রানাঘাট সন্ন্যাসিনী ধর্ষণে মূল অভিযুক্তর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

বাকিদের ১০ বছরের কারাদণ্ড, অনাদায়ে বাড়বে মেয়াদ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৯, ১৭:১৯

options
link
রানাঘাট সন্ন্যাসিনী ধর্ষণে মূল অভিযুক্তর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রানাঘাটে সন্ন্যাসীনি ধর্ষণ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত নজরুল ইসলাম ওরফে নজুকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের সাজা দিল নগর দায়রা আদালত। পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়েছে। বাকি চারজনের  ১০ বছরের কারাদণ্ডের সাজা দেওয়া হল। অন্যদিকে দোষীদের আশ্রয় দেওয়ার অপরাধে গোপাল সরকারকে সাত বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল আদালত।

Advertisement

গতকালই নগর দায়রা আদালতের বিচারক কুমকুম সিনহা এই ঘটনাকে নক্ক্যারজনক বলে ব্যাখ্যা করেন। জানান, নিবেদিতা, মাদার টেরেজার দেশে একজন সন্ন্যাসিনীর ধর্ষণ লজ্জাজনক। বিকৃত ও বেপরোয়া মানসিকতার ফল। এবং সে কারণে এই ঘটনা অন্য ঘটনার থেকে ভিন্ন। তবে এ ঘটনা গণধর্ষণের নয়। কেননা ধর্ষণে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে একজনই। তাই গণধর্ষণ থেকে একে ধর্ষণের আখ্যা দেয় আদালত। তবে অভিযুক্তদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়। ফলত পাঁচ বাংলাদেশীর কঠোর শাস্তি হতে পারে বলেই আঁচ করা হচ্ছিল।

Advertisement

[ নোট বাতিলের বর্ষপূর্তিতে সাফল্যের গান, মিষ্টি বিলি বিজেপির ]

Advertisement

আজ রায় ঘোষণার সময় সাহিত্য থেকে শুরু করে সামাজিক প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করে বিচারক বুঝিয়ে দেন এই মামলা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এরপরই রায় ঘোষণা করা হয়। মূল অভিযুক্ত নজরুল ইসলাম বা নজুর আমৃত্যু সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাহাত্তর বছরের বৃদ্ধা সন্ন্যাসিনীকে ধর্ষণে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিই দেওয়া হল। পাশাপাশি পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও পাঁচ বছর জেলের ঘানি টানতে হবে দোষীকে। পাশাপাশি এই ঘটনার সঙ্গে ডাকাতি ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রেরও অভিযোগ উঠেছিল। নজু বাদে বাকি চারজন দোষী সাব্যস্ত হয়েছিল ডাকাতিতে। এদের দশ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে এদের আশ্রয় দেওয়ার কারণে হাওড়ার বাসিন্দা গোপাল সরকারকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। প্রতি ক্ষেত্রেই জরিমানা অনাদায়ে বাড়বে সাজার মেয়াদ।

 চুরি হচ্ছে রাজ্যের মেয়েদের চুল, ফাঁস ‘চিনা চক্রান্ত’ ]

এদিকে এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে যাওয়ার কথাও জানিয়েছেন সাজাপ্রাপ্তদের আইনজীবী। মূল অভিযুক্ত নজরুল ইসলাম-সহ খালেদ উর রহমান, ওহিদুল ইসলাম, মিলন সরকার, সেলিম শেখ-এই পাঁচ দোষীই বাংলাদেশি। জানা যাচ্ছে, মিলন সরকার রীতিমতো শিক্ষিত পরিবারের। তার মেয়ে ঢাকায় এমবিবিএস-এর ছাত্রী। ডাকাতি এই পরিবারের কাছে একটা পেশা। আদালতের এই রায় বাংলাদেশের কাছে তাই খুব ভাল বিজ্ঞাপন হয়ে থাকল না।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.