RG Kar Case

‘জেলে ঢুকিয়ে ছাড়ব’, পদোন্নতি হতেই আর জি কর মামলার তদন্তকারী আধিকারিককে হুঁশিয়ারি অভয়ার মায়ের

পদোন্নতি হওয়ায় পুলিশ সুপার হলেন সীমা। দিল্লির স্পেশাল ক্রাইম ব্রাঞ্চ (১)-এ বদলি করা হয়েছে তাঁকে। পদোন্নতি হলেও আর জি কর মামলার তদন্তভার তাঁর হাতেই থাকছে।

অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬, ১২:২২

options
link
‘জেলে ঢুকিয়ে ছাড়ব’, পদোন্নতি হতেই আর জি কর মামলার তদন্তকারী আধিকারিককে হুঁশিয়ারি অভয়ার মায়ের
প্রতীকী ছবি।

আর জি করের (RG Kar) তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুন কাণ্ডে বারবার প্রশ্নের মুখে পড়েছে সিবিআইয়ের ভূমিকা। আর তারই মাঝে এই মামলারই তদন্তকারী আধিকারিক সীমা পাহুজার পদোন্নতি। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে ছিলেন তিনি। পদোন্নতি হওয়ায় পুলিশ সুপার হলেন সীমা। দিল্লির স্পেশাল ক্রাইম ব্রাঞ্চ (১)-এ বদলি করা হয়েছে তাঁকে। পদোন্নতি হলেও আর জি কর মামলার (RG Kar Case) তদন্তভার তাঁর হাতেই থাকছে। আর এই পদোন্নতির খবর পেয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন অভয়ার মা।

Advertisement

তাঁর দাবি, সীমা পাহুজা মোটেও ভালোভাবে তদন্ত করেননি। তদন্ত এতটাই গাফিলতি করেছেন যে আসল সত্য এখনও সামনে আসেনি। তদন্তকারী আধিকারিক খাতায় কলমে হলেও, তিনি এই মামলার তদন্ত নিজে করেননি বলেও বিস্ফোরক দাবি নির্যাতিতার মায়ের। তাঁর আরও অভিযোগ, তদন্তকারী অফিসার নাকি নির্যাতিতার বাবা-মায়ের সঙ্গে কোনও যোগাযোগই রাখেন না।

Advertisement

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে ছিলেন সীমা। পদোন্নতি হওয়ায় পুলিশ সুপার হলেন। দিল্লির স্পেশাল ক্রাইম ব্রাঞ্চ (১)-এ বদলি করা হয়েছে তাঁকে। পদোন্নতি হলেও আর জি কর মামলার তদন্তভার তাঁর হাতেই থাকছে।

হুঁশিয়ারির সুরে অভয়ার মা বলেন, “আমি সীমা পাহুজা ম্যাডামকে জেলে ঢুকিয়ে ছাড়ব। উনি এতদিন যা তদন্ত করেছেন, তাতে জেল হওয়া উচিত। কেসটা আরও একটু এগোলে ওঁর বিরুদ্ধে মামলা করব। আমরা যদি আসল অপরাধীদের খুঁজে বার করতে পারি, তাহলে ওঁকে জেলে পাঠাব।” নির্যাতিতার মায়ের বিস্ফোরক দাবি, “সীমা পাহুজা নিজে কোনও তদন্ত করেননি। আদতে পুলিশ যা বলেছে তাতেই সিলমোহর দিয়েছেন। তাহলে উনি এই মামলাটি হাতে নিলেন কেন? উনি আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন না। কোনও তদন্তই করেননি।”

Advertisement

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে চর্চায় আর জি কর। তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগের প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছিল গোটা বাংলা। তবে তিনমাসের মাথায় এই ঘটনায় জামিন পেয়েছেন আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ ও টালা থানার ওসি অভিজিৎ মণ্ডল। কারণ হিসেবে জানা গিয়েছে, চার্জশিট পেশ করতে পারেনি সিবিআই। এর পরই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। এক সময়ে সিবিআই তদন্তের আবেদনে হাই কোর্টে গিয়েছিলেন নির্যাতিতার বাবা-মা। এখন আবার তাঁরাই সিবিআই তদন্তে অনাস্থা দেখাচ্ছেন। যা নিয়ে কাটাছেঁড়া কম হয়নি। শেষমেশ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছেও চিঠি লেখেন নির্যাতিতার বাবা-মা। তবে তারপরেও সিবিআই আধিকারিকের পদোন্নতিতে যে নয়া বিতর্ক মাথাচাড়া দিল, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.