BSF

সীমান্তে গলবে না মাছিও! কাঁটাতার দিতে মেখলিগঞ্জে ১৮৫ একর জমি পেল বিএসএফ

প্রথম ধাপে বিএসএফের পক্ষ থেকে জেলায় ২৪০ একর জমি চাওয়া হয়েছিল। তারমধ্যে প্রায় ১৮৫ একর জমি ইতিমধ্যে বিএসএফকে হস্তান্তর করে দিয়েছে প্রশাসন।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ১২, ২০২৬, ১৫:০৮

options
link
সীমান্তে গলবে না মাছিও! কাঁটাতার দিতে মেখলিগঞ্জে ১৮৫ একর জমি পেল বিএসএফ
ফাইল ছবি।

দীর্ঘদিন ‘উন্মুক্ত’ থাকার পরে এবার মেখলিগঞ্জ ব্লকের গোটা সীমান্ত কাঁটাতারের বেড়া দিতে চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএসএফ এবং প্রশাসন। শুধুমাত্র মেখলিগঞ্জ ব্লকে বিএসএফের পক্ষ থেকে প্রায় ১৪৮ একর জমি কাঁটাতারের বেড়া তৈরি করার জন্য চেয়ে প্রশাসনের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।

Advertisement

প্রশাসনিক আধিকারিকরা জানিয়েছেন, মোট ১০৮ একর জমি এখন কোচবিহার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য বিএসএফকে হস্তান্তর করা বাকি রয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যেই এই কাজ যাতে শেষ করে নেওয়া হয় সেই বিষয়ে সমস্ত রকমের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

প্রথম ধাপে বিএসএফের পক্ষ থেকে জেলায় ২৪০ একর জমি চাওয়া হয়েছিল। তারমধ্যে প্রায় ১৮৫ একর জমি ইতিমধ্যে বিএসএফকে হস্তান্তর করে দিয়েছে প্রশাসন। যদিও নতুন করে বিএসএফের পক্ষ থেকে আরও ৫৩ একর জমি প্রশাসনের কাছে চাওয়া হয়েছে। আর এবার সেটাও জরিপ করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে প্রশাসন। সব মিলিয়ে কোচবিহার জেলায় প্রায় পঞ্চাশ কিলোমিটার এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া কার্যত নেই। সেই খোলা সীমান্তের মধ্যে অবশ্য অনেকটাই নদীপথ রয়েছে। স্বাভাবিকভাবে নদীপথের সীমান্ত সুরক্ষিত করতে বিএসএফ বিকল্প পরিকল্পনা গ্রহণ করলেও যে সমস্ত জমিতে খোলা সীমান্ত রয়েছে, এখন সেখানে কাঁটাতারের বেড়া দিতে তৎপরতা দেখা দিচ্ছে।

Advertisement

বিএসএফ ও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কোচবিহার জেলায় বিএসএফের পক্ষ থেকে যে জমি চাওয়া হয়েছে, তারমধ্যে সর্বাধিক মেখলিগঞ্জ ব্লকে প্রায় ১৪৮ একর জমি রয়েছে। তারপর দিনহাটা ২ নম্বর ব্লক রয়েছে, যেখানে প্রায় পঞ্চাশ একর জমি বিএসএফ চেয়েছে। এই দুটি ব্লকের প্রায় অধিকাংশ জমি অধিগ্রহণ করে বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়ার কাজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে করা হয়েছে। তাছাড়াও মাথাভাঙা ও তুফানগঞ্জ মহকুমাতেও বেশ কিছু জমি চিহ্নিতকরণের কাজ প্রশাসন করেছে। যে জমি বিএসএফের পক্ষ থেকে কাঁটাতারের বেড়ার জন্য চাওয়া হয়েছে তার মধ্যে ৪০ একর জমি সরকারি রয়েছে। অর্থাৎ সেই জমি হস্তান্তর নিয়ে বিশেষ কোনও জটিলতা নেই। তাছাড়া বেসরকারি মালিকানাধীন জমিগুলোর মধ্যে প্রথম ধাপে ৪২ একর এবং পরবর্তীতে আরও ১০৩ একর জমি ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসন বিএসএফের কাছে তুলে দিয়েছে। বিএসএফ প্রথম ধাপে যে জমি দাবি করেছিল, সেখানে প্রায় ৫৫ একড় জমি এখন অধিগ্রহণ ও বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া বাকি রয়েছে। তবে নতুন করে বিএসএফের পক্ষ থেকে আরও ৫৩ একর জমি চাওয়া হয়েছে। 

Advertisement

প্রশাসনিক আধিকারিকরা জানিয়েছেন, মোট ১০৮ একর জমি এখন কোচবিহার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য বিএসএফকে হস্তান্তর করা বাকি রয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যেই এই কাজ যাতে শেষ করে নেওয়া হয় সেই বিষয়ে সমস্ত রকমের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.