Rabindranath Chatterjee

কাকে বিশ্বাস করবেন মমতা! প্রদীপের পর এবার সাংগঠনিক পদে ইস্তফা রবীন্দ্রনাথের

'ফেসবুক থেকে জানলাম, ইচ্ছুক নই', পদত্যাগপত্রে জানান রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়।

ধীমান রায়
ধীমান রায়

শেষ আপডেট: জুন ১৭, ২০২৬, ২০:১৮

options
link
কাকে বিশ্বাস করবেন মমতা! প্রদীপের পর এবার সাংগঠনিক পদে ইস্তফা রবীন্দ্রনাথের
রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়।

রাজ্যে পালাবদলের কয়েকদিনের মধ্যেই দলের সব কমিটি ভেঙে দিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর রাজ্য-সহ সব জেলায় নতুন করে কমিটি সাজানোর কাজ শুরু হয়। কিন্তু মনে হচ্ছে, মমতার সঙ্গে আর থাকতে চাইছেন না কেউই। দায়িত্ব পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে প্রদীপ সরকারের ইস্তফার পর এবার পূর্ব বর্ধমান জেলা সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিলেন রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় (Rabindranath Chatterjee)। বুধবার রাজ্য সভানেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়ে তিনি জানান, ফেসবুকের মাধ্যমে তিনি জানতে পেরেছেন তাঁকে জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তিনি এই দায়িত্ব নিতে ইচ্ছুক নন।

Advertisement

গত শনিবার তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভানেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য দলের বিভিন্ন জেলার সভাপতিদের নাম ঘোষণা করে তালিকা প্রকাশ করেন। এর মধ্যে পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল সভাপতি হিসেবে ফের একবার রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এই তালিকা প্রকাশের পরেই পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে চিঠি দিলেন রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। তিনি ইমেল মারফত চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের কাছে এদিন বুধবার একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। তাতে রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় লিখেছেন, “ফেসবুকের মাধ্যমে জানতে পারলাম পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতি হিসাবে আমাকে মনোনীত করা হয়েছে। আমি এই পদে থাকতে ইচ্ছুক নই। এই পত্রটি আমার পদত্যাগপত্র হিসাবে গ্রহণ করিবেন।” যদিও পদত্যাগের কারণ হিসেবে কিছু উল্লেখ করেননি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়।

Advertisement

উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে কাটোয়া শহরে তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ের পাশে একটি গোডাউন থেকে সরকারি ত্রিপল অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার সময় তুমুল বিক্ষোভ এবং উত্তেজনা তৈরি হয়। রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়কে ঘিরে বিক্ষোভের পাশাপাশি ডিম থেরাপি চলে। পুলিশ রবীন্দ্রনাথকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। তারপরেই কাটোয়া থেকে অন্যত্র চলে যান তিনি। সূত্রের খবর, তিনি বর্তমানে কলকাতায় মেয়ের বাড়িতে বিশ্রামে রয়েছেন। এই পরিস্থিতির মধ্যেই দলের জেলা সভাপতি হিসেবে পুনরায় রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়কে মনোনীত করে দল। কিন্তু জানতে পেরেই তিনি পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন। এদিন রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে সেটি সুইচ অফ ছিল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.