সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্কুটি চালানো শিখতে গিয়ে মৃত্যুর মুখে নবম শ্রেণীর এক ছাত্রী। দুর্ঘটনায় আহত আরেক ছাত্রী। দু’জনই উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ার বাণীপুর বাণী নিকেতনের ছাত্রী বলে জানা গিয়েছে। ছাত্রীর মৃত্যুতে শোকের ছায়া পরিবারে।
ঘটনা বৃহস্পতিবার সন্ধেবেলার। পরিবার সূত্রে খবর, হাবড়া থানা এলাকার পৃথিবা পঞ্চায়েতে যশুরের বাসিন্দা নবম শ্রেণির ছাত্রী ববি দে-কে নতুন স্কুটি দেখাতে এসেছিল তার বান্ধবী অঙ্কিতা সরকার। এরপর নতুন স্কুটিতে বান্ধবী ববিকে চড়িয়ে ঘুরিয়ে নিয়ে আসার প্রস্তাব দেয় অঙ্কিতা। ববি খুব খুশি মনে তাতে রাজি হয়। এরপর দুই বান্ধবী স্কুটি নিয়ে বদর বেড়াচাঁপা রোডের দিকে যায়। চালকের আসনে ছিল অঙ্কিতা। পিছনে বসে ছিল ববি। সে স্কুটি চালানো শিখতে যায় বলে অঙ্কিতাকে জানায়। অঙ্কিতাও সদ্যই শিখেছে স্কুটি চালানো। এদিন পিছনে বান্ধবীকে বসিয়ে স্কুটিটি চালাতে গিয়ে আচমকা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি পাঁচিলে ধাক্কা মারে অঙ্কিতা। দু’জনেই স্কুটি থেকে পড়ে যায়।
[আরও পড়ুন: নজির গড়ল বাংলা, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় দেশের মধ্যে প্রথম হরিণঘাটা ব্লক]
স্থানীয় বাসিন্দারা দু’জনকে উদ্ধার করে হাবড়া হাসপাতালে নিয়ে যায়। তারা গুরুতর আহত হওয়ায় ববিকে আর জি কর হাসপাতালে এবং অঙ্কিতাকে বারাসতে রেফার করা হয়। আর জি করে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয় ববির। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আহত অঙ্কিতা ভরতি বারাসত হাসপাতালে। বান্ধবীর সঙ্গে স্কুটি চড়তে গিয়ে এমন মেয়ের এমন মর্মান্তিক পরিণতি কিছুতেই যেন বিশ্বাস করতে পারছে না ববির পরিবার। প্রশ্ন উঠছে, নিজে ভালভাবে স্কুটি না শিখে কেন বান্ধবীকে নিয়ে বেড়াতে গেল অঙ্কিতা। যদিও তারও শারীরিক পরিস্থিতি বিশেষ ভাল নয় বলেও হাসপাতাল সূত্রে খবর।ববির এমন পরিণতিতে শোকগ্রস্ত সহপাঠী, শিক্ষিকারাও।
[আরও পড়ুন: ‘দিদিকে বলো’র ধাঁচে জনসংযোগে ডিএফও, পার্কের হাল জানতে পর্যটকদের সঙ্গে সরাসরি কথা]
সর্বশেষ খবর
-
ডিএমকের সঙ্গ ছাড়ল আরও এক জোটসঙ্গী, ‘নিঃসঙ্গ’ স্ট্যালিন কি এবার বিজেপির সঙ্গী?
-
যুদ্ধের রক্তচক্ষু-রাজনীতিতে বারবার প্রভাবিত বিশ্বকাপ! তবু জিতে গিয়েছে ফুটবল
-
পালিয়েও বাঁচলেন না, বাড়ি ফিরতেই তৃণমূল নেতাকে জুতোপেটা মহিলাদের! ভাইরাল ভিডিও
-
এবার সিনেপর্দায় জুবিনের স্মৃতিচারণ, জীবনীচিত্রতে অভিনয়ে টলিপাড়ার কোন কোন বাঙালি?
-
অভিন্ন দেওয়ানি বিধির উদ্দেশ্য সন্তানসংখ্যা নির্ধারণ? বিভ্রান্তি দূর করলেন শমীক ভট্টাচার্য