গায়ে পা লাগায় লেবার রুমেই প্রসূতিকে মার ক্ষিপ্ত চিকিৎসকের

অমানবিক!!!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩১, ২০১৮, ১০:০৭

options
link
গায়ে পা লাগায় লেবার রুমেই প্রসূতিকে মার ক্ষিপ্ত চিকিৎসকের

নন্দন দত্ত, সিউড়ি: প্রসব চলাকালীন প্রসূতির পা লেগে গিয়েছিল চিকিৎসকের গায়ে। ফিনকি দিয়ে খানিকটা রক্তও লেগেছিল তাঁর পোশাকে। অভিযোগ, এতেই প্রবল ক্ষিপ্ত হয়ে সদ্য প্রসূতিকে লেবার রুমের ভিতরেই মারধর করলেন প্রসূতি বিশেষজ্ঞ মালানি সোরেন। এই ঘটনায় প্রসূতির পরিবারের তরফে ওই মহিলা চিকিৎসকের বিরুদ্ধে  সিউড়ি সদর হাসপাতালের সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ জানান হয়।

Advertisement

[ফুল চুরির অপবাদ দিয়ে বৃদ্ধা শাশুড়িকে বেধড়ক মার, গ্রেপ্তার বউমা]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সোমবার প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে সিউড়ি সদর হাসপাতালে ভরতি হন বছর ছাব্বিশের সাবিনা খাতুন। তার বাড়ি শহরের রুটি পাড়ায়। মঙ্গলবার তিনি একটি সন্তানের জন্ম দেন। সেই সময় সিউড়ি সদর হাসপাতালে কর্তব্যরত ছিলেন মহিলা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক মানালি সোরেন। সাবিনার অভিযোগ, তাঁকে বিনা কারণে মারধর করেন মানালি সোরেন। ওই প্রসূতি আরও অভিযোগ জানান যে অকারণে তাঁকে মারধরের পাশাপাশি লেবার রুমে থাকা অন্যান্য মহিলাদেরও অত্যন্ত খারাপ ভাষায় গালিগালাজ করেন ওই চিকিৎসক। এছাড়াও প্রসব যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকা মহিলাদের সঙ্গে অত্যন্ত বাজে ব্যবহার করছিল নার্সরাও।

Advertisement

সাবিনার আত্মীয়া রুবি বিবির অভিযোগ, “আমাদের মেয়ে প্রতিবাদ করেছে। তাই হেনস্তা হতে হয়েছে তাঁকে। আমাদের সঙ্গে যে ঘটনা ঘটেছে, আমরা চাই না অন্য কারুর সঙ্গে এমনটা ঘটুক। পুরো ঘটনা লিখিতভাবে হাসপাতালের সুপারকে জানানো হয়েছে। সুপার শোভন দে, বিষয়টি খতিয়ে  দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।” যদিও অভিযুক্ত চিকিৎসক মানালী সোরেনের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে, উনি প্রশ্নের কোনও উত্তর না দিয়েই ফোন কেটে দেন। তবে চিকিৎসকদের হাতে রোগীকে মারধরের ঘটনায় ফের একবার হাসপাতালে রোগীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

[৩ মাস নিখোঁজ থাকার পর মোদির রাজ্য থেকে উদ্ধার কলকাতার কিশোরী]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.