পঞ্চায়েতকে ‘স্মার্ট’ করতে প্রধানদের দেওয়া হল অ্যান্ড্রয়েড ফোন

ফোন পেলেন পুরুলিয়ার ১৭০ প্রধান। 

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০১৭, ১১:৩৬

options
link
পঞ্চায়েতকে ‘স্মার্ট’ করতে প্রধানদের দেওয়া হল অ্যান্ড্রয়েড ফোন

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: আধুনিক হচ্ছে প্রশাসন। মানুষের কাছে পরিষেবা দরজায় পৌঁছে দিতে ই-গর্ভন্যান্সের দিকে এগোচ্ছে রাজ্য সরকার। এই কর্মকাণ্ডর সফল প্রয়োগের জন্য গ্রাম পঞ্চায়েতের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। সেই লক্ষ্যে পঞ্চায়েত প্রধানদের যুগোপযোগী বা আপ টু ডেট করার কাজ শুরু করল প্রশাসন। প্রধানদের আধুনিক করতে তাদের স্মার্টফোন দেওয়া শুরু হয়।

Advertisement

[ফের ধামাকা, আরও বাড়ল Jio-র আকর্ষণীয় অফারের মেয়াদ]

Advertisement

prl mobile.jpg 2

Advertisement

পুরুলিয়ার সব গ্রামপঞ্চায়েতকে স্মার্ট পঞ্চায়েত তৈরি করতে এক ধাপ এগোল পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন। সেই লক্ষ্যে জেলার ১৭০ টি গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধানদের অ্যান্ড্রয়েড ফোন বিতরণ করল জেলা প্রশাসন। এক বহুজাতিক সংস্থার বেশ দামি ফোন দেওয়া হয়। এই মোবাইলের মাধ্যমে পঞ্চায়েতের সমস্ত তথ্য জিআইএস প্রযুক্তির মাধ্যমে জেলা প্রশাসন ও সর্বসাধারণের কাছে তুলে ধরা হবে। বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় রাজ্য পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের উদ্যোগে জেলার প্রধানদের অ্যান্ড্রয়েড ফোন দিল পুরুলিয়ায় জেলা প্রশাসন। প্রত্যেক পঞ্চায়েতে কাজের খতিয়ান, উন্নয়নের পরিসংখ্যান, আর্থিক তথ্য জেলা প্রশাসনের কাছে তুলে ধরবেন প্রধানরা। এছাড়া কোথায় কী কাজ হচ্ছে, তা সমস্ত নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে আপলোড করার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। আর এই সব কিছুই জিআইএস প্রযুক্তির মাধ্যমে চলবে। জেলাশাসক অলোকেশপ্রসাদ রায় জানান, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় পঞ্চায়েতের কাজে গতি আনতে চান। পঞ্চায়েতেরগুলিকে তথ্যপ্রযুক্তির দিকে আরও স্মার্ট করতেই এই ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। এর আগে রাজ্যে প্রায় এক হাজার পঞ্চায়েতে এই ব্যবস্থা ছিল। এবার তা রাজ্যের সর্বত্র শুরু হচ্ছে।”

[রং-গন্ধের মোড়কে খাবারের প্লেটে বিষ মিশছে না তো!]

মোবাইলের মধ্যে থাকা অ্যাপসগুলি কীভাবে চালানো হবে সেই বিষয়ে প্রধানদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয় এই অনুষ্ঠানে। নতুন মোবাইল নিয়ে অনেক প্রধান রীতিমতো রোমাঞ্চিত। পুঞ্চার পিরড়া পঞ্চায়েতের প্রধান কণিকা মাহাতো জানান, “এর আগে অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করিনি। এই প্রথম এই ফোন ব্যবহার করব। তবে প্রশিক্ষণ নিয়েই কাজ করব।” এদিন এই অনুষ্ঠানে জেলার একশো দিনের কাজ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন জেলাশাসক অলোকেশ প্রসাদ রায়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.