Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
Dilip Ghosh

‘কমিউনিস্টরা দুর্গাপুজো শব্দটাই বাদ দিয়েছিল’, বামেদের শারদোৎসবের তীব্র বিরোধিতা দিলীপের

পুজো রীতিনীতি মেনেই করতে হবে, নইলে শুধু অনুষ্ঠান করুক, সাফ কথা পঞ্চায়েত মন্ত্রীর।

বিধান নস্কর
বিধান নস্কর

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৫, ২০২৬, ১৮:২৯

link
বিধান নস্কর
বিধান নস্কর

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৫, ২০২৬, ১৮:২৯

options
link
‘কমিউনিস্টরা দুর্গাপুজো শব্দটাই বাদ দিয়েছিল’, বামেদের শারদোৎসবের তীব্র বিরোধিতা দিলীপের zoom
দুর্গাপুজো থেকে শারদোৎসব - কমিউনিস্টদের দুষলেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ
Advertisement

দুর্গাপুজোর সঙ্গে যতটা শাস্ত্র আর রীতিনীতির যোগ, ততটাই যুক্ত উৎসব। বলাই হয়, দুর্গাপুজো বাঙালির প্রাণের উৎসব। দুর্গা আরাধনার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত নতুন বস্ত্র, খাওয়াদাওয়া, হইহুল্লোড়। আর এখানেই সনাতনীরা প্রশ্ন তোলেন, এই আনন্দের মাঝে আসল বিধি সম্পন্ন হচ্ছে তো? পুজোর নামে কেবলই আনন্দে গা ভাসিয়ে দেওয়া হচ্ছে না তো? এবার আবার রাজ্যে বিজেপি সরকার। হিন্দু ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা, আচারপালনে একনিষ্ঠ তারা। ফলে এবারের দুর্গাপুজো বেশ কিছুটা অন্যরকম হবে বলে মতে শাস্ত্রজ্ঞদের একাংশের। সেই সম্ভাবনাই আরও উসকে দিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এ প্রসঙ্গে তিনি পূর্বতন বাম সরকারকে একহাত নিয়ে অভিযোগ তুললেন, ‘‘কমিউনিস্টরাই দুর্গাপুজো তুলে শারদোৎসব করেছিল। দুর্গা নামই বাদ দিয়েছিল।”

দিলীপ ঘোষ বামেদের আক্রমণ করে বলেন, ‘‘আড়ম্বরে আপত্তি নেই। কিন্তু সেসব করতে গিয়ে পুজোটাই প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছিল। কমিউনিস্টরাই দুর্গাপুজো বলত না, দুর্গা নামই বাদ দিয়ে তারা বলত শারদোৎসব। পুজো মানত না অথচ পুজো কমিটিগুলোর মাথায় থাকা চাই। থিম পুজোর নামে পুজোর আসল উদ্দেশ্য আর সিদ্ধ হত না।”

সোমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছিলেন, সেপ্টেম্বর মাসে পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। ঠিক হবে দুর্গাপুজোর রূপরেখা। এবছর অষ্টমীর অঞ্জলি দিতে কলকাতায় আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Modi)। তাই সনাতন রীতিনীতি মেনে পুজোয় জোর দিচ্ছে বঙ্গ বিজেপি। তবে এবার আচারসর্বস্ব পুজো হবে? জৌলুস বা আড়ম্বর থাকবে না? এনিয়ে মঙ্গলবার দিলীপ ঘোষকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বামেদের আক্রমণ করে বলেন, ‘‘আড়ম্বরে আপত্তি নেই। কিন্তু সেসব করতে গিয়ে পুজোটাই প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছিল। কমিউনিস্টরাই দুর্গাপুজো বলত না, দুর্গা নামই বাদ দিয়ে তারা বলত শারদোৎসব। পুজো মানত না অথচ পুজো কমিটিগুলোর মাথায় থাকা চাই। থিম পুজোর নামে পুজোর আসল উদ্দেশ্য আর সিদ্ধ হত না।”

Advertisement

তাই পুজো নিয়ে দিলীপের সাফ কথা, বিয়েতেও অনেকে আড়ম্বর করে, অনেক লোকজন খাওয়ায়। কিন্তু বিয়ের যে পবিত্র মন্ত্র, তা তো উচ্চারণ করতে হয়। তেমনই পুজোতেও রীতিনীতি মেনে, পণ্ডিতদের বিধি মেনে চলার প্রয়োজন থাকে। নাহলে পুজোটা আর পুজো থাকে না। দুর্গাপুজোর নিয়মকানুন জানার জন্য কত ক্লাস, প্রশিক্ষণ হয়। এই শহরেও হয়। আমার মতে, পুজো করতে হলে নিয়ম মেনে করবেন, নয়তো সবই স্রেফ হুইহুল্লোড়।” উল্লেখ্য, এর আগেও পুজোর চারদিন বামেদের বুক স্টল নিয়ে বিজেপির তারকা বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষের কটাক্ষ ছিল, ‘‘৩৪ বছর ধরে প্যান্ডেলের সামনে লাল শালু বেঁধে আপনারা নাস্তিকতার বই বিক্রি করেছেন, এসব আর চলবে না।” এবার দিলীপের অভিযোগ, বাম তথা কমিউনিস্টরা দুর্গাপুজোর অর্থই বদলে দিয়েছিল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.