WB Assembly By Election

চলল গুলি, দফায় দফায় সংঘাতে তৃণমূল-বিজেপি, উপনির্বাচনেও ফিরল চেনা ছবি

লোকসভার পর রাজ্যের চার বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনেও মৃদু অশান্তি। সকাল থেকে অশান্তির খবর পাওয়া গিয়েছে প্রায় প্রত্যেকটি কেন্দ্র থেকে। রানাঘাট দক্ষিণে চলল গুলি। দফায় দফায় সংঘাতে জড়ায় বিজেপি ও তৃণমূল। মানিকতলার ৮৯ টি বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে বিজেপি। 

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০২৪, ২১:০৪

options
link
চলল গুলি, দফায় দফায় সংঘাতে তৃণমূল-বিজেপি, উপনির্বাচনেও ফিরল চেনা ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ব্যুরো: লোকসভার পর রাজ্যের চার বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনেও মৃদু অশান্তি। সকাল থেকে অশান্তির খবর পাওয়া গিয়েছে প্রায় প্রত্যেকটি কেন্দ্র থেকে। রানাঘাট দক্ষিণে চলল গুলি। দফায় দফায় সংঘাতে জড়ায় বিজেপি ও তৃণমূল। মানিকতলার ৮৯ টি বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে বিজেপি। 

Advertisement

বুধবার নির্ধারিত সময়ে সকাল সাতটা থেকেই শুরু হয় ভোটাভুটি। তবে প্রথম অশান্তির খবর মেলে মানিকতলা থেকে। ইভিএম বিকল থেকে ভোটারদের ভোটদানে বাধা কিংবা বিজেপি প্রার্থী কল্যাণ চৌবেকে ঘিরে বিক্ষোভ – এমন নানা অভিযোগে দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মানিকতলা। অবশ্য ভোটের আগের রাত থেকেই থমথমে রানাঘাট দক্ষিণ। পূর্ণনগর এলাকায় চলে গুলি। পায়রাডাঙায় বিজেপির পোলিং এজেন্ট শ্রাবন্তী দে-র বাড়িতে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।

Advertisement

পরিবারের দাবি, গভীর রাতে ৩০-৩৫ জন দুষ্কৃতী চড়াও হয়। সিসিটিভি ভেঙে দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হন বিজেপির পোলিং এজেন্ট। অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। এই ঘটনায় রিপোর্টও তলব করে নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উপনির্বাচনের দিনেও অশান্তি কম হয়নি। পায়রাডাঙা পঞ্চায়েতের বিজেপি সদস্য গৌতম বিশ্বাসকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত অবস্থায় রানাঘাট হাসপাতালে ভর্তি তিনি। জেলা নির্বাচনী আধিকারিক এবং পুলিশ সুপারের কাছ থেকে রিপোর্ট তলব করেছে কমিশন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: জমি দখল ইস্যুতে বড় পদক্ষেপ নবান্নের, বদলি ১৮০ BLRO!]

উপনির্বাচনে দফায় দফায় উত্তপ্ত হয় বাগদা। গাদপুকুরিয়া এলাকায় বিজেপি প্রার্থী বিনয় বিশ্বাসকে মারধর করা হয়। তাঁর গাড়িও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। বিনয়বাবু বলেন, “গাদপুকুরিয়া এলাকার বুথে গিয়ে দেখি ওখানে বিজেপির কোনও এজেন্ট নেই। আমি সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলে রাস্তায় আসি। আচমকাই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আমার উপর চড়াও হয়। কিল, ঘুসি, চর মারে। কোনওরকমে গাড়িতে উঠে পড়ি। দুষ্কৃতীরা গাড়ির মধ্যে থেকে আমার গলায় থাকা উত্তরীয় টান দেয়। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গিয়েছি।” যদিও তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, ওই এলাকায় কোন ছাপ্পা ভোট হয়নি। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট হচ্ছিল। বিজেপি প্রার্থী ওখানে গিয়ে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করেন। তাই গ্রামের মানুষই প্রতিবাদ করেন। আবার বাগদার দেহালদহ এলাকায় নির্দল প্রার্থীর এজেন্টকে তৃণমূলের লোকজন মারধর করে বলে অভিযোগ। সাগরপুরে বিজেপি প্রার্থীর এজেন্টকে বুথ থেকে বের করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। বাগদা উপনির্বাচনে ভোট পড়েছে প্রায় ৬৯ শতাংশ।

এদিকে, বিজেপি প্রার্থীকে গো ব্যাক স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রায়গঞ্জের ৬ এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডেও মৃদু অশান্তির খবর পাওয়া গিয়েছে। ৯১ নম্বর বুথে ক্যামেরায় কাপড় লাগিয়ে দেওয়া হয় বলেই অভিযোগ। পরিস্থিতি সামাল দিতে মৃদু লাঠিচার্জ করে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

[আরও পড়ুন: প্রথমবার স্নাইপার রাইফেল রপ্তানির বরাত পেল ভারত! আত্মনির্ভরতায় আরও এক কদম]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.