Bardhaman

মাংসের পর এবার পচা পনির, আইসক্রিমেও বিষ! বর্ধমানে অভিযান চালিয়ে বাজেয়াপ্ত ‘ভেজাল’ ঘি

বর্ধমানের সীতাভোগ, মিহিদানা-সহ অন্যান্য মিষ্টিতে কি ব্যবহার করা হচ্ছে ভেজাল ঘি? বুধবার বর্ধমান শহরের কয়েকটি মিষ্টির দোকান, কারখানায় অভিযান চালিয়ে এমনই হাল দেখা গিয়েছে।

সৌরভ মাজি
সৌরভ মাজি

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬, ১৬:১৮

options
link
মাংসের পর এবার পচা পনির, আইসক্রিমেও বিষ! বর্ধমানে অভিযান চালিয়ে বাজেয়াপ্ত ‘ভেজাল’ ঘি
২ সেপ্টেম্বর, বুধবার। বর্ধমানে মিষ্টির দোকানে পাওয়া গেল এরকমই কালো পনির। নিজস্ব ছবি।

পচা মাংসের পর এবার কালো হয়ে যাওয়া ‘পচা’ পনির বাজেয়াপ্ত করল খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর। এছাড়াও দোকানে রয়েছে মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার। কারখানার অনুমতি নেই। সীতাভোগ, মিহিদানা-সহ অন্যান্য মিষ্টান্ন তৈরিতে ব্যবহৃত ঘিয়ের গুণগত মান নিয়েও উঠল প্রশ্ন। বুধবার বর্ধমান (Bardhaman) শহরের কয়েকটি মিষ্টির দোকান, কারখানায় অভিযান চালিয়ে এমনই হাল দেখা গিয়েছে। প্রচুর পরিমাণে পচা পনির বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। মেয়াদ উত্তীর্ণ আইসক্রিম নষ্ট করা হয়েছে। অনুমতি না থাকায় একটি কারখানা বন্ধ করেছে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর।

Advertisement

মঙ্গলবার থেকে জেলাজুড়ে অভিযান শুরু করেছে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর। ওইদিন শক্তিগড়ের ল্যাংচা হাব বলে পরিচিত আমড়ায় ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারের দোকান, ধাবা, রেস্তরাঁয় হানা দেয় খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা। ম্যানুফ্যাকচারিং ডেট উল্লেখ না থাকা খাবার তৈরির উপকরণের বেশ কিছু প্যাকেট উদ্ধার করে তা নষ্ট করা হয়। বুধবার সকাল থেকে বর্ধমান শহরের বিভিন্ন নামী মিষ্টান্ন প্রতিষ্ঠানে হানা দেয় খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর। সঙ্গে পুলিশ ও প্রশাসনিক আধিকারিকরাও ছিলেন। এদিন সীতাভোগ মিহিদানার জন্য বিখ্যাত দোকানে হানা দিয়ে চক্ষুচড়ক গাছ খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের কর্তাদের। দোকানের ফ্রিজে রাখা পনির কালো হয়ে গিয়েছে, জমেছে ফাঙ্গাস। আরও একটি নামী মিষ্টির দোকানেও পচে যাওয়া পনির মিলেছে। সব মিলিয়ে প্রায় ২০ কেজি পনির বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এছাড়াও অভিযানে মেয়াদ উত্তীর্ণ প্রচুর আইসক্রিম মিলেছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মিষ্টান্ন তৈরিতে ব্যবহৃত ঘিয়ের গুণগত মান নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর। নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হচ্ছে। দোকানগুলির পর গোডাউন ও কারখানাতেও হানা দেন আধিকারিকরা। একটি মিষ্টান্ন তৈরির কারখানার প্রয়োজনীয় অনুমতি না থাকায় তা সিল করা হয়েছে। একটি দোকানের কর্ণধার দিলীপ ভগৎ নিজেদের গাফিলতির কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। তিনি বলেন, “কলো হয়ে যাওয়া পনির পাওয়া গিয়েছে।‌ নজরদারির অভাবে তা থেকে গিয়েছিল। তবে অন্যান্য উপকরণে তেমন কিছু গাফিলতি পাননি আধিকারিকরা। আমরা আরও সতর্ক থাকবো।” উল্লেখ্য, মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের অভিযানে রাজ্যের একাধিক রেস্তরাঁ থেকে পচা মাংস বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এবার পচা পনির বাজেয়াপ্ত করলেন আধিকারিকরা। 

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.