red fort

স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লায় বাংলার পটচিত্র, দিনরাত এক করে দুর্গার তিনরূপ ফুটিয়ে তুললেন শিল্পীরা

কী বলছেন শিল্পীরা?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২, ২০২৩, ১৫:২০

options
link
স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লায় বাংলার পটচিত্র, দিনরাত এক করে দুর্গার তিনরূপ ফুটিয়ে তুললেন শিল্পীরা

সৈকত মাইতি, তমলুক: এবার স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে লালকেল্লায় থাকছে বাংলার ছোঁয়া। দুর্গাপুজোর আগেই মা দুর্গার ভিন্নভিন্ন রূপকে সাজিয়ে তুলতে দিনরাত এক করেছেন পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরের পটশিল্পীরা। স্বাধীনতা দিবসে যা উন্মোচিত হবে বিশ্ববাসীর কাছে। এখন থেকেই খুশিতে জেলার পটচিত্র শিল্পীরাও।

Advertisement

পটচিত্র শিল্পের জন্য বিখ্যাত পূর্ব মেদিনীপুর। ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে দীর্ঘ প্রায় কয়েকদশক ধরেই বিশেষ উপায়ে পটের উপর নানান ধরনের চিত্র এঁকে সুনাম অর্জন করে এসেছেন চণ্ডিপুরের হবিচকের শিল্পীরা। সংসারের অভাব অনটন সত্ত্বেও এই শিল্পকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন গ্রামের নুরউদ্দিন চিত্রকর, কল্পনা চিত্রকর, মুসলেম চিত্রকর, মোমেনা চিত্রকর, বাপ্পা চিত্রকর, রোজিনা চিত্রকর, মুক্তার চিত্রকর, সিন্টু চিত্রকররা। হিন্দুধর্মের দেবদেবীর নানান চিত্র তুলির টানে ফুটিয়ে তোলার পাশাপাশি লোকগান গেয়ে মনোরঞ্জন করে থাকেন তারা। ইতিমধ্যেই পটচিত্র এঁকে রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পেয়েছেন একাধিক পটুয়া শিল্পীরা। দশ বছর বয়সেই তুলি হাতে তুলে নিয়েছিলেন নুরউদ্দিনরা। বিগত প্রায় তিনদশক ধরে এই পটচিত্র নেশায় পরিণত হয়েছে তাঁর। সেই সুবাদেই ২০১৭ সালে রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পান তিনি। তবে তার আগেই ২০১৬ সালে রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পান নুরউদ্দিনের স্ত্রী কল্পনা চিত্রকর।

Advertisement

Advertisement

[আরও পড়ুন: রাতভর বৃষ্টিতে রেললাইনে ধস, শিয়ালদহ-নৈহাটি শাখায় ব্যহত ট্রেন চলাচল, নাজেহাল যাত্রীরা]

এবার দিল্লির লালকেল্লায় স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে থাকবে নুরউদ্দিনদের ছোঁয়া। প্রতি বছরের মতো এবারেও ১৫ আগস্ট লালকেল্লায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ইতিমধ্যেই সেজে উঠছে লালকেল্লাও। এবার লালকেল্লার গেটে জায়গা করে নিতে চলেছে গ্রাম বাংলার চিত্রশিল্পীদের হাতের কাজ। গত ১৮ জুলাই থেকে পটচিত্র আঁকার কাজ শুরু করেন চণ্ডিপুরের নুরউদ্দিনের নেতৃত্বে বাংলার চিত্রকরেরা। কাজের শেষ দিন হিসেবে টার্গেট বেঁধে দেওয়া হয়েছিল ১ আগস্ট পর্যন্ত। সেই মতো দিনরাত এক করে ২০ ফুট বাই ৬০ ফুটের এই ক্যানভাসে লক্ষ্মী, গণেশ, কার্তিক, সরস্বতী-সহ সাবেকি দুর্গাপ্রতিমার তিনটি রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন তাঁরা। যা ইতিমধ্যেই মিনিষ্ট্রি অফ ডিফেন্স এবং মিনিস্ট্রি অফ কালচারের কর্মকর্তাদের নজর কেড়েছে।

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এই পটচিত্র আঁকার সুযোগ পেয়ে আপ্লুত নুরউদ্দিন। নিজের এই কাজ শেষ করে গ্রামের বাড়িতে ফেরার আগে তিনি বলেন, “গ্রাম বাংলার এই পটচিত্র স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বিশ্ববাসী দেখতে পাবেন। যেটা আমাদের সকলের কাছে খুবই গর্বের ও পরম সৌভাগ্যের বিষয়।”

 

[আরও পড়ুন: বৃষ্টি থামার পর ফুল তুলতে যাওয়াই কাল, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু বাবা ও ছেলের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.