Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
Samik Bhattacharya

‘দুর্নীতির দায় দল কখনওই নেবে না’, বিজেপির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ভাইরাল শমীকের সতর্কবার্তা

চিঠির ধাঁচে লেখা শমীক ভট্টাচার্যের স্বচ্ছতার বার্তা পৌঁছল জেলা সংগঠনের সর্বস্তরে।

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৫, ২০২৬, ১৫:৩০

link
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৫, ২০২৬, ১৫:৩০

options
link
‘দুর্নীতির দায় দল কখনওই নেবে না’, বিজেপির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ভাইরাল শমীকের সতর্কবার্তা zoom
দলের প্রতিটি স্তরকে দুর্নীতিমুক্ত করতে শমীক ভট্টাচার্যর বিশেষ বার্তা দলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে
Advertisement

রাজ্যে বিজেপি সরকারের বয়স সবে একশো দিন পেরিয়েছে। তার মধ্যেই দলের একাংশের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছে। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে খুনোখুনির ঘটনাও সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে বারবারই দলকে নানা অভিযোগ থেকে কলুষমুক্ত করতে কঠোর থেকে কঠোরতর বার্তা দিয়েছেন দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। কিন্তু তাতেও বিশেষ কাজ হয়নি। এবার তাই চিঠির ধাঁচে লেখা শমীকের সতর্কবার্তা ভাইরাল বিজেপির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে। জেলায় জেলায় গ্রুপ মারফত সেই বার্তা পৌঁছে গেল দলের সর্বস্তরের নেতা, কার্যকর্তা, কর্মীদের কাছে।

শমীক ভট্টাচার্যের বার্তা ভাইরাল বিজেপির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে

শমীক লিখেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদিজির জিরো টলারেন্স নীতি এবং দেশসেবার সংকল্পই বিজেপির কাজের মূল ভিত্তি। অতি সম্প্রতি চিঠি ও বার্তার মাধ্যমে বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের কিছু অনভিপ্রেত কর্মকাণ্ড ও অনিয়মের তথ্য আমার নজরে এসেছে। বুথ স্তর থেকে রাজ্য স্তর পর্যন্ত – যে কোনও সদস্যের ক্ষেত্রে একথা প্রযোজ্য: দলের নীতির বাইরে গিয়ে কোনও ব্যক্তি যদি কোনও অনৈতিক বা দুর্নীতির কাজের সঙ্গে যুক্ত হন, দল তার দায়ভার কখনওই নেবে না।’

শমীক ভট্টাচার্যর ‘জরুরি সতর্কবার্তা’র শুরুতেই সম্বোধন করা হয়েছে – ‘প্রিয় রাজ্য, জেলা, অঞ্চল, মণ্ডল এবং বুথ স্তরের সমস্ত বিজেপি কার্যকর্তা ও কর্মী ভাই-বোন’দের। বলা হয়েছে, সততা, স্বচ্ছতা ও আদর্শই বিজেপির মূল চালিকাশক্তি। ভারতীয় জনতা পার্টিরর সুদীর্ঘ আদর্শ আরও ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরে শমীক লিখেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদিজির জিরো টলারেন্স নীতি এবং দেশসেবার সংকল্পই বিজেপির কাজের মূল ভিত্তি। অতি সম্প্রতি চিঠি ও বার্তার মাধ্যমে বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের কিছু অনভিপ্রেত কর্মকাণ্ড ও অনিয়মের তথ্য আমার নজরে এসেছে। বুথ স্তর থেকে রাজ্য স্তর পর্যন্ত – যে কোনও সদস্যের ক্ষেত্রে একথা প্রযোজ্য: দলের নীতির বাইরে গিয়ে কোনও ব্যক্তি যদি কোনও অনৈতিক বা দুর্নীতির কাজের সঙ্গে যুক্ত হন, দল তার দায়ভার কখনওই নেবে না।’

Advertisement

এরপর বার্তায় লেখা – দলের সকল স্তরের কর্মী ও নেতৃত্বকে কঠোরভাবে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে:

  • প্রথমত, জিরো টলারেন্স: দুর্নীতি বা অপকর্মের সামান্যতম প্রমাণ মিললে, পদ বা অবস্থান নির্বিশেষে কঠোর সাংগঠনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
  • দ্বিতীয়ত, দলের ভাবমূর্তি: ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য দলের ভাবমূর্তি ও কর্মীদের দীর্ঘদিনের ত্যাগ যেন ক্ষুণ্ন না হয়, সে বিষয়ে সম্পূর্ণ সতর্ক থাকুন।
  • তৃতীয়ত, জনসেবাই লক্ষ্য: সাধারণ মানুষের আস্থা ধরে রেখে পূর্ণ স্বচ্ছতার সাথে কাজ করাই প্রতিটি কার্যকর্তার একমাত্র দায়িত্ব।

শমীকের আহ্বান, ‘আসুন, আমরা সবাই মিলে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে দলের সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখি।’ এই দীর্ঘ বার্তা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে রাজ্যের সবপ্রান্তের বিজেপি নেতা, জনপ্রতিনিধি থেকে কার্যকর্তা, কর্মীদের কাছে। ওয়াকিবহাল মহলের মত, তৃণমূল জমানার ‘ব্যাধি’ যাতে দলের মধ্যে সংক্রামক না হয়ে পড়ে, তার জন্য গোড়া থেকে কঠোর বিজেপি রাজ্য সভাপতি নিজে। কিন্তু তাঁর হাজার বার্তাতেও কাজ হয়নি। সময় যত এগোচ্ছে, ততই বিজেপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। তাই এবার কার্যত মরিয়া হয়ে শমীকের লিখিতস বার্তা সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়া হল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.