SIR in West Bengal

নাম নেই ভোটার তালিকায়, ট্রাইব্যুনালেও মেলেনি সুরাহা, রাষ্ট্রপতিকে চিঠি প্রাক্তন এসইউসিআই সাংসদের

আগামী ২৯ তারিখ, দ্বিতীয় দফায় জয়নগরে ভোট। তার আগে নিজের নামের নিষ্পত্তি চান তরুণ মণ্ডল।

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২২, ২০২৬, ১৯:১৬

options
link
নাম নেই ভোটার তালিকায়, ট্রাইব্যুনালেও মেলেনি সুরাহা, রাষ্ট্রপতিকে চিঠি প্রাক্তন এসইউসিআই সাংসদের
ভোটার তালিকায় নাম বাদ পড়ায় এবার রাষ্ট্রপতিকে চিঠি প্রাক্তন এসইউসিআই সাংসদের।

ছিলেন একাধিকবারের সাংসদ। অথচ ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআরের পর তাঁর নাম বিচারাধীন ছিল। ট্রাইব্যুনালের বিচারেও জয়নগরের প্রাক্তন এসইউসিআই সাংসদ তরুণ মণ্ডলের নাম চলে গিয়েছিল বাতিলের তালিকায়। এরপর রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক থেকে শুরু করে কলকাতা হাই কোর্ট, একাধিক জায়গায় সমাধান চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছিলেন, যাতে তাঁর নাম ওঠে ভোটার তালিকায়। কিন্তু সেই চিঠি গুরুত্ব পায়নি। এবার তাই সোজা রাষ্ট্রপতির দরবারে চিঠি লিখলেন তরুণ মণ্ডল। তাঁর দাবি, একজন প্রাক্তন জনপ্রতিনিধির প্রতি এতটা উদাসীনতা থাকলে, সাধারণ মানুষ কীভাবে সুরাহা আশা করবেন?

Advertisement

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআরের পর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হয়। তাতে দেখা যায়, প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম বিচারাধীন। তার মধ্যে রয়েছে জয়নগরের প্রাক্তন সাংসদ তরুণ মণ্ডলের নামও। একজন জনপ্রতিনিধির নাম কেন বিচারাধীন তালিকায়, তা নিয়ে যথেষ্ট সমালোচনা হয়। এরপর আইনি পথে নিষ্পত্তি হওয়ার আশা থাকলেও দেখা যায়, ট্রাইব্যুনালে তরুণ মণ্ডলের নাম বাতিল। সেটা ছিল মার্চ মাস। এরপর তরুণ মণ্ডল সিইও মনোজ আগরওয়াল, কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি এবং লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি লিখে নাম তোলার আবেদন জানান। কিন্তু তাতে সুরাহা মেলেনি।

Advertisement

এরপরই তিনি রাষ্ট্রপতিকে চিঠি লিখে তিনি জানান, ”স্পিড পোস্ট ও ইমেলে দু’দিনে ভারতের রাষ্ট্রপতি, চিফ জাস্টিস, চিফ ইলেকশন কমিশনার, প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে নথিপত্র-সহ চিঠি পাঠানো হয় দ্রুত নিষ্পত্তি চেয়ে। শুধুমাত্র ‘রাষ্ট্রপতির সেক্রেটারিয়েট’ থেকে আজ আমার আবেদনের প্রাপ্তি স্বীকার করে জানানো হয়েছে যে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে আমার আবেদনপত্র পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে যথোপযুক্ত মনোযোগের জন্য। উল্লেখ্য অনলাইনে ‘ট্রাইব্যুনালে’ গত ২৯ মার্চ আপিল করা সত্ত্বেও এখনও কোনও বিচার মেলেনি, অন্যান্য নির্দিষ্ট অফিস থেকেও আমার কাছে আজ পর্যন্ত কোনও যোগাযোগ করা হয়নি। আবেদন জানানোর পর তিন সপ্তাহের অধিক সময় অতিবাহিত হয়ে গেল। একজন কেন্দ্রীয় সরকারের উচ্চপদের প্রাক্তন আধিকারিক ও ভূতপূর্ব লোকসভার সাংসদের প্রতি এই উদাসীনতা দেখালে, রাজ্যের ৩৪ লক্ষের উপর আবেদনকারীর প্রতি উপেক্ষা কতখানি তা সহজেই অনুমেয়।” 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.