SSC

‘নোয়া পরেই SSC’র পরীক্ষায় বসেছিলেন তরুণী’, তদন্তের পর বিতর্ক উড়িয়ে দাবি পুলিশের

এক্স হ্যান্ডেলে গোটা বিষয়টার ব্যাখ্যা দিল পূর্ব বর্ধমান পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৫, ১৯:১৩

options
link
‘নোয়া পরেই SSC’র পরীক্ষায় বসেছিলেন তরুণী’, তদন্তের পর বিতর্ক উড়িয়ে দাবি পুলিশের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নোয়া বিতর্কে জল ঢেলে মঙ্গলবার শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন এসএসসির পরীক্ষায় বসেছিলেন ওই তরুণী। কয়েকঘণ্টার ব্যবধানে এক্স হ্যান্ডেলে একই দাবি করল পূর্ব বর্ধমান পুলিশ। বিতর্ক উড়িয়ে পুলিশের দাবি, নোয়া পরেই নির্বিঘ্নে পরীক্ষা দিয়েছিলেন ওই বধূ।

Advertisement

ঘটনার সূত্রপাত গত রবিবার। ওইদিন এসএসসির একাদশ-দ্বাদশের শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা ছিল। কালনার হিন্দু গার্লস হাই স্কুলে সিট পড়েছিল ওই তরুণীর। পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছনোর পর চেকিংয়ের সময় তাঁকে নিয়ম মেনে নোয়া খুলতে বলা হয়। কারণ, ধাতব বস্তু নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ। এরপরই বেঁকে বসেন তরুণী। সাফ জানান, এক মাস আগে বিয়ে হয়েছে, কোনও পরিস্থিতিতেই নোয়া খুলবেন না। পরীক্ষাকেন্দ্র ছেড়ে চলে যান তিনি। ঘটনাটি রীতিমতো চর্চায় উঠে আসে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তদন্তের পর নোয়া বিতর্ক উড়িয়ে বর্ধমান পুলিশের দাবি, নোয়া পরেই নির্বিঘ্নে পরীক্ষা দিয়েছিলেন ওই বধূ। এদিন পূর্ব বর্ধমান পুলিশের তরফে এক্স হ্যান্ডেলে জানানো হয়, রাজ্যের অন্যান্য পরীক্ষাকেন্দ্রের মতোই বর্ধমানের কালনার হিন্দু গার্লস হাই স্কুলের প্রবেশপথে পরীক্ষার্থীদের চেকিংয়ের দায়িত্বে ছিল একটি বেসরকারি সংস্থা। সেখানে এক তরুণীকে নোয়া খুলতে বলা হয়। কারণ, ধাতব বস্তু। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, পরবর্তীতে নোয়া পরেই নির্বিঘ্নে পরীক্ষা দিয়েছিলেন ওই বধূ। পাশাপাশি ভুল বোঝাবুঝির জেরেই এই ঘটনা বলে দাবি করা হয়েছে পুলিশের তরফে। এর সঙ্গে ধর্মকে জড়িয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

Advertisement

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

প্রসঙ্গত, এদিনই সোশাল মিডিয়ায় একই দাবি করে সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছিলেন, “মনীষা সিকদার, রোল নম্বর ১২২২৫২৯০৩০৫৭। ১৪০০ নম্বর পরীক্ষা কেন্দ্রে সিট পড়েছিল তাঁর। চেকিংয়ের সময় তাঁর হাতে ধাতব বালা থাকায় মেটাল ডিটেক্টর বেজে ওঠে। প্রথমে তিনি পরীক্ষাকেন্দ্র ছেড়ে যান। তবে স্বেচ্ছায় ফিরে এসেছিলেন তিনি। পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।” তদন্ত শেষে একই কথা জানাল পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.