Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Pakistan

‘সংখ্যালঘু স্বাধীনতা রক্ষায় ব্যর্থ’, মাদ্রাসার জন্য মন্দির ভাঙায় পাকিস্তানকে তোপ ভারতের

মন্দিরটি ১০০ থেকে ১২৫ বছরের পুরনো। সম্প্রতি সেটিকে গুঁড়িয়ে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬, ২১:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬, ২১:৪৯

options
link
‘সংখ্যালঘু স্বাধীনতা রক্ষায় ব্যর্থ’, মাদ্রাসার জন্য মন্দির ভাঙায় পাকিস্তানকে তোপ ভারতের zoom
পাকিস্তানে ধ্বংস করা হল শতবর্ষ প্রাচীন মন্দির।
Advertisement

মাদ্রাসার জন্য জমি প্রয়োজন, এই অজুহাতে পাকিস্তানে ভাঙা হয়েছে শতবর্ষ প্রাচীন হিন্দু মন্দির। ওই ঘটনার তীব্র নিন্দা করল ভারত। এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে,এই ঘটনা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপাসনালয়ের ওপর উদ্বেগজনক হামলা। সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় ঐতিহ্য রক্ষায় প্রশাসনের ব্যর্থতার নিদর্শন।

লাহোর থেকে ১৩০ কিলোমিটার দূরে নারোয়াল জেলার সিরাজ গ্রামে ছিল মন্দিরটি। জানা যাচ্ছে, মন্দিরের পাশেই এক মাদ্রাসা ছিল। এই অবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে ওই মাদ্রাসার কট্টরপন্থীদের নজর ছিল মন্দিরটির উপর। সম্প্রতি মন্দিরটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়ে জমিটি মাদ্রাসার সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া হয়। মন্দিরটি ১০০ থেকে ১২৫ বছরের পুরনো। এবং ১০০০ বর্গমিটার জায়গাজুড়ে বিস্তৃত ছিল মন্দিরটি। দাবি করা হচ্ছে, নিষিদ্ধ উগ্রপন্থী ইসলামী সংগঠন তেহরিক-ই-লাব্বাইক পাকিস্তান (টিএলপি)-এর সঙ্গে যুক্ত। এই সংগঠনের সদস্যরাই মন্দিরটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই ঘটনায় মুখ খুলেছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। বিদেশের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, “পাকিস্তানের নারোওয়াল জেলার সিরাজ গ্রামে একটি ঐতিহাসিক হিন্দু মন্দির ধ্বংসের খবরটি আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করেছি। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শতবর্ষ প্রাচীন একটি উপাসনালয়ের ওপর চালানো, নিন্দনীয় ভাঙচুরের ঘটনাকে আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ধিক্কার জানাই।”

প্রশাসনিক ব্যর্থতা নিয়ে মুখে খুলেছেন জওসওয়াল। তিনি বলেন, “কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা এবং শতাব্দীপ্রাচীন মন্দির রক্ষায় ব্যর্থতা উদ্বেগজনক।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই ধরনের ঘটনা পাকিস্তানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অরক্ষিত অবস্থা এবং তাঁদের ধর্মীয় স্বাধীনতার উদ্বেগজনক পরিস্থিতিকেই তুলে ধরে।

উল্লেখ্য, পাকিস্তানে সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা নতুন কিছু নয়। যার জেরে দেশভাগের আগে সেখানে হিন্দুর সংখ্যা যেখানে ২৮ শতাংশ ছিল সেটাই কমে ২ শতাংশে ঠেকেছে। নিত্যদিন সেখানে হিন্দু মহিলা ও অল্পবয়সি কিশোরীদের অপহরণ ও ধর্মান্তরিত করার ঘটনা। অভিযোগ দায়ের করলে প্রশাসনের তরফে এর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা হয় না। উলটে চলে অত্যাচার।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.