Biswa Bangla Biswabidyalay

এক কোটি বিদ্যুৎ বিল বকেয়া! বিশ্ববিদ্যালয়ে এবার বন্ধ এসি, ক্ষোভ পড়ুয়াদের মধ্যে

অতিরিক্ত গরমে অস্বস্তি, ক্লান্তি ও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার কারণে পড়াশোনায় মনোযোগ নষ্ট হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

Advertisement
দেব গোস্বামী
দেব গোস্বামী

শেষ আপডেট: মে ২, ২০২৬, ১৪:১৫

options
link
এক কোটি বিদ্যুৎ বিল বকেয়া! বিশ্ববিদ্যালয়ে এবার বন্ধ এসি, ক্ষোভ পড়ুয়াদের মধ্যে
বিশ্ববাংলা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যর সঙ্গে কথা বলছেন ছাত্ররা।

বিদ্যুৎ বিলের চাপে এসি বন্ধ! ১.২৬ কোটির বিদ্যুৎ বিলের বোঝা। ক্লাসরুমে বাড়ছে অস্বস্তি। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে কড়া পদক্ষেপ, কিন্তু বাড়ছে পড়ুয়াদের অসন্তোষ। সৌর বিদ্যুতের পথে বিশ্ববাংলা বিশ্ববিদ্যালয়।

Advertisement

উল্লেখ্য, বিদ্যুৎ বিলের ক্রমবর্ধমান চাপ সামলাতে গিয়ে শ্রেণীকক্ষে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে বিশ্ববাংলা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এর জেরে তীব্র গরমের মধ্যে চরম ভোগান্তির মুখে পড়ছেন পড়য়ারা। বহু শ্রেণীকক্ষে দীর্ঘদিন ধরে এসি বিকল বা বন্ধ থাকায় পাঠদানের পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অতিরিক্ত গরমে অস্বস্তি, ক্লান্তি ও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার কারণে পড়াশোনায় মনোযোগ নষ্ট হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পড়ুয়াদের একাংশের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিকাঠামোর উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে সেই সুবিধা মেলেনি। ফলে ক্ষোভ বাড়ছে পড়ুয়াদের মধ্যে। সোমবার, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকাঠামো উন্নয়ন-সহ একাধিক দাবিতে একদল পড়ুয়া উপাচার্যকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান। পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আলোচনায় বসে বিষয়গুলি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেয়।

Advertisement

মঙ্গলবার ফের উপর উপাচার্যের আলোচনায় বসে পড়ুয়ারা। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত অর্থবছরে বিদ্যুৎ বিল প্রায় ১.২৬ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। যা আর্থিকভাবে বড় চাপ তৈরি করেছে। উচ্চশিক্ষা দপ্তর থেকে দুই দফায় মোট ১ কোটি টাকা অনুদান মিললেও এখনও প্রায় ২৫.২৫ লক্ষ টাকা বকেয়া রয়েছে। একাধিকবার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার নোটিসও এসেছে। যদিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হওয়ায় পরিষেবা আপাতত চালু রয়েছে। পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

একাংশ কর্মীদের দাবি, এসি ব্যবহার বন্ধ রাখা, অপ্রয়োজনীয় আলো ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ রাখা, বিদ্যুতের ব্যবহার কমানো এবং সৌর শক্তির ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই
ইতিমধ্যেই ক্যাম্পাসে সৌর প্যানেল বসানোর পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে এবং বিদ্যুৎ শুল্ক মুকুবের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন জানানো হয়েছে। তবে আর্থিক সংকটের প্রভাব শুধু এসি পরিষেবায় নয়, লিফট, ডিজেল জেনারেটর-সহ অন্যান্য পরিকাঠামোর বৈদ্যুতিক রক্ষণাবেক্ষণেও পড়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববাংলা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য আবু তালেব খান বলেন, “পড়ুয়ারা অযথা দাবি জানাচ্ছে। শীততাপ নিয়ন্ত্রিত শ্রেণীকক্ষ রাজ্যের অধিকাংশ সরকারি সহায়তাপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে এই সুবিধা সাধারণভাবে থাকে না। গরমের প্রভাব কমাতে বিকল্প ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। শ্রেণীকক্ষে ব্ল‍্যাকআউট পর্দা লাগানো হয়েছে এবং ক্লাসের সময়সূচি ও কক্ষ পরিবর্তন করে সরাসরি রোদ ও ছাদের তাপের প্রভাব কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। বকেয়া বিল মেটাতে উচ্চ শিক্ষা দপ্তরে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.