রাহুল চক্রবর্তী ও ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: রাজ্যের মন্ত্রীই রাজ্যসভার ভোটে ‘ভুল’ করে ফেললেন। মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়ক রাজ্যের শ্রম দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী জাকির হোসেন শুক্রবার ভোটে ‘১’ লেখার জায়গায় লম্বা দাগ টেনে বসলেন। এজেন্টকে দেখানোর সময়ই এই গলদ চোখে পড়ে। যেহেতু ভুল শোধরানোর কোনও ব্যবস্থা নেই, তাই তাঁর ভোটটি বাতিল হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। ভোট দেওয়ার আগে পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে গিয়ে বিস্তারিত বুঝে আসতে হয়েছিল তৃণমূল বিধায়কদের। তার পরেও কেন এমন ভুল, তা নিয়ে প্রশ্ন। অন্য কোনও বিধায়কের এমন ভুল হয়নি। এইটুকু ছা়ড়া রাজ্যসভার ভোটে পশ্চিমবঙ্গে আর কোনও গরমিল হয়নি।
[তৃণমূল বিধায়কের অ্যাকাউন্ট থেকে গায়েব সাড়ে তিন লক্ষ, বিধানসভায় শোরগোল]
অন্য রাজ্যের মতো পশ্চিমবঙ্গের ৫টি আসনের জন্য ভোটে সকাল থেকেই বিধানসভায় লাইন পড়ে বিধায়কদের। নিজেদের মধ্যে ঠাট্টায় মাততে দেখা যায় বিধায়কদের। সকাল ৯টা থেকেই অনেককে লাইনে দাঁড়াতে দেখা যায়। ৫টি আসনে ভোট হলেও প্রার্থী রয়েছেন ৬ জন। এর মধ্যে তৃণমূলের চারজন প্রার্থীর জয় নিশ্চিত। এঁরা হলেন, নাদিমুল হক, শুভাশিস চক্রবর্তী, শান্তনু সেন ও আবির বিশ্বাস। কংগ্রেসের প্রার্থী রয়েছেন আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। বাম প্রার্থী রবীন দেবের সঙ্গে তাঁর লড়াই। তবে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া বিধায়করা মনু সিংভিকে সমর্থন করায় তাঁর জয় নিয়েও সন্দেহ নেই বললেই চলে। তৃণমূলের নির্দেশেই এঁরা নিয়ম মেনে কংগ্রেস প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থনের ঘোষণা করেছিলেন। বেলা বারোটা নাগাদ তিনি বিধানসভায় চলে আসেন। বেলা এগারোটার মধ্যে কংগ্রেসের ৩২ জন বিধায়কই ভোট দিয়ে দেন। বিধানসভার ভিতরে বাম ও কংগ্রেস প্রার্থীকে পাশাপাশি বসে থাকতেও দেখা গিয়েছে। অন্যদিকে, দলের বিধায়কদের একটি ভোটও যাতে বেহাত না হয়, তাই বুথের ভিতর চার মন্ত্রী দায়িত্ব নিয়েছেন। এজেন্ট হিসাবে শাসকদলের হয়ে ছিলেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, ফিরহাদ হাকিম, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, অসীমা পাত্র। বেগুনি রঙের পেন দিয়েই ভোট দিতে হচ্ছে। পার্থবাবু বলেন, “বামেরা হারবে। রাজ্যে ওঁদের আর চিহ্ন থাকবে না।” অন্যদিকে, সিপিএম বিধায়ক সুজন চক্রবর্তীর মন্তব্য, “শাসকদলের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলবে। তেমনই বিধানসভায় কংগ্রেসের সঙ্গে ফ্লোর কো-অর্ডিনেশন রাখার চেষ্টা করা হবে।” এদিন বেলা বারোটার কিছু পরে ভোটের লাইনে দাঁড়াতে দেখা যায় বিজেপির দিলীপ ঘোষকে। তাঁদের দলের তো প্রার্থী নেই। তিনি আবার কেন? জল্পনা ছড়ায়। দিলীপবাবুর জবাব, “গণতন্ত্রে কাকে ভোট দেব বলতে নেই।”
[স্থায়ী হল না দাম্পত্য, অহনার অভিযোগে বধূ নির্যাতনের মামলা সিউড়ি আদালতে]
সর্বশেষ খবর
-
৩৩০০ কর্মী ছাঁটাই করবে উবের! চালকহীন গাড়ির পথেই হাঁটছে সংস্থা
-
কেক-বেলুনে ঋতিকার জন্মদিন পালন, সোশাল মিডিয়ায় হিরণের নতুন পোস্টে ফের চর্চায় বিয়ে বিতর্ক
-
‘রক্ত-শোক ভোলার নয়’, বিয়ের আসরে মার্কিন হামলার নিন্দায় ইরান, ‘নীরব বিশ্ব’কে তোপ
-
প্রশাসনিক ভবনে বিক্ষোভে ‘না’, নোটিস প্রত্যাহারের দাবিতে উত্তেজনা কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ে
-
‘সংখ্যালঘু স্বাধীনতা রক্ষায় ব্যর্থ’, মাদ্রাসার জন্য মন্দির ভাঙায় পাকিস্তানকে তোপ ভারতের