বর্ষাবাদলার দিনে ঘরে ঢুকে পড়েছিল একটি সাপ। তাকে দেখে চিনতে পারেননি গৃহকর্তা। ভেবেছিলেন, স্বয়ং মনসা দেবী হয়তো তাঁর বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। আর তাই দুধ-কলা-ফুল দিয়ে দিয়ে পুজো করেছিলেন। কিন্তু যখন জানতে পারলেন, সাপটি বিষাক্ত কালাচ, যার এক ছোবলে ধীরে ধীরে শরীর বিষিয়ে মৃত্যুমুখে পড়তে হয়, তখন তাঁর থরহরিকম্প দশা! দ্রুত এলাকার সর্প বিশেষজ্ঞ এবং বনদপ্তরের কর্মীদের ডেকে সাপটিকে বের করে দেওয়া হয়। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িতে। বুধবার সকালে সাপটিকে উদ্ধার করে জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ধূপগুড়ির মাগুরমারি গ্রামে বাস কৃষ্ণগোপাল সরকারের। সেখানেই মঙ্গলবার রাতের দিকে ঢুকে পড়েছিল একটি সাপ। সেটি যে অত্যন্ত বিষাক্ত কালাচ, তা বুঝতেই পারেননি কৃষ্ণগোপালবাবু। বরং সেটিকে দাঁড়াশ সাপ ভেবে দুধ-কলা, ফুল দিয়ে পুজো করেন। পরে এক সর্পপ্রেমী যুবক কৃষ্ণগোপালবাবুর বাড়িতে আসার পর সাপটি দেখে রীতিমতো শিউরে ওঠেন। আরে! এ যে বিষাক্ত কালাচ। তাকেই নির্বিষ দাঁড়াশ ভেবে পুজো করে বসলেন গৃহকর্তা!
আরও পড়ুন:
উত্তরবঙ্গে বেশ কয়েকদিন ধরে হালকা থেকে ভারী বৃষ্টি চলছে। এসময় সাপের উপদ্রব হয়। তার সঙ্গে পরিচিত সেখানকার বাসিন্দারা। ধূপগুড়ির মাগুরমারি গ্রামে বাস কৃষ্ণগোপাল সরকারের। সেখানেই মঙ্গলবার রাতের দিকে ঢুকে পড়েছিল একটি সাপ। সেটি যে অত্যন্ত বিষাক্ত কালাচ, তা বুঝতেই পারেননি কৃষ্ণগোপালবাবু। বরং সেটিকে দাঁড়াশ সাপ ভেবে দুধ-কলা, ফুল দিয়ে পুজো করেন। আসলে সাপ ঘরে ঢুকে পড়াকে তিনি মনসাদেবীর আশীর্বাদ হিসেবে দেখেছিলেন। তাই এই পুজো। এরপর সেই ঘরেই রাত কাটিয়ে দেন। সাপও হয়ত ঝিমিয়ে পড়েছিল। সকালে জানাজানি হয় যে ওই বাড়িতে একটি সাপ ঢুকেছে। তা দেখতে গিয়ে সাপের নড়াচড়া দেখে সন্দেহ হয় প্রতিবেশীদের। সঙ্গে সঙ্গে খবর পাঠানো হয় এলাকার সর্পপ্রেমী যুবককে।
ভজন সাহা নামে ওই যুবক কৃষ্ণগোপালবাবুর বাড়িতে আসার পর সাপটি দেখে রীতিমতো শিউরে ওঠেন। আরে! এ যে বিষাক্ত কালাচ। তাকেই নির্বিষ দাঁড়াশ ভেবে পুজো করে বসলেন গৃহকর্তা! একথা শুনে ঘাবড়ে যান কৃষ্ণগোপালবাবু নিজেও। বারবার বলতে থাকেন, সারারাত তাঁর ঘরে ছিল সাপটি, যদি ছোবল দিত, তাহলে তো সাড়ে সর্বনাশ ঘটত! ভজন সাহা সাপটিকে উদ্ধার করার পর প্রায় সাড়ে চার ফুট লম্বা সরীসৃপটিকে জঙ্গলে ছেড়ে দেন। হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন বাড়ির মালিক ও পরিবারের সদস্যরা। বনদপ্তরের কর্মীরা জানান, সাপটি দীর্ঘ রাস্তা পেরিয়ে কিছুটা ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল। তাই আশ্রয়ের খোঁজে বাড়িতে ঢোকে। আপাতত সে সুস্থ রয়েছে। তবে বনকর্মীদের পরামর্শ, সন্ধ্যার পর বাড়ির বাইরে বেরতে হলে ভালোভাবে দেখেশুনে যেতে হবে, আলো অবশ্যই সঙ্গে রাখতে হবে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
সাংবিধানিক সংকট! বন্দে মাতরমে সরাসরি কেন্দ্রের সঙ্গে সংঘাত, দুই স্তবকই গাইবে কর্নাটকের কংগ্রেস সরকার
-
সিআইএ-র সতর্কবার্তা শোনেননি, নেতানিয়াহুর টোপ গিলেই ইরানে জোর ফেঁসেছেন ট্রাম্প!
-
বিশ্বজুড়ে বন্ধ মার্কিন ভিসা ইন্টারভিউ, ট্রাম্পের কড়া অভিবাসন নীতির জের?
-
আড়াই বছরের ‘রাজত্ব’ খোয়ালেন বুমরাহ, শ্রীলঙ্কায় আগ্রাসী ইনিংসের পুরস্কার পেলেন পন্থ
-
লক্ষ লক্ষ টাকার সোনার গয়না ট্রেনে ফেলেই নেমে গেলেন যাত্রী, তারপর?