Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
Arjun Singh

সিগনাল ভাঙলেই এআইয়ের সাহায্যে কড়া ব্যবস্থা, হুঁশিয়ারি মন্ত্রী অর্জুনের

অর্জুন সিং জানান, কলকাতার পাশাপাশি সংলগ্ন এলাকাতেও প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি চালু হচ্ছে।

অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০২৬, ২২:৪১

link
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০২৬, ২২:৪১

options
link
সিগনাল ভাঙলেই এআইয়ের সাহায্যে কড়া ব্যবস্থা, হুঁশিয়ারি মন্ত্রী অর্জুনের zoom
অর্জুন সিং। ফাইল ছবি
Advertisement

সিগনাল ভাঙা থেকে রেজিস্ট্রেশনহীন গাড়ি, ভুল নম্বর কিংবা দেশের অন্য প্রান্তে চুরি যাওয়া গাড়ি – এবার এআইয়ের নজর এড়ানো কঠিন। সিগনালের ক্যামেরায় ধরা পড়লেই তথ্য পৌঁছে যাবে কন্ট্রোল রুমে। সেখান থেকেই হবে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা। রাজ্য সরকারের ১০০ দিনের কাজের খতিয়ান তুলে ধরতে বুধবার নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনই একগুচ্ছ ঘোষণা করলেন শ্রম ও পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং। কলকাতার পাশাপাশি সংলগ্ন এলাকাতেও প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি চালু হচ্ছে। ইতিমধ্যেই কন্ট্রোল রুম চালু হয়েছে। ক্যামেরায় ধরা পড়া গাড়ির নম্বরের সঙ্গে তথ্য মিলিয়ে দেখা হবে। রেজিস্ট্রেশন না থাকলে, ভুল নম্বর ব্যবহার করলে বা চুরি যাওয়া গাড়ির নম্বর হলে তাৎক্ষণিকভাবে ধরা পড়বে।

অর্জুনের কথায়, “কোনও অপরাধী বা দু’নম্বরি গাড়ি যাতে পার না পায়, তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।” তাঁর আরও দাবি, “সেখান থেকে কন্ট্রোল রুমে ফিডব্যাক যাবে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবস্থা হবে। কোনও ম্যানুয়াল ব্যবস্থা থাকবে না।” রাস্তায় থাকা এমভিআই ও আরটিওদেরও বডি ক্যামেরার আওতায় আনা হচ্ছে।।একই প্রযুক্তিনির্ভর কড়াকড়ি বেআইনি পুলকারেও। রেজিস্ট্রেশনহীন, কর না দেওয়া বা ১৫ বছরের বেশি পুরনো পুলকার বন্ধে স্কুলগুলিকে চিঠি পাঠানো হচ্ছে। এমন গাড়ি না চালানোর জন্য এক মাস সময় দেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনায় পড়ুয়া ও চালক দু’পক্ষেরই ঝুঁকি থাকায় অর্জুনের বার্তা, “এই ধরনের পুলকার বন্ধ করতে হবে।” রেজিস্ট্রেশনহীন গাড়ি নিয়েও বড়সড় অভিযান চলছে। তাঁর হিসাব অনুযায়ী, সরকার ক্ষমতায় আসার সময় রাজ্যে এমন গাড়ি ছিল প্রায় ২৭ লক্ষ। ইতিমধ্যে ১৬ থেকে ১৭ লক্ষকে রেজিস্ট্রেশন ও করের আওতায় আনা হয়েছে। টোটোর ক্ষেত্রেও বদলের পথে পরিবহণ দপ্তর। মিউনিসিপ্যালিটির রেজিস্ট্রেশনকে বেআইনি দাবি করে টোটোর বদলে সীমিত সংখ্যায় ই-রিকশা নামানোর পরিকল্পনা রয়েছে। মেন রোডে টোটো চলবে না। প্রতিটি বিধানসভায় নির্দিষ্ট সংখ্যায় পারমিট দিয়ে অটো এবং ৮ থেকে ১২ আসনের ছোট গাড়ি চালানোর ভাবনাও রয়েছে।

Advertisement

নজরদারির পাশাপাশি যাত্রী পরিষেবায়ও জোর। দুর্গাপুজোর মধ্যে ৬০০টি নতুন বাস নামানোর লক্ষ্য। সিএনজি ও বৈদ্যুতিক বাস মিলিয়ে আগামী মার্চের মধ্যে সংখ্যা প্রায় ১,০০০ করার পরিকল্পনা। জলপথকেও পরিবহণ ব্যবস্থার সঙ্গে জুড়তে নবদ্বীপ থেকে কলকাতা-সহ বিভিন্ন গন্তব্যে জল-ট্যাক্সি চালানোর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শ্রমক্ষেত্রেও এসেছে একাধিক ঘোষণা। মুর্শিদাবাদে বিড়ি শ্রমিকদের জন্য বড় ইএসআইসি হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজ তৈরির ছাড়পত্র মিলেছে। ১৫টি জুটমিলের মধ্যে ১১টি খুলেছে, বাকি চারটিও খোলার চেষ্টা চলছে। বন্ধ চা-বাগান খোলার উদ্যোগও চলছে। দক্ষ শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৪০৬ টাকা করা হয়েছে। চুক্তিভিত্তিক কাজে পিএফ, ইএসআই ও গ্র্যাচুইটি নথিভুক্ত করাও বাধ্যতামূলক। আর দুর্নীতির প্রশ্নে কড়া অবস্থানের বার্তা। চারজন আরটিওকে সাসপেন্ড এবং দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করেন অর্জুন। তাঁর স্পষ্ট ঘোষণা, “জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে এই নীতি বজায় থাকবে।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.