Antartica

আন্টার্কটিকার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ জয় সিকিমের মনিতার, ওড়ালেন তেরঙ্গা

মাইনাস ৩১ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড ঠান্ডাকে ডোন্ট কেয়ার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫, ২১:৪৪

options
link
আন্টার্কটিকার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ জয় সিকিমের মনিতার,  ওড়ালেন তেরঙ্গা

বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য, শিলিগুড়ি: আন্টার্কটিকার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট ভিনসন ম্যাসিফ জয় করলেন সিকিমের পর্বতারোহী মনিতা প্রধান। ওড়ালেন তেরঙ্গা। মাইনাস ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা, তীক্ষ্ণ হিমেল বাতাসের ঝাপটা এবং বিপজ্জনক খাড়া বরফের ঢাল উপেক্ষা করে মনিতার এই বেনজির অভিযান। এর আগে তিনি বিশ্বের সাতটি শৃঙ্গের মধ্যে ছয়টি জয় করেছেন। বাকি রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট কোসিউসকো।

Advertisement

মনিতার লক্ষ্য ‘প্রজেক্ট সেভেন সামিটস’। বিশ্বের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ ছুয়ে দেখা। মাউন্ট ভিনসন ম্যাসিফ অভিযান ছিল ষষ্ঠ সর্বোচ্চ শৃঙ্গে পদার্পন। ১২ ডিসেম্বর ওই পর্বত শৃঙ্গে পা রাখেন। এখন হাতে রইলো অস্ট্রেলিয়ার শেষ শৃঙ্গ মাউন্ট কোসিউসকো। মনিতা ১ ডিসেম্বর সিকিমের গ্যাংটক থেকে যাত্রা শুরু করেন আন্টার্কটিকার উদ্দেশ্যে। সমুদ্রযাত্রায় যাত্রা করেন। তার রুটে নিউইয়র্কের মধ্য দিয়ে ট্রানজিট ছিল। ৪ ডিসেম্বর চিলির পুন্তা অ্যারেনাসে পৌঁছান। আন্টার্কটিক অবস্থার পরিবেশগত এবং আবহাওয়ার খাপ খাইয়ে নিতে পুন্তা অ্যারেনাসে দু’দিন থাকেন। এরপর অভিযানকারী দলটি আন্টার্কটিক ঘাঁটি ইউনিয়ন হিমবাহ ক্যাম্পে উড়ে যায়। সেখান থেকে মাউন্ট ভিনসন বেস ক্যাম্পে চলে যান। ১০ ডিসেম্বর বেস ক্যাম্প থেকে চূড়ায় অভিযান শুরু করেন। তাপমাত্রা ছিল মাইনাস ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সঙ্গে ছিল তীক্ষ্ণ ফলার মতো বাতাসের ঝাপটা এবং খাড়া বরফের ঢাল। কিন্তু মনিতা অসাধারণ ধৈর্য ও সংকল্প নিয়ে এগিয়ে চলেন। বিশ্বের শীতলতম মহাদেশে কয়েকদিন কঠোর লড়াই করে তিনি ১২ ডিসেম্বর ভারতীয় সময় রাত ৮টা ৩০ মিনিটে মাউন্ট ভিনসন ম্যাসিফ জয় করে তেরঙ্গা উড়িয়ে দেন। এমন সংকল্প তার মাতৃভূমির প্রতি গভীর শ্রদ্ধাকে প্রতিফলিত করেছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

Sikkim's Monita conquers Antarctica's highest peak

Advertisement

মনিতা প্রধানের মাউন্ট ভিনসন ম্যাসিফে সফল অভিযানকে সিকিম এবং ভারতীয় পর্বতারোহণের ইতিহাসে গর্বের অধ্যায় বলেই মনে করছেন হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইন্সটিটিউটের অধ্যক্ষ রজনীশ যোশী। তিনি বলেন, “মনিতার সাহস, দৃঢ়তা এবং অটল নিষ্ঠা পর্বতারোহীদের, বিশেষ করে তরুণীদের, স্বপ্নপূরণ এবং ধৈর্যের সীমাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে অনুপ্রাণিত করবে। মনিতার কৃতিত্ব অনুপ্রেরণার আলোকবর্তিকা। সিকিম এবং জাতির দুঃসাহসিক চেতনার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি।” পর্বতারোহীরা অস্ট্রেলিয়ায় তার অসাধারণ পর্বতারোহণ মিশন সম্পন্ন করার দিকে তাকিয়ে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.