Nadia

বিএসএফ-এর মানবিক উদ্যোগ! কাঁটাতারের ওপার থেকেই ভারতীয় বাবার সঙ্গে শেষ দেখা মেয়ের

নদীয়া সীমান্তে মানবিকতার দৃষ্টান্ত তৈরি হল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০২৬, ১৮:১৫

options
link
বিএসএফ-এর মানবিক উদ্যোগ! কাঁটাতারের ওপার থেকেই ভারতীয় বাবার সঙ্গে শেষ দেখা মেয়ের
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বছরের প্রথম দিনে ফের নজির সৃষ্টি করল সীমান্তরক্ষীবাহিনী। মানবিকতার নজির গড়ল দু’দেশের সেনা। কাঁটাতারের ওপারে থেকেই শেষবার বাবার মুখ দেখলেন বাংলাদেশের বাসিন্দা মেয়ে। এভাবেই যেন নদীয়া সীমান্তে মানবিকতার দৃষ্টান্ত তৈরি হল। দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সহযোগিতায় মৃত্যুর পর শেষবার বাবার মুখ দেখা সম্ভব হল মেয়ের।

Advertisement

বাংলাদেশে পতন হয়েছে শেখ হাসিনার সরকারের। মুখ্য উপদেষ্টার পদে বসেছেন মহম্মদ ইউনুস। এরপরেই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। সখ্য বেড়েছে পাকিস্তানের সঙ্গে। উলটো দিকে এসআইআর-এর নামে বাংলার বেশ কিছু বাসিন্দাদের পুশ ব্যাক করা হয়েছে বাংলাদেশে। কয়েকজন এখনও বন্দী বাংলাদেশের জেলে। এই অবস্থায় দুই দেশের মধ্যে সীমান্তে বেড়েছে নিরাপত্তা। বাংলাদেশে হিন্দুদের হত্যার ঘটনার পরে ভারতের সীমান্তে তৎপরতা বেড়েছে বিএসএফ-এর। এর মাঝেই বৃহস্পতিবার নদীয়া জেলার চাপড়া সীমান্তে দেখা গেল মানবিকতার নজির।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মহখোলা ফাঁড়িতে বিএসএফ ও বিজিবির উদ্যোগে বাবাকে শেষবারের মতো দেখতে পারলেন বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গা জেলার কুতুবপুর গ্রামে বাসিন্দা ওমেহার বিবি। সূত্রের খবর, ভারতের চাপড়া থানার হাটখোলা গ্রামের বাসিন্দা ইসরাফিল হালসোনার বয়স ১০১ বছর। মৃত্যুর পর তাঁর মেয়ে ওমেহার বিবি ইচ্ছা প্রকাশ করেন বাবাকে শেষবার দেখার। বিষয়টি জানানো হয় বিএসএফ-এর ১৬১ নম্বর ব্যাটেলিয়নকে। এরপর, বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করে বিশেষ ব্যবস্থা নেয় বিএসএফ। অবশেষে হাটখোলা সীমান্তের জিরো লাইনে মৃত বাবাকে দেখার সুযোগ করে দেওয়া হয় মেয়েকে।

Advertisement

বাবাকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন ওমেহার বিবি-সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। পরিবারের তরফে বিএসএফ ও বিজিবির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। পরিবারের তরফ থেকে জানানো হয়,বাবার মৃত্যু হয়েছে জানতে পেরে মেয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি বাবাকে শেষ দেখার জন্য আর্জি জানান। এরপরই প্রশাসনিক স্তরে যোগাযোগ করা হয় দুই দেশের মধ্যে। তাদের সাহায্যেই, দু’দশের সহযোগিতায় মৃত বাবার মুখ দেখতে পেল মেয়-সহ পরিবার।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.