সবে তিন মাস, রাজ্যে প্রথমবার ক্ষমতায় বিজেপি। ক্ষমতার মৌচাকে মধু খুঁজতে নিচুতলায় গা ঘেঁষাঘেঁষি করে আছেন ‘আদর্শহীন’ অনেকে। দলের নিচুতলায় একাধিক জায়গা থেকে সামনে আসছে ‘বিচ্যুতি’-র ঘটনা। কড়া বার্তা দিতে হচ্ছে শমীক ভট্টাচার্য, দিলীপ ঘোষ থেকে অগ্নিমিত্রা পালদের। বাংলায় নিচুতলায় দলের একাংশে বিচ্যুতির খবর গিয়েছে দিল্লিতেও। আর তাই বিজেপির বিচারধারা থেকে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে করণীয় কাজ শেখাতে ‘ক্লাস’ নিতে আসছেন মোদি-শাহর শিক্ষকের ভূমিকায় দেখা যাবে রাজ্যের কয়েকজন শীর্ষনেতৃত্বকেও। একাধিক সাবজেক্টের সঙ্গে প্রশিক্ষণের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় থাকছে বর্তমান অবস্থায় দায়িত্ব ও কর্তব্য। এই ক্লাসে প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রায় সাড়ে তিনশোজন জেলায় জেলায় গিয়ে আবার প্রশিক্ষণ দেবেন দূতেরা।
আরও পড়ুন:
রাজ্যের তরফে শিক্ষকের তালিকায় রয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য, অমিতাভ চক্রবর্তী, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় ও দীপক বর্মন। বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত এই প্রশিক্ষণ শিবিরে ছাত্রের ভূমিকায় দেখা যাবে প্রায় ৩৫০ জনকে। যাঁদের মধ্যে থাকছেন সমস্ত জেলা সভাপতি, জেলা ইনচার্জ, সংগঠন থেকে আসা বাছাই করা একাধিক বিধায়ক, রাজ্য মোর্চার সভাপতিরা এবং রাজ্য কমিটির সদস্যরা।
আগামী ১৬ আগস্ট শিবপ্রকাশ সুনীল বনশল-মঙ্গল পাণ্ডে-সহ ডজন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আলাদাকরে রাজ্য ও জেলাস্তরের শীর্ষ নেতাদের ক্লাস নেবেন। সর্বভারতীয় যুগ্ম সম্পাদক (সংগঠন) শিবপ্রকাশ দলে মোদি-শাহ-নীতিন নবীন ও বিএল সন্তোষের পর তাঁর স্থান। সেই তিনি প্রথম ক্লাস নেবেন কার্যত হাতে চক-পেন্সিল নিয়ে। বোঝাবেন, কোথায় কত বিচ্যুতি হচ্ছে বা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে কী করতে হবে। কড়া মাস্টার তিনি। পরের ক্লাস সুনীল বনশলের। তিনি দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। শিক্ষক হিসাবে দেখা যাবে মঙ্গল পাণ্ডে, অমিত মালব্যদেরও। থাকবেন তিনেশানন্দ গোস্বামী, সাংসদ কবিতা পতিধর। এছাড়া, রাজ্যের তরফে শিক্ষকের তালিকায় রয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য, অমিতাভ চক্রবর্তী, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় ও দীপক বর্মন। বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত এই প্রশিক্ষণ শিবিরে ছাত্রের ভূমিকায় দেখা যাবে প্রায় ৩৫০ জনকে। যাঁদের মধ্যে থাকছেন সমস্ত জেলা সভাপতি, জেলা ইনচার্জ, সংগঠন থেকে আসা বাছাই করা একাধিক বিধায়ক, রাজ্য মোর্চার সভাপতিরা এবং রাজ্য কমিটির সদস্যরা। বিরোধী শিবির থেকে বিজেপি এখন শাসকপক্ষ। নতুন ভূমিকায় দলীয় কর্মীরা যাতে দ্রুত নিজেদের খাপ খাইয়ে নিতে পারেন, সেটাও প্রশিক্ষণের অন্যতম লক্ষ্য। সরকার-বিরোধী আন্দোলনে অভ্যস্ত বিজেপি কর্মীদের শেখানো হবে কীভাবে সরকারের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হয়। নিজেদের ‘রেজিমেন্টেড’ দল হিসাবেই দাবি করে বিজেপি। তাদের কাছে দলীয় শৃঙ্খলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে দলের নেতা-কর্মীদের দলীয় আদর্শ সম্পর্কে সচেতন করার ব্যবস্থা করে বিজেপি।
৩৫০ জনকে প্রশিক্ষণ দিয়ে পাঠানো হবে প্রতিটা জেলায়। সেখানে দলের আদর্শ, ভাবধারা নিয়ে তাঁরা আবার প্রশিক্ষণ দেবেন জেলা নেতাদের। ২২ থেকে ৩০ আগস্ট সেই প্রশিক্ষণ শিবির হবে ১ রাত দু’দিনের।
জেলায় জেলায় প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করে দলীয় নেতা-কর্মীদের স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয় কোন আদর্শের উপরে দাঁড়িয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় জনসংঘ তৈরি করেছিলেন। জনসংঘ থেকে কীভাবে বিজেপি তৈরি হয়েছিল। জেলাস্তরে দলীয় নেতা-কর্মীদের আদর্শগত ভিত্তি মজবুত করা ৯ দিনের ওই পার্টি ক্লাসের অন্যতম মূল উদ্দেশ্য। বাংলায় দল ক্ষমতায় আসার পর নিচুতলা থেকে আসছে তোলাজির অভিযোগ। দলের শৃঙ্খলা বিরোধী ও অনৈতিক কাজকর্মের অভিযোগে এখনও পর্যন্ত ২৫০ জনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে রাজ্য বিজেপির তরফে। আর তাই ৩৫০ জনকে প্রশিক্ষণ দিয়ে পাঠানো হবে প্রতিটা জেলায়। সেখানে দলের আদর্শ, ভাবধারা নিয়ে তাঁরা আবার প্রশিক্ষণ দেবেন জেলা নেতাদের। ২২ থেকে ৩০ আগস্ট সেই প্রশিক্ষণ শিবির হবে ১ রাত দু’দিনের।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
খিদে নেই, তবু প্রিয় খাবারের গন্ধে জিভে জল! শরীরে তখন কী ঘটে?
-
‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং ভুলব কী করে?’ ‘বিভাজন বিভীষিকা’ মনে করালেন মুখ্যমন্ত্রী
-
গোলের বন্যায় অনন্য নজির, বিশ্বকাপ শেষে চারটি বিশ্বরেকর্ড গড়ে গিনেস বুকে হালান্ড
-
ইমরান হাশমির দাপুটে প্রত্যাবর্তন, মানবপাচার, মাফিয়া দৌড়াত্ম্যে কেমন হল ‘আওয়ারাপন ২’?
-
বিশ্বের সেরা ১০০ সি-ফুডে চিংড়ির মালাইকারি, রয়েছে আরও এক ভারতীয় পদ, বানান বাড়িতেই