অভ্রবরণ চট্টোপাধ্যায়, শিলিগুড়ি: একে একে পাঁচটি। সংসার বাড়ছে রেড পান্ডাদের (Red Panda)। দার্জিলিং (Darjeeling) চিড়িয়াখানায় আরও একটি রেড পান্ডার জন্ম দিল ইয়েশি। এই মরশুমে এ নিয়ে মোট ৫ শাবকের জন্ম দিল ইয়েশি-পাবু জুটি। নতুন শাবককে নিয়ে উচ্ছ্বসিত চিড়িয়াখানার কর্মী, আধিকারিকরা। শাবকটিকে অতি যত্নে আগলে রাখছেন তাঁরা।
দার্জিলিং চিড়িয়াখানা রেড পান্ডাদের অন্যতম প্রজনন (Breeding) ক্ষেত্র বলে পরিচিত। শুধু রাজ্য বা উত্তরপূর্ব ভারতে নয়, গোটা ভারতেই এই পরিচিতি রয়েছে বাংলার এই চিড়িয়াখানার। এখানে রেড পান্ডাদের সংরক্ষণও হয় সবচেয়ে ভালভাবে। আর অন্যান্য চিড়িয়াখানাও সদস্য হিসেবে রেড পান্ডাদের পেতে দার্জিলিং চিড়িয়াখানার উপর নির্ভর করে। সেদিক থেকে দেখতে গেলে রেড পান্ডাদের প্রজনন ও সংরক্ষণ নিয়ে পাহাড়ের এই চিড়িয়াখানার সাফল্য বেশ ভালই। সুনামও রয়েছে। রাজ্যের পক্ষেও এ এক গর্ব বটে।
[আরও পড়ুন: Shah Rukh Khan-এর সঙ্গে অভিনয়ের টোপ! নদিয়ার কিশোরীকে মুম্বইয়ে পাচার]
সেখানেই এক মরশুমে পাঁচ রেড পান্ডা শাবকের জন্ম রীতিমতো রেকর্ডের ব্যাপার। দার্জিলিং চিড়িয়াখানার ডিরেক্টর ধরমদেও জানাচ্ছেন, ”এক বছরে ৫টি রেড পান্ডার জন্ম খুবই আনন্দের বিষয়। জন্মদাত্রী ‘ইয়েশি’ এবং তার সদ্যোজাত সন্তান ভাল আছে। সেটাও আমাদের কাছে স্বস্তির খবর। দেশের সব চিড়িয়াখানার কো-অর্ডিনেটর আমরা। তাই রেড পান্ডার প্রজননের এই হার আমাদের বড় সাফল্য। আমাদের রাজ্যের পক্ষেও গর্বের বিষয়।” একটু বড় হলে হয়ত দার্জিলিং চিড়িয়াখানা থেকে রেড পান্ডারা চলে যাবে দেশের অন্যান্য চিড়িয়াখানায়। সযত্নে বড় করে তোলার পর এদের এভাবে চলে যাওয়ায় চিড়িয়াখানা কর্মীদের মনখারাপ হয় ঠিকই, তবে তাদের প্রতিপালিত শাবকরা অন্যত্র গিয়ে দর্শকদের মন কেড়ে নিক, এই ভাবনা খানিক আনন্দও দেয়। জানাচ্ছেন তাঁরা নিজেরাই।
[আরও পড়ুন: পরীক্ষা দিতে না পারার আক্ষেপ নিয়েই Higher Secondary-তে সর্বোচ্চ নম্বর রুমানা সুলতানার]
সর্বশেষ খবর
-
প্রথমবার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় কানাডা, ‘তোমরাই নায়ক’, ঐতিহাসিক জয়ে উচ্ছ্বসিত কোচ
-
৭০ লক্ষ টাকা ‘তোলাবাজি’, গ্রেপ্তার ফিরহাদ ‘ঘনিষ্ঠ’ প্রাক্তন কাউন্সিলর শামস ইকবাল
-
ট্রাম্পের রোষে কঙ্গোর সুপার ফ্যান! মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পেলেন না মিচেল
-
এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগ, পুলিশের দ্বারস্থ বধূ
-
‘খুব বাঁচা বেঁচেছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ’, রচনার সুরবদলের পরই কেন একথা বললেন মনোরঞ্জন?