বাংলাদেশের তিস্তা নদীর ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পের (টিআরসিএমআরপি) মূল নির্মাণকাজ শুরুর আগে নতুন করে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিল তারেক সরকার। ২৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা ব্যয়ে এই সমীক্ষা হবে। সমীক্ষা শেষ হবে ২০২৮ সালের মার্চে। এরপর প্রকল্পের মূল নির্মাণকাজ ২০২৯ সালে শুরু হতে পারে। অর্থাৎ জোর ধাক্কার মুখে পড়তে হচ্ছে পড়শি দেশের স্বপ্নের প্রকল্পকে।
জানা যাচ্ছে, এর আগে চলতি বছরের মধ্যে প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন এবং ২০২৭ সালে মূল কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল জলসম্পদ মন্ত্রক। কিন্তু রাতারাতি সবটাই বদলে গেল। প্রস্তাবিত সমীক্ষায় তিস্তা নদীর হাইড্রোলজিক্যাল, হাইড্রোলিক, মরফোলজিক্যাল, পরিবেশগত ও আর্থ-সামাজিক বিভিন্ন দিক মূল্যায়ন করা হবে।
নদীভাঙন রোধ, পলি ব্যবস্থাপনা ও নদী স্থিতিশীল করার দীর্ঘমেয়াদি কৌশল নির্ধারণ করাই এর অন্যতম লক্ষ্য। সমীক্ষার আওতায় নীলফামারি, লালমণির হাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার তিস্তা নদীর পুরো অংশ এবং সংশ্লিষ্ট শাখা নদীগুলো নিয়ে গবেষণা করা হবে। নদীভাঙন, বন্যার ঝুঁকি, পলির গতি-প্রকৃতি ও জলসংকটের পাশাপাশি ভূ-উপরিস্থ ও ভূগর্ভস্থ জলের টেকসই ব্যবহার, জল সংরক্ষণ ও সেচব্যবস্থার বিভিন্ন বিকল্পও যাচাই করা হবে। এছাড়া ফিজিক্যাল মডেলিংয়ের মাধ্যমে নদীর প্রবাহ, পলিবহন ও গঠনগত পরিবর্তন বিশ্লেষণ করা হবে। ড্রেজিং, ক্যানেলাইজেশন, নদী শাসন ও প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন ব্যবস্থার সম্ভাব্য প্রভাবও এতে পর্যালোচনা করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে প্রথম বিদেশ সফরে চিনে গিয়েছিলেন তারেক রহমান। তখনই তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ঢাকা-বেজিং কথা হয়েছিল। অন্যদিকে শেখ হাসিনা সরকার এই প্রকল্পের ভার দিয়েছিল ভারতকে। তারেক সরকার সেই সিদ্ধান্ত বদলে চিনের দ্বারস্থ হয়েছিল। আর তারপরই পিছিয়ে গেল গোটা প্রকল্পটাই।
সর্বশেষ খবর
-
অষ্টমীতে ড্রাই ডে, সরকারি নির্দেশের পরে মদ মজুত বহু হোটেলে! অভিযানের হুঁশিয়ারি বিজেপি বিধায়কের
-
‘জঙ্গি কাসবের থেকেও বিপজ্জনক রাহুল’, আপত্তিকর ছবি পোস্ট করে বিতর্কে প্রাক্তন বায়ুসেনা কর্তা
-
আর সইতে হবে না জলকষ্ট, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
-
ফের টস জিতলেন শুভমান, দীর্ঘ অপেক্ষার পর ভাগ্য খুলল নবির
-
‘বাড়ি থেকে বেরোতে পারছি না, কিছু করুন’, দিল্লিতে ‘ইন্ডি’ বৈঠকে কাতর আর্তি মমতার