দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর নির্দেশের পরই নরেন্দ্রপুরে স্কুলে ঢুকে শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের মারধরের ঘটনায় জারি ধরপাকড়। গ্রেপ্তার দুই তৃণমূল কর্মী। মহেশ্বর নাড়ু ও সোনু মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতরা তৃণমূল কর্মী। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয় বলেই দাবি ধৃতদের।
শনিবার নরেন্দ্রপুরের বলরামপুর মন্মথনাথ বিদ্যামন্দিরে হানা দেয় ৫০-৬০ জনের একটি দল। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, স্কুলের টির্চাস রুমে ঢুকে শিক্ষক শিক্ষিকারদের মারধর করা হচ্ছে। ভাঙা হয়েছে মোবাইল। মেঝেয় ছড়িয়ে কাগজপত্র। শিক্ষিকাদের কাঁদতেও দেখা গিয়েছে। স্কুলের ভিতরে কার্যত আটকে পড়েন তাঁরা। শেষপর্যন্ত নরেন্দ্রপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
[আরও পড়ুন: কাঁচরাপাড়ার গোডাউন লক্ষ্য করে পর পর তিনটি বোমা, বিস্ফোরণে হাত উড়ল দুজনের]
প্রধান শিক্ষকের মদতে এই মারধরের ঘটনা বলে অভিযোগ জানান আক্রান্ত শিক্ষক-শিক্ষিকারা। যদিও প্রধান শিক্ষক ঘটনার কথা অস্বীকার করেন। এই ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেন খোদ শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তার পরদিনই গ্রেপ্তার দুই অভিযুক্ত। যদিও ধৃতরা নিজেদের নির্দোষ বলেই দাবি করেছে।
[আরও পড়ুন: রামের পর দুর্গা আবেগে শান বিজেপির! এবার দুর্গাপুজোয় আর্থিক অনুদান কেন্দ্রের]
সর্বশেষ খবর
-
‘ওঁর লোকই এতদিন ডিম হামলা, ভাঙচুর চালিয়েছে’, ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডে অভিষেককেই তোপ অগ্নিমিত্রার
-
বন্যা সামলে সচল পোখরা-মুক্তিনাথ, দুর্গাপুজোয় নেপালের নিরাপদ ডেসটিনেশন কোনগুলি?
-
এই মন্দিরে পশুপতিনাথ ধূমপায়ী, মনস্কামনা পূরণে সিগারেট-বিড়ি নিবেদন ভক্তদের!
-
কুমড়োর সঙ্গে ওষুধ খেয়েই কেল্লাফতে, হাঁটাচলা শুরু ‘রামলালে’র
-
হাত চ্যাটচ্যাট না করেও নরম হবে আটা, রুটি বানানোর আগে মাথায় রাখুন ৫ কৌশল