্যাঙ্ককে সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে হবে৷ কেন না মানুষ এখন ব্যাঙ্কের পরিষেবার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে৷” আইসিসি-র ডিরেক্টর জেনারেল রাজীব সিং বলেন, “দীর্ঘমেয়াদী সুফল পেতে এই সিদ্ধান্ত আশীর্বাদ৷ তা বন্ধ হবে৷”
একটি সমীক্ষা বলছে, ২০১৪ সালের ভোটে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা খরচ হয়েছিল৷ তা তো সব সাদা ছিল না৷ কেন না সরকারিভাবে তো মাত্র সাত থেকে আট হাজার কোটি টাকা খরচ দেখানো হয়েছিল৷ এবার সেই সব পথও বন্ধ হবে৷ তা ছাড়া জাল টাকার যে সমান্তরাল অর্থনীতি চলছিল দেশজুড়ে তাও বন্ধ হবে৷”
সর্বশেষ খবর
-
অনুষ্কার এক ‘তুড়ি’তেই যুবকের ভাগ্যবদল! ১৮ লক্ষ দেনা থেকে একলাফে কোটি-কোটি মাসিক আয় রেস্তরাঁর
-
চিনের টাকায় অনেক জ্বালা! ফের পিছিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের বহুচর্চিত তিস্তা প্রকল্প
-
‘এপাং-ওপাং-ঝপাং নয়, বিদ্যাসাগরের বই কিনুন’, বীরসিংহ গ্রামে দাঁড়িয়ে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
-
‘এসআইআর ইস্যুতে দ্বিচারিতা করছে কংগ্রেস’, হাত শিবিরকে তুলোধোনা স্মৃতির
-
আরএফটিআই-তে কারা চালাল গুন্ডামি? সিট গঠন, গোয়েন্দা প্রধানের নেতৃত্বে তদন্ত