Sodepur

নৃশংস! গরম দুধের বালতিতে কর্মীর মুখ চুবিয়ে অত্যাচারের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২

সোদপুরে এই ঘটনায় প্রতিবাদে সরব স্থানীয় বাসিন্দারাও। তদন্তে ঘোলা থানার পুলিশ।

অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৩, ২০২৬, ১৯:৫১

options
link
নৃশংস! গরম দুধের বালতিতে কর্মীর মুখ চুবিয়ে অত্যাচারের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২
সামান্য বচসা থেকে গরম দুধের বালতিতে মুখ চুবিয়ে কর্মীকে অত্যাচার! গ্রেপ্তার ২। অলংকরণ: অরিত্র দেব

মধ্যযুগীয় বর্বরতার নজির সোদপুরে! কাজের দোকানে সামান্য বচসা থেকে নারকীয় শাস্তি! গরম দুধের বালতিতে কর্মীর মুখ চুবিয়ে অত্যাচারের অভিযোগ দোকান মালিকের বিরুদ্ধে। সোমবার সোদপুরের (Sodepur) কালীতলার এক মিষ্টির দোকানের ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে দোকান মালিক বাবা-ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছ ঘোলা থানার পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্ত।

Advertisement

কালীতলায় অমল ঘোষ ও আলয় ঘোষের একটি মিষ্টির দোকান রয়েছে। তাঁরা সম্পর্কে বাবা-ছেলে। তাঁদের দোকানে কাজ করেন সঞ্জীব পাল নামে এক কর্মচারী। সোমবার কাজ নিয়ে তাঁর সঙ্গে মালিকের সামান্য বচসা হয়। অভিযোগ, সঞ্জীব পালকে প্রথমে মারধর করা হয়। এরপর গরম দুধ ভরা পাত্রে তাঁর মুখ চুবিয়ে চলে অত্যাচার। 

ঠিক কী ঘটেছিল? জানা যাচ্ছে, কালীতলায় অমল ঘোষ ও আলয় ঘোষের একটি মিষ্টির দোকান রয়েছে। তাঁরা সম্পর্কে বাবা-ছেলে। তাঁদের দোকানে কাজ করেন সঞ্জীব পাল নামে এক কর্মচারী। সোমবার কাজ নিয়ে তাঁর সঙ্গে মালিকের সামান্য বচসা হয়। অভিযোগ, সঞ্জীব পালকে প্রথমে মারধর করা হয়। এরপর গরম দুধ ভরা পাত্রে তাঁর মুখ চুবিয়ে চলে অত্যাচার। এই দৃশ্য দেখে প্রতিবাদে সরব হন স্থানীয়রা। অভিযোগ, তাঁদের উপর চড়াও হন দোকান মালিক। খবর পেয়ে ঘোলা থানার পুলিশ পৌঁছে অভিযুক্ত অমল ঘোষ ও তাঁর ছেলে আলয়কে গ্রেপ্তার করে। এক প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, “তর্কাতর্কির পর বাবা ও ছেলে মিলে ওই কারিগরের মুখ গরম দুধের কাছে নিয়ে গিয়ে চুবিয়ে দেয়। এই ঘটনায় সে মারা যেতে পারত।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কিন্তু ধৃতদের পুলিশ নিয়ে যাওয়ার সময় উত্তেজিত জনতা তাঁদের পুলিশের হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়ে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। ফলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তা সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে। পরে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় অভিযুক্তদের। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কর্মচারী সঞ্জীব পাল। তিনি বলেন, “একটা ভুল হয়েছিল। সেই কারণেই আমাকে মারধর করা হয়। গরম দুধে ভরা বালতিতে আমার মুখ চুবিয়ে দেওয়া হয়। এতে আমার মুখ পুড়ে গিয়েছে।” তাঁর স্ত্রীর অভিযোগ, “আমার স্বামীর শরীরও পুড়ে গিয়েছে। তারপরও বলা হচ্ছে, কিছু হয়নি। আমরা এর শাস্তি চাই।” এহেন নারকীয় অত্যাচারে দোকান মালিকদের মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.