অবশেষে ভূমিধসে বিধ্বস্ত শিলিগুড়ি-সিকিম সড়ক যোগাযোগের ‘লাইফ লাইন’ ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের ভোল পালটে দিতে বিরাট উদ্যোগ কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহন মন্ত্রকের। যানজট এড়াতে রানিপুল থেকে রংপো পর্যন্ত প্রায় ২৬ কিলোমিটার এলাকায় হবে দুই লেনের মহাসড়ক তৈরির উদ্যোগ। এছাড়াও নির্মাণ করা হবে একাধিক টানেল ও ভাইয়াডাক্ট অর্থাৎ উঁচু সেতুপথ। এজন্য খরচ হবে ৭০৬.৬৩ কোটি টাকা। ‘ন্যাশনাল হাইওয়েজ অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড’-এর তত্ত্বাবধানে ওই কাজ হবে। প্রকল্পের কাজ শেষ করার জন্য প্রায় ১২ বছর সময় ধরা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
ন্যাশনাল হাইওয়েজ অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড সূত্রে জানা গিয়েছে, রংপো-রানিপুল অংশটির উন্নয়নের জন্য ৭০৬.৬৩ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। কাজটি ইপিসি চুক্তির অধীনে সম্পন্ন হবে।
দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা জানান, ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক শুধু সিকিম অথবা কালিম্পংয়ের জন্য নয়। সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারতের সীমান্ত নিরাপত্তা ও অর্থনীতির জন্য জরুরি ‘লাইফলাইন’। কয়েক বছর থেকে বর্ষায় এই সড়ক ভূমিধসে বিধ্বস্ত হচ্ছে। ফলে পর্যটন থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের যাতায়াত এবং পণ্য পরিবহন ব্যহত হচ্ছে। দীর্ঘদিন থেকে এই মহাসড়কের সমস্যার স্থায়ী ও বিজ্ঞানসম্মত সমাধানের জন্য কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নিতীন গড়কড়ির কাছে আবেদন করে আসছেন। অবশেষে তিনি ব্যবস্থা নিতে উদ্যোগী হয়েছেন।

ন্যাশনাল হাইওয়েজ অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড সূত্রে জানা গিয়েছে, রংপো-রানিপুল অংশটির উন্নয়নের জন্য ৭০৬.৬৩ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। কাজটি ইপিসি চুক্তির অধীনে সম্পন্ন হবে। এটি শেষ করার জন্য ৪ হাজার ৭৪৫ দিনের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। দরপত্রের বিজ্ঞপ্তি ৩০ সেপ্টেম্বর প্রকাশ করা হয়েছে। ৬ নভেম্বর থেকে ১৬ নভেম্বরের মধ্যে দরপত্র গ্রহণ করা হবে। ১৭ নভেম্বর বিকেল ৪টায় দরপত্র খোলা হবে। সাংসদ জানান, প্রায় সাড়ে ৭০৬ কোটি টাকার এই টেন্ডার এবং বিশেষ করে টানেল ও ভাইয়াডাক্ট নির্মাণের পরিকল্পনা প্রমাণ করে কেন্দ্রীয় সরকার পাহাড়ি অঞ্চলের স্থায়ী পরিকাঠামো নির্মাণে কতটা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রকল্পের কাজ শেষ হলে পাহাড়ে যাতায়াত যেমন নিরাপদ ও দ্রুত হবে, তেমনই কালিম্পং, শিলিগুড়ি এবং সিকিমের অর্থনৈতিক ও পর্যটন ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা হবে।
জানা গিয়েছে, প্রস্তাবিত কাজের মধ্যে রয়েছে এখনকার সড়ককে ‘প্যাভড শোল্ডার’ অর্থাৎ রাস্তার দুপাশে পাকা অংশ সহ দুই লেনের মহাসড়কে উন্নীত করা হবে। টানেল ও ভায়াডাক্ট নির্মাণ এবং এই রুটের ঝুঁকিপূর্ণ ভূমিধস ও মাটি বসে যাওয়া অর্থাৎ সিঙ্কিং জোনের সমস্যা সমাধানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সর্বশেষ খবর
-
‘স্ট্যান্ডিং কমিটির শীর্ষে কেন বিদ্রোহী সাংসদ?’ কাকলিতে আপত্তি জানিয়ে স্পিকারকে চিঠি অভিষেকের
-
কেন কালীঘাট এলাকার একাধিক ব্যক্তির নামে সিম তুলেছিলেন সুমিত? নেপথ্যে বড় লেনদেন! তদন্তে পুলিশ
-
মেসি-ম্যাচে বঞ্চিত দর্শকদের শুভেন্দুর উপহার, উরুগুয়ে ম্যাচে ২২ হাজার টিকিট মিলবে বিনামূল্যে
-
ভারতের লড়াইকে ‘বাহবা’ দিলেন ব্রাজিল কোচ, হেরে খালিদ দুষলেন মনঃসংযোগের অভাবকে
-
‘লেনিন, মার্কস, হো চি মিন, এরা কারা?’ রাস্তার নাম বদল নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী