Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Ram Mandir Theft

চুরিতে সাহায্য! রাম মন্দির কাণ্ডে এবার নজরে ব্যাঙ্কও, কতটা গভীরে শিকড়?

রাম মন্দিরে চুরি কাণ্ডে তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই যেন বাড়ছে রহস্য। চুরির টাকা কী কোনওভাবে ব্যাঙ্কের মাধ্যমে অন্যত্র গিয়েছে? মন্দিরের ট্রাস্টের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কী অন্যত্র সাইফন করা হয়েছে?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩০, ২০২৬, ১৯:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩০, ২০২৬, ১৯:৩৫

options
link
চুরিতে সাহায্য! রাম মন্দির কাণ্ডে এবার নজরে ব্যাঙ্কও, কতটা গভীরে শিকড়? zoom
বিতর্কের মাঝেই বৈঠকে বসতে চলেছে রাম মন্দির ট্রাস্ট।
Advertisement

রাম মন্দিরে চুরি কাণ্ডে তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই যেন বাড়ছে রহস্য। চুরির টাকা কী কোনওভাবে ব্যাঙ্কের মাধ্যমে অন্যত্র গিয়েছে? মন্দিরের ট্রাস্টের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কী অন্যত্র সাইফন করা হয়েছে? এবার উত্তরপ্রদেশ সরকারের গড়া সিটের নজরে ব্যাঙ্কও।

সূত্রের খবর, রাম মন্দিরের ট্রাস্টের অ্যাকাউন্ট এবং লেনদেন সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ব্যাঙ্ক অফ বরোদার অযোধ্যা শাখাকে নোটিস দিয়েছে সিট। প্রাথমিকভাবে যা জানা যাচ্ছে, তাতে রাম মন্দিরে অনলাইনে যা দান বা চাঁদা জমা পড়ত, সবটাই জমা করা হত ব্যাঙ্ক অফ বরোদার অ্যাকাউন্টে। অথচ হিসাব বলছে, দিনে বড়জোড় ১ থেকে দেড় কোটি টাকা ব্যাঙ্ক অফ বরোদার অ্যাকাউন্টে জমা পড়ত। কোনও বিশেষ দিন হলে সেটা বেড়ে হত ৪-৫ কোটি। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে সব মিলিয়ে ৩২৭ কোটি টাকা জমা পড়েছে ব্যাঙ্ক অফ বরোদার অযোধ্যা শাখার অ্যাকাউন্টে। যার অর্ধেকের বেশিই আবার সুদ।

Advertisement

তাৎপর্যপূর্ণভাবে ব্যাঙ্কের ওই শাখাতেই আবার ট্রাস্টের সঙ্গে যুক্ত এবং মন্দিরের অনুদান সংক্রান্ত হিসাব নিকাশের সঙ্গে যুক্ত অনেকের অ্যাকাউন্ট রয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম খোদ ট্রাস্টের প্রধান চম্পত রাই। চম্পতের অ্যাকাউন্টটি দিল্লি থেকে অযোধ্যায় ট্রান্সফার করা। ওই অ্যাকাউন্টে অবশ্য বেশি টাকা নেই। তবেঁ চম্পত রাইয়ের চালক-যে কিনা চুরির দায়ে গ্রেপ্তার হয়েছে ব্যাঙ্ক অফ বরোদায় তাঁর অ্যাকাউন্টে বেশ কিছু সন্দেহজনক লেনদেনের হিসাব মিলেছে।

রাম মন্দিরে চুরির ঘটনায় সিটের রিপোর্টে উঠে এসেছে, রাম মন্দিরে নগদ প্রণামী জমা পড়েছে ৩,৫০০ কোটি টাকারও বেশি, সঙ্গে অগণিত সোনা-রুপোর গয়না৷ এই ধনরাশির একটা বড় অংশের কোনও হদিশ মিলছে না৷ নগদ টাকা এবং গয়নার পাশাপাশি মন্দিরের হেফাজত থেকে গায়েব দানে পাওয়া রুপোর তৈরি ভূষূণ্ডির কাকও। তদন্ত চলাকালীন আরও জানা গিয়েছে, ট্রাস্টের একাধিক শীর্ষকর্তা জানতেন মন্দিরের অনুদান চুরির বিষয়টি। কিন্তু পুলিশে কেন অভিযোগ দায়ের হল না? তাহলে কি চুরির ঘটনা আড়াল করতে চাইছিল মন্দির কর্তৃপক্ষ? কার স্বার্থে বা কাকে বাঁচাতে অভিযোগ দায়ের হয়নি? সূত্রের খবর, অনুদান গোনার কর্মীদের বদলাতে চেয়েছিল ব্যাঙ্ক। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। এখানেই প্রশ্ন রাঘব বোয়ালরা আড়ালে থেকে যাচ্ছেন না তো? আপাতত সেই প্রশ্নের উত্তরই খুঁজছেন তদন্তকারীরা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.