Police Suicide

থানা লাগোয়া বারাকে পুলিশ কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা

মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন ওই পুলিশ কর্মী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২১, ১৩:১৪

options
link
থানা লাগোয়া বারাকে পুলিশ কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা

সম্যক খান, মেদিনীপুর: ফের আত্মঘাতী পুলিশ কর্মী (Police)। তাও আবার থানা লাগোয়া বারাকে। শনিবার সকালে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মেদিনীপুরের কেশপুর শহরে। তবে কী কারণে ওই পুলিশ কর্মী আত্মহত্যা করলেন তা স্পষ্ট নয়।

Advertisement

রোজকার মতো এদিন সকালে কেশপুরের (Keshpur) থানা লাগোয়া বারাকে কাজে এসেছিলেন ঠিকে পরিচারিকা। বারাকে ঢুকতেই তাঁর চোখে পড়ে ঝুলন্ত দেহ। তিনি চিৎকার করে বাকিদের ডাকেন। থানার অন্যান্য পুলিশ কর্মীরা ছুটে এসে দেহটি নামিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেই ওই পুলিশ কর্মীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: KMC: কলকাতা পুরসভার বিল্ডিংয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ছড়াল আতঙ্ক, খতিয়ে দেখা হচ্ছে কারণ]

মৃতের নাম সঞ্জয় চৌধুরী(৪৭)। রাজ্য পুলিশের এসআই পদে কর্মরত ছিলেন তিনি। পুরুলিয়ার বাসিন্দা। যদিও বর্তমানে স্ত্রী, সন্তানকে নিয়ে মেদিনীপুরের পুলিশ কোয়ার্টারে থাকতেন। হঠাৎ কেন আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি, সে কারণ এখনও জানা যায়নি। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে মানসিক অবসাদের জেরেই আত্মহত্যা করেছেন তিনি। তবে পারিবারিক অশান্তির জেরে নাকি কাজের চাপে মানসিক অবসাদে তিনি ভুগছিলেন, তা এখনও জানা যায়নি।

Advertisement

দিন কয়েক আগেই নিজের সার্ভিস রিভলভার থেকে গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী হন এক  পুলিশ আধিকারিক। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছিল শিলিগুড়িতে (Siliguri)। কী কারণে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিলেন ওই পুলিশকর্মী? ব্যাক্তিগত কারণ নাকি ঘটনার নেপথ্যে অন্যকোনও রহস্য রয়েছে তা জানা যায়নি। 

[আরও পড়ুন: KMC: কলকাতা পুরসভার বিল্ডিংয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ছড়াল আতঙ্ক, খতিয়ে দেখা হচ্ছে কারণ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.